শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে মুখে

ড্যাফোডিলের ভেতরে থাকা আরেক বিশ্ববিদ্যালয়কে ক্যাম্পাস ছাড়তে আল্টিমেটাম প্রশাসনের

২৪ জুলাই ২০২৬, ০৭:২৬ PM , আপডেট: ২৪ জুলাই ২০২৬, ০৭:২৭ PM
ড্যাফোডিল ক্যাম্পাসে ‘এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব বিজনেস টেকনোলজি’ নামে আরেকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম চলছে

ড্যাফোডিল ক্যাম্পাসে ‘এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব বিজনেস টেকনোলজি’ নামে আরেকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম চলছে © টিডিসি সম্পাদিত

ঢাকার অদূরে সাভারের বিরুলিয়ার ড্যাফোডিল স্মার্ট সিটিতে অবস্থিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসের একটি ভবনে ‘এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব বিজনেস টেকনোলজি’ নামে আরেকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু করেছে। এমন সিদ্ধান্তে বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামলে নড়েচড়ে বসে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ২ ঘণ্টার মধ্যে ক্যাম্পাস ত্যাগ করতে আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) আন্দোলনের পর আজ শুক্রবার (২৪ জুলাই) বোর্ড অব ট্রাস্টিজ কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের এক জরুরি সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় আরও কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নোটিশে।

জানা যায়, ‘এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব বিজনেস টেকনোলজি’ নামের এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটিও ড্যাফোডিল গ্রুপের। এটি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বিবিএ ও সিএসই বিষয়ে প্রফেশনাল কোর্সে ভর্তির কার্যক্রম চালাচ্ছে। এ প্রতিষ্ঠানটি ক্যাম্পাসের ৩নং একাডেমিক ভবনটি ব্যবহার করছে। শুধু তাই নয়, বিশ্ববিদ্যালয়টির ভর্তি অফিসেও এ প্রতিষ্ঠানের জন্য আলাদাভাবে জায়গা দেওয়া হয়েছে বলে দাবি শিক্ষার্থীদের। এছাড়া ক্যাম্পাসের বিভিন্ন জায়গায় ‘এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব বিজনেস টেকনোলজি’র ব্যানার-ফেস্টুনও লাগানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

 এ ঘটনায় গতকাল সন্ধ্যায় ‘ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অস্তিত্ব রক্ষা’য় ৪ দফা দাবিতে এই আন্দোলন শুরু হয়। রাত পর্যন্ত চলে এই আন্দোলন। পরে আজ সকালে এক জরুরি সভায় বসে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সভা শেষে চারটি সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। পাশাপাশি এ ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছে প্রশাসন। সভায় চারটি সিদ্ধান্তের মধ্যে রয়েছে-

১. ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি প্রাঙ্গণে অবস্থিত এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব বিজনেস টেকনোলজিকে (এআইবিটি) দুই ঘণ্টার মধ্যে ক্যাম্পাস ত্যাগ/উচ্ছেদ করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো।

২. ক্যাম্পাসে অবস্থিত এআইবিটির সকল স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি, মালামাল এবং অন্যান্য সামগ্রী আগামীকাল সকাল ১০টার মধ্যে অপসারণ করার জন্য প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষকে নির্দেশ প্রদান করা হলো।

৩. বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের সকল স্থান থেকে এআইবিটির সকল ব্যানার, পোস্টার, সাইনবোর্ড, নামফলক এবং অন্যান্য সকল চিহ্ন অবিলম্বে অপসারণের নির্দেশ প্রদান করা হলো।

৪. গঠিত তদন্ত কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো।

এর আগে গতকাল রাতে মুঠোফোনে বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য প্রফেসর ড. এম আর কবির দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেছিলেন, বর্তমানে আমি দেশের বাইরে রয়েছি। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের বিষয়টি জেনেছি এবং এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেছিলেন, প্রশাসনের সঙ্গে (ড্যাফোডিল গ্রুপ) আমাদের কোথাও ভুল বুঝাবুঝি হচ্ছে। কেননা সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের অনুমোদন ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে অন্য কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম চালানো যায় না। আমরা অবশ্যই ব্যবস্থা নেব।

জানা গেছে, এআইবিটির প্রধান হিসেবে একজন প্রিন্সিপাল দায়িত্ব পালন করছেন। হাবিবা জামান নামে সেখানকার একজন কর্মকর্তা (কাউন্সিলার) গতকাল রাতে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের কাছে দাবি করেন, এখানে শুধু ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হবে। পরে নারায়ণগঞ্জের সানারপাড়ে একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হবে।

উৎপাদনমুখী দেশ গড়ার পরিবর্তে কার্ড দিয়ে বেকারত্বকে উৎসাহ দি…
  • ২৪ জুলাই ২০২৬
এখন মানুষ সহযোগিতা করছে, সময় গেলে জবাবদিহি চাইবে: পানিসম্পদ…
  • ২৪ জুলাই ২০২৬
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিক্ষার্থী ও নারীদের মাঝে বাইসাইকেল ও সে…
  • ২৪ জুলাই ২০২৬
মতিঝিল মেট্রো স্টেশনের নিচে বোমা সদৃশ বস্তু, ঘিরে রেখেছে পু…
  • ২৪ জুলাই ২০২৬
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধা
  • ২৪ জুলাই ২০২৬
রাবিতে ইন্টারনেটের গতি বাড়াতে ১৩ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন
  • ২৪ জুলাই ২০২৬