টিকটকে সরব হচ্ছেন ট্রাম্প

২০ আগস্ট ২০২৫, ০২:৩০ PM , আপডেট: ২১ আগস্ট ২০২৫, ০২:০৩ PM
টিকটকে সবর হচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

টিকটকে সবর হচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প © সংগৃহীত

চীনা মালিকানাধীন জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টিকটকে সবর হচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এখন থেকে নিয়মিত তার বক্তব্য পাওয়া যাবে টিকটকে। মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) ট্রাম্পের একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য ভিডিওর মাধ্যমে হোয়াইট হাউজের তরফ থেকে নতুন অ্যাকাউন্টটি প্রকাশ করা হয়। "@হোয়াইটহাউজ" নামের ওই অ্যাকাউন্টে ২৭ সেকেন্ডের ভিডিওতে ট্রাম্পকে বলতে শোনা যায়, আমি আপনাদের কণ্ঠস্বর। ক্যাপশনে লেখা ছিল,"আমেরিকা, উই আর ব্যাক, হোয়াটস আপ টিকটক?” ভিডিওটি পোস্ট করার এক ঘন্টার মধ্যে অ্যাকাউন্টটিতে প্রায় ৪,৫০০ জন ফলোয়ার হয়ে যায়।(খবর গার্ডিয়ান) 

অ্যাপটির প্রতি ট্রাম্পের নিজেরও কিছুটা বাড়তি গুরুত্ব বহন করে। গত বছর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কমলা হ্যারিসকে টপকে তরুণ ভোটারদের মধ্যে ট্রাম্পের জনমত বৃদ্ধিতে টিকটকের স্বল্পদৈর্ঘ্য ভিডিওর ব্যাপক ব্যবহার করেছিল রিপাবলিকান শিবির। "@রিয়েল ডোনাল্ড ট্রাম্প" নামের ওই অ্যাকাউন্টটি অবশ্য ট্রাম্পের প্রেসিডেনশিয়াল অ্যাকাউন্ট ছিল না।নির্বাচনি প্রচারণার সময় ট্রাম্পের টিকটক অ্যাকাউন্টে অনুসারীর সংখ্যা দেড় কোটি ছাড়িয়ে গিয়েছিল। সেখানে  সর্বশেষ পোস্ট করেছিলেন ৫ নভেম্বর ২০২৪ নির্বাচনের দিন  এছাড়া, মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিজ মালিকানাধীন সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে যথেষ্ট সক্রিয় থাকেন। কালেভদ্রে এক্স অ্যাকাউন্টেও পোস্ট করেন ট্রাম্প।

হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লিয়াভিট বলেছেন, মার্কিন জনগণের জন্য প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের যত ঐতিহাসিক সাফল্য আছে, তার সবই প্রচার করতে কাজ করে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। এজন্য সর্বোচ্চ সংখ্যক জনগণ ও মাধ্যম ব্যবহার করা হবে। তিনি আরও বলেন, প্রেসিডেনশিয়াল প্রচারণার সময় ট্রাম্পের কথাবার্তা টিকটক দাবড়ে বেড়িয়েছিল। ওই সাফল্যের ভিত্তির ওপর আমরা আরও এগিয়ে যেতে চাই। আমরা জনগণের সঙ্গে এমন সব উপায়ে যোগাযোগ করব, যা আগের কোনও প্রশাসন করেনি।

অবশ্য, টিকটক নিয়ে মার্কিন আইনপ্রণেতারা সবসময়ই সন্দেহভাজন ছিলেন। তাদের আশঙ্কা, এই অ্যাপ ব্যবহারের কারণে মার্কিন নাগরিকদের সংবেদনশীল তথ্য সহজেই হাতিয়ে নিতে পারছে চীনা সরকার। পূর্ববর্তী এক গোয়েন্দা প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, অ্যাপটির মালিকপক্ষ চীনা সরকারের প্রতি অনুগত এবং তাদের মাধ্যমে মার্কিন নাগরিকদের (চীনা স্বার্থে) প্রভাবিত করার প্রচেষ্টা চালানো হতে পারে।

টিকটকের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করেছিল বাইডেন প্রশাসন। ২০২৪ সালের এক আদেশে বলা হয়, চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারির মধ্যে টিকটকের চীনা মালিকানা প্রতিষ্ঠান বাইটড্যান্সকে হয় মার্কিন শাখা বিক্রি করে দিতে হবে নতুবা বিক্রিতে যথেষ্ট অগ্রগতি দেখাতে হবে। নইলে নির্ধারিত সময়ের পর মার্কিন মুলুকে কার্যক্রম চালাতে পারবে না টিকটক। অবশ্য, ২০ জানুয়ারি দ্বিতীয় মেয়াদে হোয়াইট হাউজের মসনদে বসে বাইডেন প্রশাসনের আদেশ প্রয়োগ না করার সিদ্ধান্ত নেন ট্রাম্প। এখন পর্যন্ত তিনবার বাইটড্যান্সের জন্য সময়সীমা বৃদ্ধি করেছেন ট্রাম্প। তৃতীয় দফার সময় শেষ হবে আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর।

এদিকে, বাইটড্যান্স ও মার্কিন বিনিয়োগকারীদের মধ্যে একটি চুক্তি সম্পাদনের জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছেন ট্রাম্প। বাইটড্যান্সের ডেডলাইন বৃদ্ধিতে ট্রাম্পের ওপর চটেছেন অনেক আইনপ্রণেতা। তাদের অভিযোগ, টিকটকের ওপর চীনা নিয়ন্ত্রণের কারণে মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উদ্বেগ সম্পূর্ণ উপেক্ষা করছেন ট্রাম্প। শুধু তাই নয়, ট্রাম্প প্রশাসশাসন আইনকে নিজেদের মর্জিমতো ব্যবহার করছে।

মিরসরাইয়ে অগ্নি দগ্ধ হয়ে চীনা প্রকৌশলীসহ ৩ জনের মৃত্যু
  • ০৪ অক্টোবর ২০২৬
পাকা চুলের সঙ্গে ক্যানসারের যোগসুত্র, গবেষণা যা বলছে 
  • ০৪ অক্টোবর ২০২৬
সারাদেশের ইউএনওদের মীর শাহে আলমের সতর্কবার্তা
  • ০৪ অক্টোবর ২০২৬
সালাহউদ্দিন আহমেদের সমন্বয় ছাড়া ৩৬ দিনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান …
  • ০৩ অক্টোবর ২০২৬
অস্থায়ী ক্যাম্পাসে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষেই ভর্তি কার্যক্রম শুর…
  • ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রতি জেলায় ‘স্পোর্টস ভিলেজ’ প্রতিষ্ঠা করা হবে: ক্রীড়া প্রত…
  • ০৩ অক্টোবর ২০২৬