বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীদের বাকবিতণ্ডা © টিডিসি ফটো
ফেনীর পরশুরামে জামায়াতের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ভোটারদের বিকাশ নম্বর সংগ্রহের অভিযোগ তুলেছে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা। এ নিয়ে দুইপক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার চিথলিয়া ইউনিয়নের জঙ্গলঘোনা ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে পশ্চিম অলকা গ্রামে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের কাছ থেকে বিকাশ নম্বর ও আইডি কার্ড নেওয়ার অভিযোগে চিথলিয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি হাবিবুল্লাহ বাহারকে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা একটি দোকানে আটক করে রাখেন। পরে সেখানে বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীদের মাঝে বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) এসএম শাফায়াত আকতার নূর ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।
এ সময় জামায়াত নেতা হাবিবুল্লাহ বাহার বিষয়টি নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ২২ জানুয়ারি থেকে নির্বাচনী প্রচারের সুযোগ রয়েছে। আমি ২১ জানুয়ারিতে ২২ জানুয়ারি ভেবে নির্বাচনী কাজে অংশ নিয়েছিলাম। তবে বিকাশ নম্বরের বিষয়টি সঠিক নয়।
পরশুরাম উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আবদুল হালিম মানিক বলেন, জামায়াতের ওই নেতা ভোটারদের বাড়ি গিয়ে বিকাশ নম্বর ও ভোটার পরিচয় সংগ্রহ করার সময় বিএনপি নেতাকর্মীরা আটক করেন। বিষয়টি তিনি স্বীকারও করেছেন। এজন্য তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগ প্রসঙ্গে পরশুরাম উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আবদুল হালিম বলেন, নির্বাচনের দিন এজেন্ট নিয়োগের জন্য জামায়াতের নেতাকর্মীদের আইডি কার্ড ও মোবাইল নম্বর নেওয়া হচ্ছে। যেসব নম্বর নেওয়া হয়েছে সেগুলোর অধিকাংশ নম্বরে বিকাশ নেই। এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন।
এ ব্যাপারে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এসএম শাফায়াত আকতার নুর দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, দুই দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে সমঝোতা হওয়ায় আটক ব্যক্তিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে কেউ নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।