ববি হাজ্জাজ © সংগৃহীত
প্রাথমিকের ৫২ হাজার শিক্ষকের চাকরি নিয়ে সৃষ্ট জটিলতার কারণ জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। বুধবার (২২ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘শিক্ষা বাজেট: বাজেটের শিক্ষা’ শীর্ষক প্রাক বাজেট আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি। গণসাক্ষরতা অভিযান এ আয়োজন করেছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘মামলায় ছয় হাজারের বেশি শিক্ষকের চাকরি আটকে আছে। আরেক মামলায় ৩২ হাজারের বেশি হেডমাস্টারের চাকরি আটকে আছে। নতুন ১৪ হাজার শিক্ষকের পরীক্ষা অন্তর্বর্তী সরকার নিয়েছে। এমন প্রসেসে নিয়েছে, যেটা এখন আমরা ফুল ভেরিফাই করে তাদেরকে চাকরিতে বসাতে পারছি না।
ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘তাদেকে আমার স্কিলটা দিতে হবে। এভাবে সাজানোর কাজগুলো আমরা করছি। যদিও শিক্ষক নীতিমালা নিয়ে আজকে অনেকগুলো কথা হয়েছে। আজকে শিক্ষক নীতিমালার আলোচনা ছিল না। তবে বাজেটের একটা অংশ। আমরা প্রাথমিক শিক্ষক নিয়ে কথা বলি।’
তিনি বলেন, ‘এসব জায়গায় সমন্বয়ের দরকার আছে। স্টেক সাপোর্টের দরকার আছে। সবাই ১৭ বছর কত কষ্ট করেছেন, সবাই করেছি, সেটা ভিন্ন কথা। এ জায়গায় আমাদের কম্প্রিহেন্সিভ নীতিমালার বদলের দরকার আছে। সে জায়গা থেকে আমরা যেমন কাজ করছি। আমরা চাই গুরুত্বপূর্ণ স্টেকহোল্ডার যারা আছেন, তারা আমাদেরকে সহযোগিতা করবেন, এই নীতিমালাগুলো কীভাবে সাজাতে পারি।’
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘শুধু নীতিমালা সাজালে হবে না। আমার ৪ লাখের ওপরে টিচার আছে। এই ৪ লাখ কিন্তু বিশাল স্টেক হোল্ডার। তাদের কনসেন্সের মধ্যে আনতে হবে। আপনি এক লাখকে আনলেন, অন্যদের আনলেন না, শান্তি হবে না, অরাজকতা হবে। এমন আমাদের অনেক কিছু আছে, আপনাদের সহযোগিতা দরকার।’