পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনারদের শাস্তির আওয়াত আনার দাবি বিএনপির

১৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৭:২৮ PM , আপডেট: ১৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:২১ PM
নজরুল ইসলাম খান

নজরুল ইসলাম খান © সৌজন্য প্রাপ্ত

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, পোস্টাল ব্যালট পেপার যারা ডিজাইন করেছেন, তারা শুধু নৈতিকভাবে অন্যায় করেছেন। এজন্য আমরা তীব্র ক্ষোভ বা প্রতিবাদ করছি না, তাদেরকে শাস্তির আওতায় আনার দাবী করছি।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় গুলশানে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন পরিচালনায় বিএনপি গঠিত কমিটির বৈঠক শেষে তিনি এসব কথা বলেন। 

নজরুল ইসলাম খান বলেন, আমরা আজকে কয়েকটা ব্যাপারে আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই এবং এ ব্যাপারে আমাদের উদ্বেগের কথা, আমাদের মতামত আপনাদের সামনে উপস্থাপন করতে চাই। আপনারা জানেন যে, একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্ন স্থানে শুধু ঢাকা মহানগরী, বিভিন্ন জেলা, মহানগর এবং বিভিন্ন নির্বাচনি এলাকায় তারা বিশেষ করে দরিদ্র ভোটার যারা বিশেষ করে একটু কম শিক্ষিত ভোটার যারা তাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনআইডি কার্ডের ফটোকপি ফোন নাম্বার এবং বিকাশ নাম্বার সংগ্রহ করছে। এটা আগে কখনো হয় নাই। আমরা বহু নির্বাচনে অংশ দিয়েছি কিন্তু কখনো এটা দেখি নাই। কিন্তু এবার এই কাজটা করা হচ্ছে এবং কেন করা হচ্ছে এই নিয়ে আমরা একটু খোঁজ নেওয়ার চেষ্টা করেছি। বোঝার চেষ্টা করেছি এবং আমরা আশঙ্কা করছি যে, তারা ভুয়া এনআইডি নিয়ে জাল ভোট দেওয়ার চেষ্টা করতে পারে। 

তিনি বলেন, ভোটারদের বিকাশ নাম্বার নিয়েছে তার মাধ্যমে তারা তাদেরকে অর্থ দিয়ে প্রলুব্ধ করতে পারে তাদের পক্ষে ভোট দিতে। এটা অনৈতিক, বেআইনি এবং সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে একটা প্রতিবন্ধক। এই বিষয়টা সোশ্যাল মিডিয়ায় এবং ট্রেডিশনাল মিডিয়ায় প্রকাশ হয়েছে, প্রচার হয়েছে কিন্তু নির্বাচন কমিশন এ ব্যাপারে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করে নাই। আমরা গতকাল (মঙ্গলবার) প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে কথা বলেছি। সেখানে আমরা এ বিষয়ে আমাদের উদ্বেগ জানিয়ে এ বিষয়ে কি ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে আমরা জানি না। আমরা মনে করি যে, এই অনৈতিক, বেআইনী এবং সুষ্ঠ নির্বাচনের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে তারা দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেবেন। যাতে করে এ ধরনের অপরাধ সংগঠিত হতে না পারে সেই পরিবেশ সৃষ্টি করবেন। 

তিনি বলেন, আপনারা জানেন যে, আমাদের দেশে এইবার পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার একটা ব্যবস্থা চালু হয়েছে। প্রবাসীদের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এটা আমাদেরই দাবি ছিল। সবার আগে বিএনপি প্রবাসীদের ভোটের অধিকার চেয়েছে। সেটা আমরা বলেছি সরকারের কাছে এবং শেষ পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন এটাতে এগ্রি করেছে। কিভাবে এটা করা যায় এই নিয়ে অনেক আলোচনার পর পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে এই সুযোগটা নিশ্চিত করা হোক। 

নজরুল ইসলাম খান বলেন, আপনারা জানেন যে, নির্বাচনের জন্য পোস্টাল ভোট নিবন্ধন অনুমোদন দেওয়া হয়েছে ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬ শত ৮৩জন। এর মধ্যে প্রবাসী আছেন ৭ লাখ ৬০ হাজারের কিছু বেশি। বাকিরা দেশ থেকে নিবন্ধন করেছেন। এদের মধ্যে পৌনে ৬লাখ সরকারি চাকরিজীবী, প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার নির্বাচনি কর্মকর্তা, ১০ হাজার আনসার সদস্য এবং ৬ হাজারের বেশি কারাবন্দি; সব মিলিয়ে এই এই পরিমাণটা ১ শতাংশের মত বা তার চেয়ে একটু বেশি। কিন্তু আপনারা এটাও জানেন যে পোস্টাল ভোটের সংখ্যা ১০ হাজার বা তার বেশি এরকম আসন আছে অনেক। ৫/৭ হাজার ভোট অনেক আসনে আছে। ফলে এই ভোট কোন কোন ক্ষেত্রে নিয়ামক হতে পারে যে প্রার্থী বিজয়ী হবে। ফলে এই ভোট যাতে কোন কায়দা কৌশলের কারণে বিশেষ কারো পক্ষে না যায় এটা দেখার দায়িত্ব ছিল নির্বাচন কমিশন। কিন্তু আমরা বিস্ময়ের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, ইসি থেকে প্রবাসী ভোটারদের জন্য যে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো হয়েছে আমাদের দেশের ভিতরে এখনো পাঠানো হয় নাই। কিন্তু প্রবাসীদের কাছে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো হয়েছে। 

সেখান থেকে আমরা বুঝতে পেরেছি, জানতে পেরেছি তা হলো যে সেই ব্যালটের যে পেপার সেই পেপারে পাঁচটা কলাম করা হয়েছে এবং ১৪টা লাইন করা হয়েছে। নির্বাচনের বিষয়ে যে আইন আরপিও সেখানে শুধুই এটা বলা হয়েছে যে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যে প্রতীকগুলির ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে এই সবগুলির প্রতীক পোস্টাল ব্যালটে ছাপানো থাকে। কয়টা কলাম হবে কয়টা লাইন হবে এ সম্পর্কে কোন দিক নির্দেশনা নাই। অর্থাৎ এটা পুরোটা করেছে নির্বাচন কমিশন। আমরা যখন ইসিকে বলেছি, আপনারা এমনভাবে এই ব্যালট পেপারটা ছাপিয়েছেন প্রথম লাইনে দাঁড়িপাল্লা আছে, শাপলাকলি আছে এবং হাতপাতা আছে। কিন্তু বিএনপির যে প্রতীক সেটা শেষ লাইনে মাঝামাঝি জায়গায় যাতে করে এই পেপারটা ভাজ করলে তাহলে এটা পড়ে যাবে ঠিক মাঝখানে। আর ভাজ করলে একটু অস্পষ্ট হয় এবং কেউ যদি ভাঁজ করা অবস্থায় দেখে তাহলে প্রতীকটা পুরা দেখাই যাবে না। ধানের শীষের উপরের অংশ দেখা যাবে একপাশে, নিচের অংশ দেখা যাবে আরেক পাশে। 

তিনি বলেন, আমরা মনে করি যে এই বিষয়টা এমনি এমনি হয় নাই। এটা দৈব ঘটনা নয়। এটা ইচ্ছা। সিইসি এবং নির্বাচন কমিশনাররা এ ব্যাপারে অজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তারা ঠিক জানেন না যে এটা কীভাবে হইছে। এটা আলফাবেটিক্যালি সাজানো হয়েছে আমরা তাদেরকে বললাম যে অবশ্যই অ্যালফাবেটিক্যালি সাজানো হবে কিন্তু এটা যদি পাঁচটা কলাম না হয়ে যদি চারটা কলাম হইতো কিংবা ছয়টা কলাম হইতো যদি এটা ১৪টা লাইন না হয়ে ১৩ টা লাইন হইতো বা ১৫টা লাইন হইতো তাহলে এখন যেভাবে আছে সেভাবে হতো। কিন্তু এক্সাক্টলি পাঁচটা কলাম এবং ১৪টা লাইন পড়ে তিনটি বিশেষ রাজনৈতিক দলকে প্রথম লাইনে দিয়ে আওয়াজ উদ্দেশ্য। এটা এমনিতে হয় না। আমরা মনে করি যারাই এর পেছনে থাকুক যারাই এই ঘটনার জন্য দায়ী থাকুক, আমরা বলেছি যে আপনারা তাদের ব্যাপারে খবর নেন। কারা এই কাজটা করছে। 

নজরুল ইসলাম বলেন, এই ব্যাপারে অনেক রিসার্চ আছে সারা দুনিয়ায় এবং সেখানে বলা হয়েছে, শুধু প্রতীকের অবস্থানের কারণে এক থেকে ১০ শতাংশ ভোটের হেরফের হতে পারে। আমরা ইসিকে বলেছি, দেশে এখনো বিধি হয় নাই এবং যথেষ্ট সময় আছে। ব্যালট পেপার পুনরায় ছাপিয়ে সংশোধন করা উচিত।  বিষয়টা স্পষ্টতই খুব উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমরা এটাকে অন্যায় এবং অনৈতিক মনে করি। আমরা মনে করি যে এটা সংশোধন করা প্রয়োজন। 

তিনি বলেন, পোস্টাল ব্যালট নিয়ে আরো কিছু ঘটনা ঘটছে। বাহরাইনে একজন জামাত নেতার বাসায় ২০০ বেশি ব্যালট পেপার নিয়ে প্রায় সাত মিনিটের ভিডিও ভাইরাল। ব্যালট পেপার একটা আমানত। আমার ব্যালট পেপার আমি ছাড়া অন্য কারও দেখার সুযোগ নাই। এটা শুধু উচিত-অনূচিতের বিষয় না, এটা বেআইনি। ভোট কেন্দ্রে ভোটার যে ব্যালট পেপারটা নেন এরপর তিনি পেপার নিয়ে একটা এনক্লোজারের মধ্যে যান এবং সেখানে ব্যালট পেপারে ভোট দিয়ে বাক্সে ফেলে আসেন। এর মাঝখানে আর কারো এই ব্যালট পেপার দেখার বা আর কারো এই ব্যালট পেপার হাতে নেওয়ার কোন সুযোগ থাকে না। 

অথচ দেখা যাচ্ছে যে, এক বাড়িতে অনেক ব্যালট পেপার নিয়ে তারা কাজ করছে। তাহলে ব্যালট পেপারের বা নির্বাচনের ভোট দেওয়ার যে স্বাভাবিক প্রক্রিয়া যে ন্যায্য প্রক্রিয়া যে আইনানুগ প্রক্রিয়া সেটা ব্যাহত হচ্ছে। আমরা আজকেও পেয়েছি ওমানের একটা গ্যারেজে গাড়ির উপরে অনেকগুলো ব্যালট পেপার নিয়ে একজন কাজ করছে এবং যিনি করছেন তার নাম হুমায়ুন কবির এবং সেখানে যারা বসবাস করেন তাদের জানিয়েছেন যে তিনি জামায়াতের কর্মী। এসব ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। আমরা ইসিকে বলেছি এ ব্যাপারে কার্যকর ব্যবস্থা নেন। তারা বলেছেন, তারা এ্যাম্বাসির মাধ্যমে খোঁজ নেওয়ার চেষ্টা করেছেন, সেখানকার যারা কর্মকর্তা তারা বলেছে যে হ্যাঁ, এরকম একটা ঘটনার রিপোর্ট সত্য। বিএনপির ধারণা  মাত্র দুই জায়গায় ধরা পড়েছে। কিন্তু এছাড়াও অন্যান্য দেশে এই একই কৌশলে ব্যালট পেপার নিয়ে এই ধরনের ছিনিমিনি খেলা হচ্ছে। আমরা ইসিকে অনুরোধ করেছি যে, এটা বেআইনি কাজ। যারা এই বেআইনী কাজ করেছে খুব দ্রুত তাদের বিরুদ্ধে যদি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হোক। 

নির্বাচন কমিশনের পদক্ষেপের বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে নজরুল ইসলাম খান বলেন, নির্বাচন কমিশন বলেছে তারা এ ব্যাপারে উদ্যোগ নেবেন। কিন্তু আমরা জানিনা যে কতটা উদ্যোগ তারা নেবেন এবং কি করবেন? কিন্তু পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হয় আর যদি অন্যান্য দেশ থেকে এ ধরনের খবর আসতে থাকে তাহলে এই পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে নির্বাচনের বিষয়টি প্রশ্নবোধক হয়ে যাবে। যেটা কোন মতেই প্রত্যাশিত না। 

তিনি বলেন, আমরা একটা সুষ্ঠু নির্বাচন চাই। আমরা চাই জনগণ এই নির্বাচনে আস্থা রাখুক এবং এই নির্বাচনের মাধ্যমে যে সরকার গঠিত হবে সেই সরকারও কোনরকম কারসাজি করে ক্ষমতায় এসেছে এমন কোন অভিযোগ না উঠুক। কিন্তু এই যে আপনার এনআইডি কার্ড নিয়ে বিকাশ নম্বর নিয়ে এই যে আপনার পোস্টাল ব্যালট নিয়ে যে ঘটনাগুলি ঘটছে এগুলো সবই অনৈতিকভাবে, বেআইনিভাবে নিজেদের পক্ষে অধিক ভোট সংগ্রহের অপচেষ্টা বলে আমরা মনে করি। আমরা শুধু নিন্দা জানাই না প্রতিবাদ জানাই না। আমরা এ ধরনের ঘটনার সঙ্গে যুক্তদের শাস্তি দাবি করি। 

বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান বলেন, আমরা বারবার বলে এসেছি আমরা নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড চাই। সবার জন্য সমান সুযোগ চাই। দল বড় হোক বা ছোট হোক ব্যক্তি ক্ষমতাবান হোন বা না হোন পদ পদবিধারী হোন বা সাধারণ নাগরিক হোন সবার জন্য নির্বাচনে লেভেল প্লেইং ফিল্ড থাকা দরকার। ইসি বিএনপির বেশ কিছু প্রার্থীকে নির্বাচনি এলাকায় কোন দোয়া মাহফিল বা কোন অন্য আলোচনা সভায় হয়ত বক্তব্য রেখেছে যে ধানের শীষে ভোট দিন। প্রার্থী না আমাদের দলের উল্লেখযোগ্য কোন নেতাও না সেই কারণে তাদেরকে শোকজ করা হয়েছে। 

উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, আমাদের একজন প্রার্থীর মেয়ে নিজের ফেসবুকে একটা পোস্ট করেছে, যেটা নির্বাচনি আইনের লঙ্ঘন। এই কারণে আমাদের প্রার্থী এবং তার মেয়ে দুইজনকে শোকজ করা হয়েছে। আমরা এটা মেনে নেই। সবার জন্য একই আচরণ চাই ইসি বা ইসির কর্মকর্তাদের। কিন্তু আমরা আপনারা কিছু দৃশ্য দেখতে পাবেন এখানে যে অন্য দলগুলির একই আচরণ করছে না। সাধারণ প্রার্থীরা, অন্য দলগুলির উল্লেখযোগ্য নেতা গুরুত্বপূর্ণ নেতা এমনকি প্রধান নেতারা পর্যন্ত নির্বাচনের প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। নির্বাচন কমিশন এবং নির্বাচনি কর্মকর্তাদের চোখের সামনে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি। 

নজরুল ইসলাম খান বলেন, আমাদের দলের চেয়ারম্যান একটা ব্যক্তিগত সফরে দেশের উত্তরাঞ্চল যেতে চেয়েছিলেন। মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী যিনি বাংলাদেশের রাজনীতির একজন প্রবাদ পুরুষ। রাজনীতিবিদেরও নেতা। তার কবর জিয়ারত করতে। ২৪‘র  ছাত্র গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম প্রধান শহীদ আবু সাঈদের এবং বিভিন্ন জেলার আরো যেসব শহীদ আছেন তাদের কবর জিয়ারতের জন্য। পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছিল যে, এটা কোন নির্বাচনি সফর না। রাজনৈতিক সফরও না। তিনি কোথাও কোন রাজনৈতিক বক্তব্যও দেবেন না। কোথাও কোন নির্বাচনি সমাবেশেও বক্তব্য রাখবেন না। কিন্তু তারপরেও এই নিয়ে কিছু উদ্বেগ, কিছু উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেছে অনেকেই। যার জন্য ইসি আমাদের অনুরোধ করেছে। সে কারণে আমরা সফরটা স্থগিত রাখি। আমরা নির্বাচন চাই যথাসময়ে ১২ ফেব্রুয়ারিতেই এবং আমরা এটাও চাই যে সব রাজনৈতিক দল সে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক। আমাদের কোন কাজে কোন কনফিউশন যাতে না হয় সেইজন্য আমাদের চেয়ারম্যান তার এই সফর স্থগিত করেছেন।

‘তরুণ হিসেবে জামায়াতের ইশতেহারে যে দুটি বিষয় বেশি আকৃষ্ট কর…
  • ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রাজধানীর একটি ভবন থেকে ১৫২টি স্ট্যাম্প উদ্ধার
  • ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বিএনপি ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হিসেবে আওয়ামী লীগকে ব্যবহার …
  • ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সরোয়ার তুষারের সঙ্গে জামায়াত কর্মীর বাকবিতণ্ডা
  • ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ইসহাক সরকারকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার
  • ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জামায়াতের নির্বাচনী প্রচারণায় হামলা, আহত ৭
  • ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬