বিল গেটস ও জর্জ সরোস © সংগৃহীত
বিশ্বজুড়ে করেনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ছাড়িয়েছে। আর মৃত্যুর সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৮ হাজার। তবে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ হয়ে ফিরেছেন অন্তত ৮২ হাজার ৯০৯ জন। বিশ্বের প্রায় ১৬১টি দেশে কোভিড-১৯ এর প্রকোপ বিস্তার লাভ করেছে। বাংলাদেশেও একজনের মৃত্যু হয়েছে।
‘প্রাণঘাতী ভাইরাসটি ছড়ানোর পেছনে মার্কিন প্রযুক্তি ব্যবসায়ী বিলিয়নিয়ার বিল গেটস ও বিনিয়োগ মোগল খ্যাত জর্জ সরোসের মতো অতি ধনীদের হাত রয়েছে এবং ভাইরাসটি পরিকল্পিতভাবে ছড়ানো হয়েছে’— এই দাবি করেছেন খ্যাতনামা জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও মানবাধিকারকর্মী পিয়ার্স করবিন। তিনি ব্রিটিশ রাজনীতিক ও লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিনের বড় ভাই। সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে এসব কথা বলা হয়েছে।
নিজের অনুসারী ও ভক্তদের উদ্দেশে পিয়ার্স করবিন বলেন, করোনা ছড়ানো হয়েছে ২০১৯ সালের অক্টোবর মাসে। এর নেপথ্যে রয়েছে বিল গেটস ও জর্জ সরোসের মতো অতি ধনী ও তাদের লোকেরা। ওই বিজ্ঞানী বলেন, বিষাক্ত ভ্যাকসিনের মাধ্যমে বিশ্বের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও কমিয়ে ফেলাই এর লক্ষ্যে। করোনার ভ্যাকসিন না নেয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি। বিশ্বজুড়ে মহামারী পরিস্থিতির মধ্যে সোমবার এক টুইট বার্তায় এসব কথা বলেন পিয়ার্স।
তিনি বলেছেন, এর উদ্দেশ্য, জোরপূর্বক বিষাক্ত ভ্যাকসিনের মাধ্যমে পৃথিবীর জনসংখ্যা কমিয়ে ফেলা। কারণ তাদের মতে, জনসংখ্যার কারণে পরিবেশ ও জলবায়ুর ক্ষতি হচ্ছে। করোনা ভ্যাকসিনকে ‘না’ বলুন।’
বিশ্বের অতি ধনীদের নানা কর্মকাণ্ড নিয়ে বহু বছর ধরেই সোচ্চার পিয়ার্স করবিন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিরুদ্ধে কথা বলে গত বছর সেপ্টেম্বরই প্রথমবারের মাধ্যমে শিরোনাম হন তিনি। ইইউকে তিনি ‘ফোর্থ রাইখ’ অভিহিত করে কঠোর সমালোচনা করেন।
পরিসংখ্যান বিষয়ক ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটার্স এর তথ্যমতে, সারাবিশ্বে বুধবার রাত পর্যন্ত মোট ২ লাখ ৮ হাজার ৪৫৭ জনের শরীরে করোনার অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। এরমধ্যে মারা গেছেন ৮ হাজার ২৭৯ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৮ হাজার ৭৩৩ জন, আর মারা গেছেন ৩০৫ জন।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হওয়া চীনে ৮০ হাজার ৮৯৪ জনের মধ্যে মারা গেছেন ৩ হাজার ২৩৭ জন। এরপরই সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ ইতালি। সেখানে ৩১ হাজার ৫০৬ জন আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ২ হাজার ৫০৩ জনের। সুস্থ হয়েছেন ২৯৪১ জন।
ইরানে মারা গেছে ১১৩৫ জন আর আক্রান্ত হয়েছে ১৭৩৬১। সুস্থ হয়েছে ৫৩৮৯ জন। স্পেনে মারা গেছে ৬২৩ জন। আক্রান্ত ১৩,৯১০ জন। বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত ১৪ জন করোনা রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। আর মারা গেছেন একজন।