© সংগৃহীত
ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রেখে আইন সংশোধন হলেও ৯ দফা দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে বাম ছাত্র সংগঠন নেতৃত্বাধীন জোট ‘ধর্ষণ ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ’। আজ মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানী শাহবাগে এক সংবাদ সম্মেলনে এ সিদ্ধান্ত জানান জোটের আহ্বায়ক ও ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক অনিক রায়।
এসময় অনিক বলেন, আমাদের চেয়ে নয় দফার যে আন্দোলন তা আমরা চালিয়ে যাব। আন্দোলনের অংশ হিসেবে আগামী ১৬ ও ১৭ অক্টোবর শাহবাগ থেকে নোয়াখালী পর্যন্ত পূর্বঘোষিত লংমার্চ আমরা করব।
১৬ অক্টোবর সকালে শাহবাগ থেকে রওনা হয়ে গুলিস্তান, নারায়ণগঞ্জের চাষাড়া ও সোনারগাঁও, কুমিল্লার চান্দিনা ও শহর, ফেনী, ফেনীর দাগনভূঞা, নোয়াখালীর চৌমুহনী ও একলাশপুরে সমাবেশ করে মাইজদীতে পৌঁছবে লংমার্চ। সেখানে শেষ সমাবেশ করবে তারা। সারাদেশে অব্যাহত ধর্ষণের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি রয়েছে তাদের।
অনিক বলেন, ধর্ষণবিরোধী আন্দোলন যখন তুঙ্গে, সেই সময়ে প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভায় দাঁড়িয়ে জনগণের সামনে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড এমন দায়সারা সিদ্ধান্ত নিয়ে এসে আন্দোলন দমানোর চেষ্টা করছেন। ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান এলেও 'ধর্ষণবিরোধী আন্দোলন' থেমে যাবে না বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, আইন ও বিচার প্রক্রিয়ার সমস্ত অসঙ্গতি পরিবর্তন না করে শুধু মৃত্যুদণ্ডের বুলি আওড়ায় আন্দোলন বন্ধ করা যাবে না। এইবারের আন্দোলন শুধু একটা দুইটা কিংবা তিনটা ঘটনার বিচারের জন্য নয়, এবারের আন্দোলন দেশটাকে ধর্ষণের সংস্কৃতিকে সমূলে উৎপাটনের আন্দোলন।
সংবাদ সম্মেলেনে যুব ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক খান আসাদুজ্জামান মাসুম, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সভাপতি মাসুদ রানা ও সাধারণ সম্পাদক নাসিরউদ্দিন প্রিন্স উপস্থিত ছিলেন।
নোয়াখালীর একলাসপুর ও সিলেটের এমসি কলেজে ধর্ষণের ঘটনার পর গত সোমবার থেকে শাহবাগে ধারাবাহিক কর্মসূচি পালন করছেন তারা।