আহতরা রাস্তায় বসে আছেন © সংগৃহীত
দক্ষিণ কোরিয়ায় হ্যালোইন উৎসবের জনসমাগমে পদদলিত হয়ে ১৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় আরও দেড় শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। নিহতের সংখ্যা প্রথমে ৫৯ জনের কথা জানানো হয়েছিল। পরে তা বেড়ে ১৪৯ জনে পৌঁছেছে বলে দক্ষিণ কোরিয়ার কর্মকর্তারা জানিয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
শনিবার (২৯ অক্টোবর) রাতে দেশটির রাজধানী সিউলের ইটাইওনে এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয় বার্তা সংস্থা ইওনহাপের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এখবর জানিয়েছে।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, ঘটনার ভিডিওতে দেখা গেছে রাস্তায় অনেকের মরদেহ পড়ে আছে। স্বেচ্ছাসেবীরা উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে।
ইয়ংসান ফায়ার স্টেশনের প্রধান চই সুঙ-বিওম বলেছেন, হ্যালোউন উৎসবের আয়োজনে একটি সংকীর্ণ গলিতে বিপুল সংখ্যক মানুষ পড়ে গেলে স্থানীয় সময় ১০টা ২০ মিনিটে এই পদদলনের ঘটনা ঘটে।
এদিকে ঘটনাস্থলের একাধিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, একজন আরেকজনের ওপর পড়ে আছেন। উদ্ধারকর্মী ও সাধারণ নাগরিকরা আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিচ্ছেন। চারপাশে এক ধরনের আতঙ্ক বিরাজ করছে। আহতদের মধ্যে বিদেশি নাগরিকও রয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের অনেকে বলছেন, এতো মানুষের ভিড়ে এক পর্যায়ে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়। পুলিশ তা নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি।
জানিয়েছেন দেশটির ন্যাশনাল ফায়ার এজেন্সির কর্মকর্তা মুন হিওন-জু বলেছেন, পদদললে এ পর্যন্ত মোট কতজনের মৃত্যু হয়েছে তার পরিসংখ্যান এখনই বের করা কঠিন।
দুর্ঘটনার পরপরই যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক এক টুইট বার্তায় বলেছেন- ‘সিউলের আজ ভয়াবহ রাত। এই দুঃসময়ে আমাদের সব চিন্তা-ভাবনা ও সমর্থন দক্ষিণ কোরিয়ানদের সাথে।’