বিএনপি মিডিয়া সেলের দাবি

শাহে আলম ও স্ত্রী-পরিবারের নামে ১০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, নতুন নামকরণে আপত্তি ছিল প্রতিমন্ত্রীর

১৯ জুন ২০২৬, ০৭:১৯ PM
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম © টিডিসি সম্পাদিত

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, তার স্ত্রী ও বংশীয় পদবীর নামে ১০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে বলে জানিয়েছে বিএনপি মিডিয়া সেল। শুক্রবার (১৯ জুন) সন্ধ্যায় এক ফেসবুক পোস্টে এই তথ্য জানানো হয়। একই সঙ্গে এতে দাবি করা হয়েছে, সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে দেওয়া এক চিঠিতে নতুন কোনো প্রতিষ্ঠান তাদের নামে নামকরণে আপত্তি জানিয়েছিলেন প্রতিমন্ত্রী।

‘নিজের নামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামকরণে আপত্তি, ১ জুন শিক্ষা সচিবকে এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রীর ডিও’ এবং ‘স্বার্থসিদ্ধি হাসিলের জন্য অনেকে প্রতিমন্ত্রীর নাম ব্যবহারের এমন অপচেষ্টা লিপ্ত বলে জানা গেছে’ শিরোনামে মিডিয়া সেলের ফেসবুক পোস্টে বলা হয়েছে, বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ–মোকামতলা) আসনের সংসদ সদস্য এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপির নামে কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামকরণের উদ্যোগ না নিতে শিক্ষা সচিবের প্রতি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে গত ১ জুন ২০২৬ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিবের কাছে একটি আধা-সরকারি (ডিও) পত্র পাঠিয়েছেন তিনি।

পত্রের বরাত দিয়ে এতে বলা হয়, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে বিভিন্ন ব্যক্তি নিজেদের উদ্যোগে ও স্বার্থসিদ্ধির উদ্দেশ্যে তার নামে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামকরণের প্রস্তাব পাঠাচ্ছেন, যা তার কাছে অনভিপ্রেত ও অনাকাঙ্ক্ষিত। তিনি মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য, পরিচিতি ও স্বাতন্ত্র্য অক্ষুণ্ণ রাখাই অধিকতর সমীচীন।

এতে তিনি আরও জানান, শিবগঞ্জ–মোকামতলা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ব্যক্তিগত উদ্যোগে জমি দান, নিজ অর্থে জমি ক্রয়, প্রতিষ্ঠাকালীন ব্যয় বহন ও সার্বিক পৃষ্ঠপোষকতার মাধ্যমে শিক্ষা বিস্তারে কাজ করে আসছেন। তার প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় ১৯৯৭ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত বা উন্নয়ন করা হয়েছে।

এসবের মধ্যে রয়েছে— মীরবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (১৯৯৭), বেতগাড়ি মীরবাড়ি সরকারি এতিমখানা (২০০৪), বেতগাড়ি মীর শাহে আলম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (২০০১), বেতগাড়ি মীর শাহে আলম কারিগরি স্কুল অ্যান্ড বিএম মহাবিদ্যালয় (২০০৪), তিয়াইল মীর লাবনী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (২০১২), বেতগাড়ি মীর শাহে আলম মৎস্য ও কৃষি প্রযুক্তি ইনস্টিটিউট (২০১৩), বেতগাড়ি মীর মাহাতাব–শাহে আলম মহিলা দাখিল মাদ্রাসা (২০২৩), মোকামতলা মীর শাহে আলম–ছাত্তার তালুকদার মহাবিদ্যালয় (২০২৩), কিচক মীর শাহে আলম কলেজ (২০২৩) এবং বেতগাড়ি মীর শাহে আলম ভেটেরিনারি ইনস্টিটিউট (২০২৫)।

মিডিয়া সেলের পোস্টে বলা হয়, পত্রের শেষাংশে প্রতিমন্ত্রী স্পষ্টভাবে অনুরোধ করেন, উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানগুলোর বাইরে তার বা তার পরিবারের সদস্যদের নামে কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামকরণের প্রস্তাব যেন গ্রহণ বা অনুমোদন না করা হয়। একই সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পূর্বের নাম ও পরিচিতি সংরক্ষণের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন। চিঠির অনুলিপি রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর প্রেরণ করা হয়েছে।

বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে শায়িত হবেন কবি আল মুজাহিদী, জানাযা কখন
  • ১৯ জুন ২০২৬
পুকুরে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু
  • ১৯ জুন ২০২৬
শাহে আলমের মানহানির অভিযোগে করা মামলায় পত্রিকার সম্পাদক গ্র…
  • ১৯ জুন ২০২৬
পে-স্কেলে শতভাগ মূল বেতন চান সরকারি কর্মচারীরা
  • ১৯ জুন ২০২৬
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ফেসবুক আইডিতে ‘জুয়ার বিজ্ঞাপন, মন্ত্রণ…
  • ১৯ জুন ২০২৬
আগের পোষাকে ফিরলো পুলিশ, গেজেট প্রকাশ 
  • ১৯ জুন ২০২৬