তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করতে হবে: অধ্যাপক আবু তাহের

  © টিডিসি ফটো

উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির জন্য তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করার আহবান জানিয়ে ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের বলেছেন, স্মার্ট বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ হচ্ছে স্মার্ট সিটিজেন। আর স্মার্ট সিটিজেন হতে হলে নাগরিককে তার অধিকার বিষয়ে সোচ্চার থাকতে হবে। একইভাবে স্মার্ট গভর্নমেন্ট হিসেবে সরকারকেও নাগরিকের অধিকার পূরণে আন্তরিক হতে হবে। 

বুধবার (১৫ মার্চ) জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাশুরেন্স সেলের (আইকিউএসি) আয়োজনে দিনব্যাপী তথ্য অধিকার বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

আরও পড়ুন: ঢাবিকে কেন্দ্র করে সাংস্কৃতিক বিপ্লব ঘটাতে চাই আমরা: পলক

তিনি আরও বলেন, ২০০৮ সালের নির্বাচনের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রথম যে আইনটি করেছিলেন সেটি ছিল তথ্য অধিকার আইন। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশে তথ্য কমিশন গঠিত হয়। পরবর্তীতে ২০১২ সালে এনআইএস ও ২০১৫-১৬ সাল থেকে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এপিএ চুক্তি স্বাক্ষর করি। এপিএ চুক্তির একটি উপাদান হলো তথ্য অধিকার। তাই বিষয়টি আমাদের অত্যন্ত জরুরি।

সভাপতির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৌমিত্র শেখর বলেন, তথ্য প্রাপ্তি নাগরিকের আইনগত ও সাংবিধানিক অধিকার। তথ্য অধিকার আইন যেমন আছে তেমনি তথ্য সংরক্ষণের একটি বিষয়ও আছে। দুটি বিষয়ই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জনগণের তথ্যপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে হলে তথ্য অধিকার আইন সম্পর্কে সকলের সুস্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে। 

আইকিউএসির পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. সাহাবউদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউজিসি সচিব ড. ফেরদৌস জামান, জনসংযোগ ও তথ্য অধিকার বিভাগের পরিচালক ড. এ কে এম শামসুল আরেফিন ও স্ট্রাটেজিক প্লানিং এন্ড কোয়ালিটি এসিউরেন্স ডিভিশনের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ড. দূর্গা রানী সরকার। এছাড়াও রিসোর্স পার্সন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউজিসির উপ পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল মান্নান।