বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর লোগো © সংগৃহীত
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১০-দলীয় জোটের নির্বাচনী ঐক্যের চূড়ান্ত আসন বণ্টন সম্পন্ন হয়েছে। চূড়ান্ত সমঝোতা অনুযায়ী, জোটের প্রধান দল হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ২১৫টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। জোটের বাকি ৮৫টি আসন অন্য শরিক দলগুলোর জন্য ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো এ সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেছে। এর আগে জামায়াতে ইসলামী ১৭৯টি আসনে লড়ার প্রাথমিক ঘোষণা দিয়েছিল ও ৪৭টি আসন ইসলামী আন্দোলনের জন্য রাখা হয়েছিল।
তবে শেষ মুহূর্তে ইসলামী আন্দোলন এই জোটে না আসায় তাদের জন্য রাখা আসনগুলো জামায়াত ও অন্যান্য শরিকদের মধ্যে নতুন করে বণ্টন করা হয়।
নতুন এই বণ্টন অনুযায়ী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২৩টি ও খেলাফত মজলিস ১২টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। এ ছাড়া এলডিপি, এবি পার্টি, বিডিপি ও নেজামে ইসলাম পার্টির আসনও চূড়ান্ত করা হয়েছে। জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জানিয়েছেন।
আজ বিকেলে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পর জোটের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে একক প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা ও উন্মুক্ত আসনগুলোর বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইসলামী আন্দোলন জোটে না আসায় জামায়াতের আসন সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও জোটগত শক্তির ভারসাম্য বজায় রাখতে শরিকদেরও উল্লেখযোগ্য আসন ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।