অপেক্ষার অবসান, প্রাথমিকের ১৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগপত্র পাচ্ছেন ২৪ সেপ্টেম্বর

২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪১ PM , আপডেট: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৩ PM
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের লোগো

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের লোগো © সংগৃহীত ছবি

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীর নিয়োগপত্র আগামী বৃহস্পতিবার  (২৪ সেপ্টেম্বর) থেকে দেওয়া শুরু হবে। সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসগুলো থেকে নতুন শিক্ষকদের নিয়োগপত্র দেওয়া হবে। পরে আগামী ১ অক্টোবর থেকে তাদের নিজ নিজ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদানের কথা রয়েছে।

নরসিংদী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নিরঞ্জন কুমার রায় দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘আজ নির্দেশনা পেলাম। এই মাসের ২৪ তারিখ অর্থ্যাৎ বৃহস্পতিবারের মধ্যে নিয়োগপত্র ছাড়তে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘অধিদপ্তরে বিভাগওয়ারী মিটিং চলছে। আমাদের ঢাকা বিভাগের মিটিং শেষ হলো । অন্য বিভাগের মিটিং চলমান।’

এদিকে নোয়াখালী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (চলতি দায়িত্ব) ইশরাত নাসিমা হাবীব বলেন, ‘প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ডিডি স্যাররা আমাদের নির্দেশনা দিয়েছেন। নিয়োগপত্র ছাড়তে বলেছেন ২৪ তারিখ। এখন নিয়োগপত্র আমাদের তৈরি করতে হবে। নিয়োগপত্র তৈরি করেই ছেড়ে দেব।’

নিয়োগপত্র কীভাবে প্রার্থীদের দেওয়া হবে সে বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ইশরাত বলেন, ‘সাধারণত নিয়োগপত্র ডাকযোগে রেজিস্ট্রি করে পাঠানো হয়।’ চট্টগ্রামের জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার  ফিরোজ আহাম্মদ দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘আমরা বৃহস্পতিবারই দিয়ে দেব।’

এদিকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থী আগামী ১ অক্টোবর নিজ নিজ জেলার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদান করবেন। এরপর ৪ অক্টোবর থেকে তাদের পদায়ন শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের পেশাগত প্রশিক্ষণ নিয়েও কাজ চলছে। তাদের দুই মাসের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও প্রশিক্ষণ শুরুর তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে জানিয়েছেন, পদায়নের পর নতুন শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ শুরু করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘প্রশিক্ষণ চাকরির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পদায়ন হলে সঙ্গে সঙ্গে তাদের প্রশিক্ষণ শুরু হবে। দুই মাস প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রশিক্ষণ শেষে তিনি স্কুলে ক্লাস নিতে পারবেন। তবে প্রশিক্ষণ কবে থেকে শুরু হবে, তা এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। আমরা চেষ্টা করছি পদায়নের দিন থেকেই হয়তো প্রশিক্ষণ শুরু করা যায় কি না।’

প্রশিক্ষণের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা চলছে। জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির (নেপ) মহাপরিচালক ফরিদ আহ্‌মদ জানিয়েছেন, নতুন শিক্ষকদের প্রশিক্ষণসংক্রান্ত নীতিমালা সংশোধন করে মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্তের পর প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হবে।

তিনি জানান, ১৪ হাজার ৩৮৪ শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দিতে প্রয়োজনে ডাবল শিফটে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। প্রশিক্ষণটি আবাসিক নাকি অনাবাসিক হবে, সে বিষয়েও এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

প্রশিক্ষণে উত্তীর্ণ হতে না পারলে নিয়োগ বাতিল হবে কি না, সে বিষয়েও এখনো কোনো সুস্পষ্ট নির্দেশনা নেই। নেপ মহাপরিচালক বলেন, প্রশিক্ষণে উত্তীর্ণ না হলে নিয়োগ বাতিল হওয়ার কথা বলে মনে হয় না। তবে এ বিষয়ে নীতিমালায় কোনো সিদ্ধান্ত আছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত নই।

অফিসার নিয়োগ দেবে এনসিসি ব্যাংক, আবেদন ৩ অক্টোবর পর্যন্ত
  • ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৯ শর্তে নিয়োগপত্র পাচ্ছেন প্রাথমিকের ১৪ হাজার শিক্ষক
  • ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বাবা-মায়ের পর বিশ্বমঞ্চে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে তারেক রহ…
  • ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আশুলিয়ায় আট পোশাকশ্রমিক নিহতের ঘটনায় দায়ীদের গ্রেপ্তার ও শা…
  • ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মিছিলে অসুস্থ হয়ে যুবদল নেতার মৃত্যু
  • ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিক্ষকদের পে-স্কেলের পৃথক প্রজ্ঞাপন ফেসবুকে, যা জানা যাচ্ছে
  • ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬