সোলাইমানি © ফাইল ফটো
জেনারেল কাসেম সোলেইমানিকে হত্যার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রকে উচিৎ শিক্ষা দিতে চায় ইরান। আর সে জন্য তারা যুদ্ধকেই বেছে নিতে চাইছে। এরই মধ্যে ইরানের পশ্চিম আকাশে যুদ্ধবিমানের মহড়া চলছে। সতর্ক অবস্থানে থেকে পাহারা দিচ্ছে যুদ্ধবিমান। মোতায়েন করা হয়েছে এফ-১৪ যুদ্ধবিমানও।সামরিক প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করেছে দেশটি। ইরানের সমস্ত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিগুলোকেও রাখা হয়েছে উচ্চ-সতর্কতায়।
এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে দেয়া এক বিশেষ স্বাক্ষাৎকারে খামেনির সামরিক উপদেষ্টা হোসেইন দেহঘান বলেছেন, হত্যাকাণ্ডের জবাব অবশ্যই সামরিক হবে এবং এটি হবে সামরিক স্থাপনার বিরুদ্ধে।
এর আগে শনিবার ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি বলেন, ইরানের কমান্ডার কাসেম সোলেইমানিকে হত্যা করে যুক্তরাষ্ট্র ভয়াবহ ভুল করেছে। এর জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক টুইটে বলেন, আমেরিকান সম্পত্তির ওপর তেহরান হামলা চালালে যুক্তরাষ্ট্র অত্যন্ত কঠোর এবং অতিদ্রুত পাল্টা আঘাত হানবে।
অন্যদিকে জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মাজিদ তাখতে রাভানচি তো সরাসরিই সামরিক হামলার কথা বললেন। শুক্রবার সিএনএনের এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, আমেরিকা যে হামলা চালিয়েছে তা প্রকৃতপক্ষে ইরানের জনগণের বিরুদ্ধে হামলা।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের টুইটকে হাস্যকর এবং অযৌক্তিক বলে মন্তব্য করেছেন দেহঘান। তিনি বলেন, ট্রাম্প আন্তর্জাতিক আইন জানেন না। এমনকি তিনি জাতিসংঘের প্রস্তাবনাকে স্বীকারও করেন না। আসলে তিনি একজন সত্যিকার গুণ্ডা এবং জুয়াড়ি। তিনি রাজনীতিবিদ নন। তার মানসিক স্থিতিশীলতাও নেই।
ইরানের কোনো সাংস্কৃতিক স্থাপনার ওপর ট্রাম্প যদি তার হুমকি অনুযায়ী হামলা চালান, তাহলে কী ঘটবে? এমন প্রশ্নের জবাবে আয়াতুল্লাহ খামেনির এই সামরিক উপদেষ্টা বলেন, আমেরিকান কোনো সামরিক কর্মী, আমেরিকার কোনো রাজনৈতিক কেন্দ্র, আমেরিকার কোনো সামরিক ঘাঁটি, আমেরিকার কোনো সামুদ্রিক যান নিরাপদ থাকবে না। আর এসব আমাদের আওতার সীমার মধ্যে রয়েছে।