শিক্ষার্থীরা বাংলা-ইংরেজি না পারলে শিক্ষকদের শাস্তি, যা বললেন গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

০১ জুন ২০২৬, ০৬:৫১ PM , আপডেট: ০১ জুন ২০২৬, ০৭:২১ PM
ববি হাজ্জাজ

ববি হাজ্জাজ © ফাইল ছবি

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বাংলা, ইংরেজি রিডিং পড়ার পাশাপাশি যোগ, বিয়োগ, গুণ এবং ভাগ না পারলে শাস্তি পাবেন শিক্ষকদের। চলতি বছরের জুলাই মাসের মধ্যেই দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বাংলা ও ইংরেজি সাবলীলভাবে পড়তে পারার দক্ষতা নিশ্চিত করার তাগাদা দেওয়া হয়েছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

বিষয়টি নিয়ে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস কথা বলেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের সঙ্গে। তিনি বলেছেন, আমরা যখন সবাইকে প্রণোদনা (ইনসেন্টিভাইজ) করবো শিক্ষার্থীদের সঠিক শিক্ষা দেওয়ার জন্য, তখন অভিয়াসলি সে কাজটা তারা ঠিকভাবে না করে তাহলে ইনসেন্টিভ এমনি এমনি হবে না। এজন্য আমরা অ্যাসেসমেন্ট পদ্ধতি নিয়ে কাজ করছি। সেই অ্যাসেসমেন্ট পদ্ধতির আলোকে তাদেরকে (শিক্ষকদের) ইনসেন্টিভ বা ডিসেন্টিভ দেওয়া হবে।

প্রাথমিকে ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য থাকা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রধান শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে একটি মামলা চলমান আছে। সে কারণে ৩২ হাজারের বেশি বিদ্যালয়ে আমরা হেডমাস্টার নিয়োগ দিতে পারছি না। মামলা নিষ্পত্তি হলে ৩২ হাজার পদ পূরণ করা হবে।

গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘প্রধান শিক্ষক না থাকা বিদ্যালয়গুলোতে বর্তমানে সহকারী শিক্ষকদের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মামলা নিষ্পত্তির জন্য আমরা কোর্টের কাছে আপিল করে যাচ্ছি। যতভাবে পারি কোর্টের কাছে আপিল করে যাচ্ছি। যেহেতু এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা ইস্যু, আমরা আশাবাদী কোর্ট বিষয়টি নিয়ে খুব তাড়াতাড়ি রায় দেবে।’

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট ও শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত চাপ কমাতে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে- এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়নে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া, ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট এবং স্টার্টআপ ট্রেনিং আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের জন্য একটি সামগ্রিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হচ্ছে। বিষয়গুলো এখন পরিকল্পনা পর্যায়ে রয়েছে এবং কীভাবে আরও উন্নতভাবে বাস্তবায়ন করা যায়, তা পর্যালোচনা চলছে। 

তিনি আরও জানান, শ্রেণিকক্ষের সংখ্যা বাড়ানো এবং এক শিফট স্কুল সম্প্রসারণের মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রম আরও উন্নত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ জন্য বড় পরিসরে বিনিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

প্রাথমিকের যোগদানের অপেক্ষায় থাকা ১৪ হাজার সহকারী শিক্ষকের বিষয়ে তিনি বলেন, প্রশিক্ষণ শেষে তাদের যোগদান করানো হবে। প্রশিক্ষণের বিষয়ে আমরা জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমিকে (ন্যাপ) দায়িত্ব দিয়েছি, যাতে শিগগিরই তারা এটা করতে পারে।

২৮ দেশের ৫০০ তরুণ নিয়ে এশিয়া-প্যাসিফিক যুব জলবায়ু সম্মেলন, …
  • ০৭ অক্টোবর ২০২৬
স্কলারশিপে স্নাতকোত্তরের সুযোগ সুইজারল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি…
  • ০৭ অক্টোবর ২০২৬
বিইউএফটিতে জাতীয় উদ্যোক্তা মেলা ২০২৬
  • ০৭ অক্টোবর ২০২৬
সকালে ছিল ৩১৫০, বিকেলে হলো ৪৫৭০ টাকা: ফরম পূরণের ফি নিয়ে কা…
  • ০৭ অক্টোবর ২০২৬
১২ দিনের ব্যবধানে ৪ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার থানাটিতে
  • ০৭ অক্টোবর ২০২৬
আইএলটি-টোয়েন্টির সূচি প্রকাশ
  • ০৭ অক্টোবর ২০২৬