যুবলীগটা যুবকদেরই করা উচিত: জবি উপাচার্য

২২ অক্টোবর ২০১৯, ০৯:৫১ PM

© টিডিসি ফটো

যুবলীগ বয়স্ক লোকদের নয় বরং তা যুবকদের জন্যই বলে মন্তব্য করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান।

সম্প্রতি বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল ‘যমুনা টিভি’কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

সাক্ষাৎকারে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেন, ‘যদি ছাত্রলীগের সম্মেলন ২ বছর বা ৩ বছর পরপর হতো তবে বয়স্ক লোকগুলো থাকার কথা ছিল না। সম্মেলন সময় মতো হয়নি বলেই বয়স্ক লোকগুলো রয়ে গেল। আমি মনে করি যুবলীগটা যুবকদেরই করা উচিত এবং সেটা যদি একটা বয়সসীমা নির্দিষ্ট করে দেয়া হয় তাহলে সবচেয়ে ভালো হবে।’

এর আগে যুবলীগের দায়িত্ব নিতে চেয়ে দেশব্যাপী সমালোচনায় পড়েছিলেন এই উপাচার্য। সম্প্রতি ক্যাসিনো বিরোধী অভিযানে ফেঁসে যান যুবলীগের চেয়ারম্যান এবং বিভিন্ন পর্যায়ের শীর্ষ নেতারা।

অধ্যাপক মীজানুর রহমান বলেন, ছাত্রলীগের ক্ষেত্রে বয়স নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে। কাউন্সিলের মাধ্যমে গঠনতন্ত্রের পথে নিয়ে আসা হয়েছে। কিন্তু যুবলীগের এটা নেই। আগামী কাউন্সিলে একটা ধারা করতে হবে যে, যুবলীগের বয়স ৪৫ বা ৫০ করতে হবে।
তখন আমাদের বয়সী বা যারা আরও সিনিয়র মেম্বার আছেন, ওইরকম যদি একটা বয়সসীমা দেয়া হয় তাহলে যুবলীগ করতে পারবে না। যুবলীগ যারা করে তাদের মধ্যেও অনেক মেধাবী, তরুণ আছে যারা ছাত্রলীগের উচ্চপর্যায়ে ছিল, আওয়ামী লীগে ওরা যদি যেতে না পারে তবে ওরা যাবে কোথায়?

যুবলীগের চেয়ারম্যান যদি কাউন্সিল অধিবেশনে সভাপতিত্ব করতে না পারে বা না আসে তবে ওখানে সভাপতিত্ব করতে কাউকে তো যেতে হবে।

সেটা তো গঠনতন্ত্রের পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত যারা আছে তাদেরই করতে হবে। গঠনতন্ত্র চেঞ্জ হওয়ার পরে তারা কেউ থাকবে না। এরপর বয়সসীমা নির্ধারণ করে দিলে অবশ্যই আমি মনে করি যুবলীগ যুবকদেরই করা উচিত। আমি যুবলীগের প্রেসিডিয়াম মেম্বার হিসেবে যোগদান করেছি।

সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন, আওয়ামী লীগের কেউ কেউ মনে করে, যেহেতু উপাচার্যের এতবড় দায়িত্বে আছেন, আপনি আবার এদিকে কেন যোগ দিতে চাচ্ছেন, এ ক্ষেত্রে অন্যরা বঞ্চিত হবেন কিনা? উত্তরে উপাচার্য বলেন,

‘আমি মোটেই বলিনি যে, আমি যুবলীগের চেয়ারম্যান হতে চাই, এমনকি আমি যে ভাইস-চেয়ারম্যান বা প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবে আছি এটা তো নেত্রী সাক্ষী, শেখ সেলিম সাক্ষী। আমি কি কোনোদিন বলছি আমাকে প্রেসিডিয়াম সদস্য করেন।
আমি যে, ট্রেজারার হলাম, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর হলাম দ্বিতীয়বার আমাকে এক্সটেনশন দেয়া হল, শিক্ষামন্ত্রী দীপুমনি বা নুরুল ইসলাম নাহিদ কোনোবার কি মন্ত্রী সাহেবরা বলতে পারবেন যে, আমি ওনাদের কাছে গিয়েছি এটা করার জন্য।’

তিনি বলেন, আমার উপাচার্য পদ তো শেষ হবে, যদি আমি পদ ছেড়ে দিয়ে নাও আসি এমনিতেও তো এক বছরে কিছু বেশি আছে, এর মধ্যে তো শেষ হয়ে যাবে। তারপরও তো বেঁচে থাকলে পলিটিক্সটা আমি করব। আমিত এ পলিটিক্স থেকে বের হতে পারছি না।

বিশ্বকাপে পাকিস্তানের ভারত ম্যাচ বয়কটের নেপথ্যে শুধুই কি বা…
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নির্বাচনী প্রচারণায় আক্রমণের নতুন হাতিয়ার এআই দিয়ে বানানো ভ…
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
‘যে ঘরে আওয়ামী লীগ আগুন দিয়েছিল, সেই ঘরে এসেই বিএনপি নেতার…
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জুনিয়র অফিসার নিয়োগ দেবে ট্রান্সকম গ্রুপ, আবেদন শেষ ৮ ফেব্র…
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নিলাম ছাড়াই সেতু ভেঙে বাড়িতে নিলেন ইউপি চেয়ারম্যান
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জবি ইউনিট ‘বি’ ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬