সব কেন্দ্র থেকে ধানের শীষের প্রায় ৮৫০ জন এজেন্টের বের করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শেখ রবিউল আলম রবি। ঢাকা-১০ আসনের উপনির্বাচনে প্রশাসনের সহযোগিতায় ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা তাদের বের করে দেন বলে জানান তিনি। শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায় ধানমণ্ডি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেয়ার পর সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ অভিযোগ করেন।
রবি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এক হয়ে সব কেন্দ্র থেকে ধানের শীষের এজেন্টদের বের করে দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, ফের একটি ব্যর্থ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। নির্বাচন ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। একটি আসনে এমন নির্বাচন না করে ঘোষণা দিলেই পারত।
বিএনপির এই প্রার্থী বলেন, সরকার এতই ভীতু যে করোনাভাইরাস উপেক্ষা করে মানুষ ভোট দিতে আসলেও ভোট দিতে পারছে না। নির্বাচনকে একটি প্রহসনে পরিণত করছে, নির্বাচনের নামে প্রহসন চলছে।
রবি বলেন, প্রার্থী হিসেবে আমি ভোট দিতে পেরেছি এটা আমার সৌভাগ্য। কিন্তু জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারছে না।এসময় রবির প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) জটিলতায় প্রায় ৪০ মিনিট অপেক্ষার পরও ভোট দিতে পারেননি ঢাকা-১০ আসনের উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন। ভোট দিতে না পেরে কেন্দ্রে বসে আছেন তিনি।
শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে লেকসার্কার উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে আসেন এই প্রার্থী। বেলা ১০টা ৩০ পর্যন্ত তিনি ভোট দিতে পারেননি।
ঢাকা-১০ আসনের উপনির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে ভোটগ্রহণ চলছে। শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ৯টা থেকে ভোট শুরু হয়, শেষ হবে বিকাল ৫টায়। ইভিএম ব্যবহারে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকির কথা জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। তবে হাতের মাধ্যমে যাতে জীবাণু না ছড়ায় সেজন্য ভোটকেন্দ্রে সেনিটাইজার ও টিস্যু রেখেছে নির্বাচন কমিশন।
প্রসঙ্গত, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস পদত্যাগ করায় ঢাকা-১০ আসনটি গত ২৯ ডিসেম্বর শূন্য ঘোষণা করা হয়।