স্বপ্না ও রবি শঙ্কর © সংগৃহীত
ভারতের উত্তরপ্রদেশে সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে নৃশংসভাবে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেছেন রবি শঙ্কর। হত্যাকাণ্ডের পর নিজেই পুলিশকে ফোন করে অপেক্ষা করেন। আজ শনিবার (২ আগস্ট) সকালে উত্তরপ্রদেশের মীরাটের আমহেরা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর এনডিটিভির
পুলিশ জানিয়েছে, নিহত তরুণীর নাম স্বপ্না। স্বপ্না গত পাঁচ মাস ধরে তার বোন পিংকির শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করছিলেন। চলতি বছরের জানুয়ারিতে বিয়ে হলেও স্বামীর সঙ্গে দাম্পত্য কলহের কারণে তিনি সেখানে ওঠেন। শনিবার সকালে রবি শঙ্কর আমহেরা বাড়িতে এসে স্বপ্নার সঙ্গে কথা বলার অনুরোধ করেন।
এরপর তিনি স্বপ্নাকে বাড়ির প্রথম তলার একটি কক্ষে নিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন। কিছুক্ষণ পর সেখান থেকে স্বপ্নার চিৎকার, কান্না ও বাঁচার আকুতি ভেসে আসে। বাড়ির লোকজন দরজা ভাঙার চেষ্টা করেও পারেনি। পরে পুলিশ এসে দরজা ভাঙে এবং স্বপ্নার দেহের পাশে রবি শঙ্করকে পাওয়া যায়।
এদিকে রবি শঙ্করকে পুলিশ আটক করে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। রবির বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ।
পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা জানান, স্বপ্না প্রাণ ভিক্ষা চাইলেও রবি শঙ্কর বারবার তাকে ছুরিকাঘাত করেন। পুলিশ জানিয়েছে, স্বপ্নার গলা কেটে দেওয়ার পরও তিনি বারবার ছুরি চালিয়ে নিশ্চিত মৃত্যু নিশ্চিত করেন। স্বপ্নার ভগ্নিপতি দাবি করেছেন, তিনি সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।