গাজায় সর্বশেষ যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে রাজি হামাস

১৯ আগস্ট ২০২৫, ১২:৪৪ PM , আপডেট: ২০ আগস্ট ২০২৫, ১০:১৭ AM
গাজায় যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে হামাস

গাজায় যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে হামাস © সংগৃহীত

গাজায় যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে হামাস। ইসরায়েলি হামলায় গাজায় ৬২,০০০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত এবং মানবসৃষ্ট দুর্ভিক্ষের মধ্যে আরও ব্যাপক বাস্তুচ্যুতির হুমকি মধ্যে সর্বশেষ এ যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে। গতকাল সোমবার এক সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে হামাস জানিয়েছে, “কাতার ও মিশরীয় মধ্যস্থতাকারীদের প্রস্তাবে তারা যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে। টাইমস অফ ইসরায়েল এবং চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, ইসরায়েল হামাসের প্রস্তাব গ্রহণ করেছে। (খবর আল-জাজিরা)

কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান বিন জসিম আল থানি কায়রোতে মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল সিসির সঙ্গে আলোচনার পরই এল হামাসের এই ঘোষণা। তবে, অতীতের ব্যর্থ আলোচনাগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে এই ঘোষণা যুদ্ধের দ্রুত অবসানের ইঙ্গিত না-ও হতে পারে। গত দুই বছরে হামাস যুদ্ধবিরতি এবং ইসরায়েলি বন্দীদের মুক্তির প্রস্তাব গ্রহণ করলেও ইসরায়েল বারবারই তা প্রত্যাখ্যান করে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে চেয়েছে।

একটি সূত্র আল-জাজিরাকে জানিয়েছে, কাতার ও মিশরীয় মধ্যস্থতাকারীদের প্রস্তাবে সামরিক অভিযান ৬০ দিনের জন্য সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার কথা বলা হয়েছে। এই সময়ে মানবিক সহায়তা প্রবেশের সুযোগ দিয়ে গাজা থেকে পিছু হটবে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। একই সময়ের মধ্যে ৫০ জন ইসরায়েলি বন্দীর অর্ধেককে ফিলিস্তিনি বন্দীদের বিনিময়ে মুক্তি দেওয়া হবে।

যুদ্ধবিরতির সময় নিয়ে মতবিরোধ রয়েছে। হামাস যুদ্ধের স্থায়ী অবসান চায়, কিন্তু ইসরায়েল এমন একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চাইছে, যা জিম্মিদের মুক্তির পর ইসরায়েলকে গাজায় পুনরায় ধ্বংসযজ্ঞ এবং উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেবে।

হামাস যুদ্ধবিরতিতে রাজি হলেও বর্তমানে ইসরায়েল গাজা সিটি দখলের পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে এবং সেখানকার লাখ লাখ বাসিন্দাকে বাস্তুচ্যুত করার পরিকল্পনা করছে। গাজা সিটির এই অংশ একসময় উপত্যকার বৃহত্তম ও সমৃদ্ধ নগরকেন্দ্র ছিল। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, গাজা সিটি দখল ও ইসরায়েলি মিশন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা নিয়ে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও চিফ অব স্টাফের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। তাঁর ভাষ্য, হামাস প্রচণ্ড চাপের মধ্যে আছে।

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ বলেন, ‘গাজা সিটি আমাদের দখলে চলে আসবে এই আশঙ্কা থেকেই হামাস জিম্মি মুক্তির আলোচনায় রাজি হয়েছে।’ এদিকে, যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি মুক্তি নিয়ে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর সম্ভাবনার দ্বার খুলতে না খুলতেই এর তীব্র বিরোধিতা করছেন কট্টর ডানপন্থী অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোতরিচ। তিনি বলছেন, হামাসের সঙ্গে কোনো ধরনের যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে পৌঁছানো যাবে না। অনেকেই বলছেন গাজায় যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার মতো পর্যাপ্ত লোকবল নেই ইসরায়েলের।ইসরায়েলি কর্মকর্তারাও এ বিষয়তি স্বীকারও করেছেন।

নোবিপ্রবি ছাত্রদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা তদন্তে সময় বৃদ…
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করা ছাত্রলীগ নেতার পক্ষে প্রচা…
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
পুলিশ হেফাজতে নির্যাতন ও ঘুষ দাবির অভিযোগে ২ কর্মকর্তার বির…
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
এক কোটি কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি ছিল, অথচ ছয় মাসে উল্টো ৬১…
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
প্রেস মালিকদের পকেটে যাচ্ছে সরকারের ৩৬০ কোটি টাকা
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৬-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অ…
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬