নিরবেই নিজের বাইকটি ব্যস্ত রেখেছেন আহত শিশুদের স্বজনের জন্য

২৪ জুলাই ২০২৫, ১০:৩৫ AM , আপডেট: ২৭ আগস্ট ২০২৫, ০৭:৩৯ AM
প্ল্যাকার্ড হাতে অপূর্ণ রোবেল

প্ল্যাকার্ড হাতে অপূর্ণ রোবেল © টিডিসি ফোটো

মাইলস্টোন স্কুল ট্র্যাজেডিতে আহত শিক্ষার্থীদের স্বজনরা যখন হাসপাতালে ছোটাছুটি দিশেহারা, তখন এক তরুণ চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের সামনে। হাতে একটি সাদামাটা প্ল্যাকার্ড। তাতে লেখা, ‘মাইলস্টোনের আহত বাচ্চার স্বজনদের জন্য ফ্রি বাইক সার্ভিস’।

পোশাক সাধারণ, মুখে ক্লান্তির ছাপ, কিন্তু চোখে স্পষ্ট এক অদৃশ্য দায়বোধের ভাষা। নাম জানতে চাওয়া হলে বহুবার অনুরোধের পর শুধু জানান—‘অপূর্ণ রোবেল’। এর বাইরে তিনি কিছুই বলেন না। কোনো প্রশ্নের জবাব দেন না, কোনো কৃতিত্ব নিতে চান না। শুধু দাঁড়িয়ে আছেন, যেনো চুপচাপ এক প্রতিজ্ঞা নিয়েছেন—এই ভয়াবহ সময়ে অন্তত কিছু মানুষের পাশে থাকবেন।

আরও পড়ুন: নিহত, নিখোঁজ ও অশনাক্তের সংখ্যার হিসাব নিয়ে ধোঁয়াশা কাটছে না

রোবেলের এ নিঃশব্দ মানবিকতা যেন প্রতীক হয়ে উঠেছে এই দুর্যোগের দিনে। যখন মৃত্যুর সংখ্যা, নিখোঁজের হিসাব আর হাসপাতালে কান্না-চিৎকারে ঢেকে গেছে পুরো দেশ, তখন এক তরুণ কোনো প্রচার ছাড়াই নিজের বাইকটি ব্যস্ত করে তুলেছেন শুধুই আহত শিশুদের স্বজনদের জন্য।

এই দুঃসময়ে এমন মানুষই যেন আশা দেখায়, মনুষ্যত্বের বাতি এখনো নিভে যায়নি। অপূর্ণ রোবেলের মতো মানুষরা প্রমাণ করে, সাহায্য মানেই অর্থ নয়, অবস্থান নয়—সাহায্য মানে পাশে দাঁড়ানো, এক চিলতে সহানুভূতি দেখানো।

আজ কত টাকায় বিক্রি হচ্ছে সোনার ভরি?
  • ০৩ এপ্রিল ২০২৬
আমরা কি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দিকে এগোচ্ছি, নাকি অমূলক ভয়?
  • ০৩ এপ্রিল ২০২৬
গুচ্ছের ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শেষ, প্রশ্ন দেখুন এখানে 
  • ০৩ এপ্রিল ২০২৬
এসির তাপমাত্রা কত রাখা হৃদযন্ত্রের জন্য ভালো
  • ০৩ এপ্রিল ২০২৬
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা
  • ০৩ এপ্রিল ২০২৬
‘শেষ আশা’ গুচ্ছ: সন্তানের জন্য অভিভাবকদের নীরব যুদ্ধ
  • ০৩ এপ্রিল ২০২৬