তরুণদের জন্য এক কোটি সম্মানজনক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে চায় এনসিপি © টিডিসি সম্পাদিত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। ইশতেহারে তরুণদের জন্য মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে দলটি। এলক্ষ্যে এক কোটি সৃষ্টির লক্ষ্যের কথা জানিয়েছে তারা। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রাককালীন পরিবর্তিত কর্মসংস্থানের সঙ্গে খাপ খাইয়ে জনশক্তিকে দক্ষতায় রূপান্তর, নতুন কাজের ধরন তৈরি এবং প্রযুক্তির সাথে মানবসম্পদের সহাবস্থান নিশ্চিত করার মানদণ্ডে যেতে চায় তারা। আজ শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাজধানীর গুলশানে এক অনুষ্ঠানে দলটির ইশেতেহার প্রকাশ করা হয়।
ইশতেহার অনুযায়ী, পাঁচ বছরে দেশে অন্তত এক কোটি সম্মানজনক কর্মসংস্থান সৃষ্টির হলে বছর প্রতি কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে গড়ে প্রায় ২.৬৫%। এরমধ্যে কৃষি ও কৃষিভিত্তিক শিল্পে আগামী পাঁচ বছরে প্রায় ২৫ লাখ কর্মসংস্থান, ডিজিটাল অর্থনীতিতে প্রায় ১৫ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির, সরকারি খাতে মোট ১৪ লাখ সম্মানজনক কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ক্রীড়া খাতে প্রায় ১ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির ও প্রতি বছর ন্যূনতম ১৫ লাখ নিরাপদ ও সম্মানজনক প্রবাসী কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা হবে।
বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠীকে নীতি-প্রণয়ন, শিক্ষা, অর্থনীতি, শিল্প ও সংস্কৃতির নেতৃত্বে সক্রিয়ভাবে যুক্ত করা সম্ভব হলে বাংলাদেশ দ্রুত সামাজিক ন্যায়বিচার, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও টেকসই উন্নয়নের পথে এগিয়ে যেতে পারবে বলে মনে করছে এনসিপি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), রোবোটিক্স ও অটোমেশনের দ্রুত বিস্তার উৎপাদনশীলতা ও দক্ষতা বাড়ালেও অনেক ক্ষেত্রেই প্রচলিত কর্মসংস্থানের সুযোগ সংকুচিত হওয়ায় কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে দক্ষতায় রূপান্তর, নতুন কাজের ধরন তৈরি এবং প্রযুক্তির সাথে মানবসম্পদের সহাবস্থান নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে দলটির ইশতেহারে। সৃজনশীল কাজ, নতুন স্টার্টআপ এবং আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী ও উৎসবে অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করতে ‘ইয়ুথ কালচারাল ফেলোশিপ’ চালু করে পাঁচ বছরে মোট ৩,০০০ ফেলো তৈরির পলিকল্পনার কথা রয়েছে এনসিপির ইশতেহারে। এই সব কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য ক্যাবিনেট সেলের অধীনে ‘ন্যাশনাল ইয়ুথ সেক্রেটারিয়েট’ গঠন করবে তারা।