পরীক্ষা না নিয়েই ফেল করানোয় পশ্চিমবঙ্গে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ 

২৬ জুলাই ২০২১, ০৭:৫৩ PM
বিক্ষোভরত শিক্ষার্থী

বিক্ষোভরত শিক্ষার্থী © ফাইল ছবি

উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর থেকে পশ্চিমবঙ্গে চলছে অসন্তোষ। এবার রাজ্যের বহু জায়গায় সমস্যা শুরু হয়েছে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের নিয়ে। তারা বিক্ষোভে নেমেছে। তাদের প্রশ্ন একটাই, পরীক্ষা হলো না, অথচ ফেল কিভাবে হলো?

কোভিড পরিস্থিতির জন্য এবার পশ্চিমবঙ্গের বোর্ডের পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি।  ৪০:৬০ গাণিতিক ফর্মুলায় হিসেব করে নম্বর দেওয়া হয়েছে পরীক্ষার্থীদের। ২০১৯ সালে মাধ্যমিকে পাওয়া চারটি বিষয়ের উপর ভিত্তি করে ৪০ শতাংশ নম্বর দেওয়া হয়েছে। ৬০ শতাংশ নম্বর দেওয়া হয়েছে ২০২০ সালের একাদশ শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষা ও দ্বাদশ শ্রেণির প্র্যাকটিক্যাল ও প্রজেক্টের উপর। কিন্তু এই ফর্মুলায় হিসেব করে অঙ্ক মেলেনি বলে দাবি শিক্ষার্থীদের। কেননা অকৃতকার্যের হার ২.৩১ শতাংশ। ফল প্রকাশের পর ছাত্ররা বিভিন্ন জায়গায় অবরোধ ও ভাঙচুর করেছে। তাদের প্রশ্ন, কেন অঙ্কে ফেল করিয়ে দেওয়া হলো? পরীক্ষা না দিয়ে যারা পাশ করলো, তাদের মূল্যায়নের ভিত্তিই বা কী?

শিক্ষকদের একাংশের মতে, উচ্চ মাধ্যমিকে ২.৩১ শতাংশ পড়ুয়ার অকৃতকার্য হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। ঢাকুরিয়ার বিনোদিনী গার্লস হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষিকা দীপান্বিতা রায়চৌধুরী বলেন, ‘‘যারা ফেল করেছে, তারা ফেল করার মতোই। নানা অনুদান ও প্রকল্পের অর্থ পাওয়া সত্ত্বেও ছেলেমেয়েদের একাংশ পড়াশুনো করে না। পাস-ফেল প্রথা না থাকায় পড়াশুনোর অভ্যেসটাও হারিয়ে যায়। মাধ্যমিকের ১০০ শতাংশ পাশ দেখে এই ছাত্র-ছাত্রীদের মনেও আশা জেগেছিল৷’’

পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল বিদ্যাসাগর উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র আকাশ হড় জানান, সে আশানুরূপ ফল পায়নি। যদিও মাধ্যমিক ও একাদশে তার ফল যথেষ্ট ভালো ছিল। 'ও' এবং 'এ প্লাস' গ্রেডের সংখ্যা গত বছরের তুলনায় অনেকটাই কমে গেছে। পাশের হার বাড়লেও গুণগত মান কমেছে।

কাকদ্বীপের শিবকালীনগর ঈশান মেমোরিয়াল হাইস্কুলের শিক্ষক গৌতম মণ্ডল বলেন, ‘‘আমাদের রাজ্যে দীর্ঘদিন পাস-ফেল ফিরিয়ে আনার আন্দোলন চলছিল। এবার পরীক্ষাটাই উঠে গেল। অথচ ফেল করানো হলো। একাদশে কেউ ফেল করলে সে দ্বাদশে উঠতে পারে না। আর প্র্যাকটিক্যাল বা প্রজেক্টে ১০০ শতাংশ নম্বর দেওয়া হয়েছে। তা হলে কোন হিসেবে ফেল করবে? এটা হিসেবের ভুল। স্কুল বা ছাত্রের দায় নেই। পুরো দায় সংসদের৷’’

এ বিষয়ে কলকাতার বাগবাজার হরনাথ হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক কাজি মাসুম আখতার বলেন, ‘উচ্চ মাধ্যমিক পাস করা ভালো ছেলেরা আরো ভালো রেজাল্ট করতে পারতো, তারাও ক্ষতিগ্রস্ত হলো। তেমনি অকৃতকার্যদের যে বক্তব্য, তাদের যদি ফেল করাবে, তাহলে একাদশ থেকে দ্বাদশে তুলে দেওয়া হলো কেন? এতেও যুক্তি আছে। এই ছাত্রদের নম্বর যদি কিছুটা গ্রেস দিয়ে পাঠানো হতো, তাহলে এই দুর্দশা হতো না।’

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৫৯৫
  • ০৩ জুলাই ২০২৬
স্থানীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ৩১ জুলাই পর্যন্ত ভোটার হওয়ার…
  • ০৩ জুলাই ২০২৬
বিশ্বকাপ ব্যর্থতার পর জার্মানির কোচের পদ ছাড়লেন নাগেলসমান
  • ০৩ জুলাই ২০২৬
বিশ্বকাপ খেলা দেখানো বন্ধের অভিযোগ ছাত্রদলের, শিবিরের দাবি—…
  • ০৩ জুলাই ২০২৬
সাদাপাথরে নিখোঁজ হওয়া চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার
  • ০৩ জুলাই ২০২৬
ট্রাকের চাপায় সড়কে ঝড়ল দুই বন্ধুর প্রাণ
  • ০৩ জুলাই ২০২৬
×
  • Application Deadline
  • JULY 26, 2026
  • Admission Test
  • AUGUST 01, 2026
APPLY
NOW!
UNDERGRADUATE ADMISSION
FALL 2026!
NORTH SOUTH UNIVERSITY
Center of Excellence