শিক্ষা মন্ত্রণালয় © ফাইল ছবি
বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০০১ সংশোধন করতে যাচ্ছে সরকার। এ আইন সংশোধনের মাধ্যমে বগুড়ায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হতে পারে। অর্থাৎ বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নামে বিশেষায়িত যে বিশ্ববিদ্যালয়টি রয়েছে, সেটিকেই পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করা হতে পারে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন সূত্রে জানা গেছে, বগুড়ায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে সভা ডাকা হয়েছে। আজ রবিবার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য প্রফেসর মাছুমা হাবিব, নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহা. হাছানাত আলী উপস্থিত ছিলেন। সভায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বিশ্ববিদ্যালয়) সভাপতিত্ব করেন।
সূত্রের তথ্য বলছে, বগুড়ায় বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হলেও শিক্ষার্থী সংখ্যা, জনসংখ্যা, অবকাঠামো এবং অন্যান্য বিষয় বিবেচনা করে এই জেলায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি উঠেছে। নতুন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে গেলে দীর্ঘ সময় লেগে যাবে। এজন্য বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের বিষয়ে আলোচনা চলছে। এজন্য আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিষয়টিকে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হচ্ছে।
নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে ইউজিসির এক কর্মকর্তা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘বগুড়ায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে। এজন্য বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০০১ সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয় থেকে আইন সংশোধনের প্রস্তাব গৃহীত হলে পরবর্তীতে এটি সংসদে পাস করা হবে।’
পরিবর্তন হবে উপাচার্য
বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন সংশোধনের পর এ বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. কুদরত-ই-জাহানকে সরিয়ে দেওয়া হতে পারে। তার জায়গায় উত্তরবঙ্গের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে ভিসি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হতে পারে।
নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্যকে সরানো হতে পারে। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। তার জায়গায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপককে নিয়োগ দেওয়া হতে পারে। এই অধ্যাপকের বাড়ি বগুড়ায় বলে শোনা যাচ্ছে।’