আত্ম-মানবতার সেবায় ইসলাম ও করোনাভাইরাস প্রসঙ্গ

২৯ মার্চ ২০২০, ০২:৩৭ PM

© টিডিসি ফটো

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসের কারণে মানুষ আতঙ্কগ্রস্ত। অদৃশ্য এই ভাইরাসের ছোবলে মুহূর্তের মধ্যে শতশত মানুষ লাশ হয়ে যাচ্ছে। শ্মশান হয়ে যাচ্ছে কত শত জনপদ। জীবিত যারা একইসঙ্গে মৃত্যু ও বেঁচে থাকার উপায় উপকরণ নিয়ে অনিশ্চিত গন্তব্যের পথে। পৃথিবী নামক গ্রহের বাইরে বাংলাদেশ নয়। সুতরাং বাংলাদেশও বৈশ্বিক মহামারি আক্রান্ত জনপদের একটি।

করোনা প্রতিরোধের আগাম ব্যবস্থা হিসেবে বাংলাদেশে ইতোমধ্যে দোকানপাট, অফিস, আদালত, পরিবহন বন্ধ। কিছু এলাকা লকডাউন ও জনগণকে ঘরে থাকতে বলা হয়েছে। এতে দিনমজুর, গরীব মুটো, মাঝি, শ্রমজীবী মানুষ ঘরের চার দেয়ালে অনাহারে অর্ধাহারে দিনাতিপাত করছে। এসব মানুষের সহায়তায় সরকারের পাশাপাশি স্থানীয় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা, বিত্তবানরা পাশে দাঁড়াতে পারে। অনাহারী অসহায় মানুষের মুখে তুলে দিতে পারে দুমুঠো অন্ন।

আমাদের এই সহযোগিতা হতে পারে দাতব্য মানবিক সাহায্য, দানের ক্ষেত্রে অর্থ সাহায্য, সেবা বা পোশাক, খাদ্য  ইত্যাদিসহ বিভিন্ন বিষয় যুক্ত থাকতে পারে। যেহেতু করোনাভাইরাস ছোঁয়াচে হাত পরিষ্কার রাখতে বলা হচ্ছে, সেক্ষেত্রে সাবান, হ্যান্ডওয়াশ, স্যানিটাইজার দিতে পারি। এছাড়া মাস্কও প্রদান করতে পারি। আমাদের দানের মাধ্যমে চিকিৎসা চাহিদাও পূরণ হতে পারে। সাধারণত গরিবদের অর্থ-জিনিসপত্র দিয়ে, খাবার দিয়ে সাহায্য করাটাকে আল্লাহর ওয়াস্তে অর্থাৎ আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য মানুষের কল্যাণে দান হিসেবে গণ্য করা হয়। স্মরণযোগ্য  ‘সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে মোরা পরের তরে।’

একজন মুসলমান আল্লাহর একত্ববাদ স্বীকারের পর তার ওপর দ্বিবিধ দায়িত্ব বর্তায়। এক, হক্কুল্লাহ বা আল্লাহর প্রাপ্য, দুই. হক্কুল ইবাদ বা আল্লাহর বান্দার প্রাপ্য। দ্বিতীয়টি নিয়ে আজকের আলোচনার প্রয়াস। ইসলামের নির্দেশ এত দৃঢ় যে নিজে উদর পূর্ণ করে খাবে, কিন্তু তার গৃহদ্বারে একটি কুকুর উপবাসী থাকবে এমন আহার করাকে ইসলাম স্বীকৃতি দেয় না।

ধনী-গরীব সৃষ্টি করে পৃথিবীর মধ্যে ভারসাম্য বিধান করা হয়েছে। পরস্পরকে মুখাপেক্ষী করা হয়েছে। গরীবের যেমন অর্থের প্রয়োজন আছে, ধনীদের প্রয়োজন আছে গরীবের শ্রম। আপনি বিত্তশালী মানে সবকিছু উপভোগ করার অধিকার শুধুই আপনার এটি ভুল ধারণা। পবিত্র কুরআনে বলা  হয়েছে, ‘আর তাদের (ধনী লোকদের) সম্পদে অবশ্যই প্রার্থী (দরিদ্র) ও বঞ্চিতদের অধিকার রয়েছে।’ (সূরা আল-যারিআত, আয়াত - ১৯)।

আপনি এই মহামারিতে বিলিয়ে দিতে পারেন শুকনো খাবার নগদ অর্থ। যা অসহায় মানুষদের নিরন্ন জঠরে যত সামান্য  চাহিদা পূরণে সহায়ক হবে। ইসলাম এসব দাতব্য কাজে আত্মমানবতার পাশে দাঁড়াতে উদ্বুদ্ধ করেছে। এছাড়া এটি সামাজিক দায়িত্বও বটে। সহায়-সম্পদহীনকে সাহায্য করতে পবিত্র কুরআনে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ‘হে মুমিনগণ! আমি তোমাদের যে জীবনের উপকরণ দিয়েছি, তা থেকে তোমরা ব্যয় করো সেদিন আসার পূর্বেই যেদিন কোনো বেচাকেনা, বন্ধুত্ব এবং সুপারিশ থাকবে না।’ (সূরা আল-বাকারা, আয়াত- ২৫৪)।

মানুষকে সহযোগিতা, দানের অপরিসীম ফজিলত রয়েছে। কিয়ামতের দিন গোপনে দানকারী আল্লাহর আরশের নিচে ছায়া লাভ করবে। হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, ‘কিয়ামতের দিবসে সাত শ্রেণির লোক (আল্লাহর) আরশের নিচে ছায়া লাভ করবে।’ এর মধ্যে এক শ্রেণি হচ্ছে, ‘ওই ব্যক্তি এত গোপনে দান করে যে, তার ডান হাত কী দান করে বাম হাত তা জানতেই পারে না।’ (বুখারি ও মুসলিম)।

ধনী গরীব আল্লাহ পাকের সৃষ্টি। মেধা পরিশ্রম দিয়ে অনেকের সম্পদের মালিক হন। অনেকে গরীব থেকে দিন গুজরান করেন। শুধু মেধা দিয়েও সবকিছু অর্জন করা যায় না। কেননা সমাজে অনেক মেধাবী মানুষ রয়েছেন যার অসচ্ছল ও বিত্তহীন। মানুষ মানুষের জন্য’- কথাটি আমরা প্রায়ই বলে থাকি। যথাসময় আমরা কি মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারি? পৃথিবীর প্রায় সব মানুষই কোনো না কোনোভাবে মানবসেবায় জড়িত। তবে হ্যাঁ, সবার জড়ানোটা একপর্যায়ের না। কারোটা ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে, কারোটা সমাজকে কেন্দ্র করে আর কারোটা দেশকে কেন্দ্র করে।

আমরা সরকারের সাহায্য সহযোগিতার দিকে তাকিয়ে না থেকে স্থানীয়ভাবে প্রতিবেশী গরীব নিঃস্ব অসহায়দের প্রতি সাহায্যের হাত প্রসারিত করতে পারি। এভাবেই নিজ নিজ অবস্থান থেকে এলাকার বিত্তশালী সবাই যদি এগিয়ে আসি তাহলে গোটা দেশের অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানো সম্ভব। হাদীস শরীফের বর্ণনামতে, প্রত্যেক মুসলমানের পার্শ্ববর্তী চল্লিশ ঘরে বসবাসকারীগণ তার প্রতিবেশী বলে গণ্য হবে। হযরত রাসূলুল্লাহ (সা.) প্রতিবেশীর কিছু হকের বিবরণ দিতে গিয়ে বলেন, ‘প্রতিবেশীর হক হলো- এক. প্রতিবেশী অসুস্থ হলে তার খোঁজখবর নেওয়া, দুই. মৃত্যুবরণ করলে দাফনকার্য সম্পন্ন পর্যন্ত সঙ্গ দেওয়া, তিন. ঋণ চাইলে সামর্থ্য অনুযায়ী ঋণ দেওয়া, চার. কোনো দোষ করে ফেললে তা গোপন রাখা,পাঁচ. কোনো কল্যাণপ্রাপ্ত হলে খুশি হয়ে তাকে মোবারকবাদ দেওয়া, ছয়. বিপদে পড়লে সমবেদনা জ্ঞাপন করা, সাত. নিজের বাসা প্রতিবেশীর বাসার চেয়ে উঁচু না করা, যার ফলে তার বাড়ির আলো-বাতাস বন্ধ হয়ে যায়, আট. কোনো ভালো খাবার তৈরি করলে তার সুঘ্রাণ প্রতিবেশীর বাড়িতে পৌঁছে তার ও তার সন্তানদের কষ্টের কারণ যেন না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখা। তবে হ্যাঁ, খাবারের একটা অংশ তাদেরকে দিতে পারলে তোমার খাবারের ঘ্রাণ পৌঁছলে কোনো অসুবিধা নেই।’ (তাবরানি)।

একদিন রাসুলুল্লাহ (সা.) হযরত আবু দারদা (রা.)-কে বললেন, ঘরে তরকারি রান্না করার সময় তাতে পানি কিছুটা বাড়িয়ে দিও। খাবার সময় যাতে প্রতিবেশীকে সামান্য ঝোল হলেও দান করতে পার। দয়ার নবী এভাবেই তাঁর উম্মতকে আর্তমানবতার সেবায় এগিয়ে আসার জন্য উৎসাহিত করেছেন।

সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়া বিবেকের দাবি ধর্মের শিক্ষা। টাকা-পয়সা, খাদ্য, বস্ত্র, পানি, ওষুধসহ যার যা কিছু আছে, তা নিয়েই স্বতঃস্ফূর্তভাবে সাহায্যে এগিয়ে আসতে হবে বিপদগ্রস্ত যে কোনো মানুষকে দেখে কোনো মুসলমানই মুখ ফিরিয়ে থাকতে পারেন না। বিপদগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়া অশেষ নেকির কাজ। দুনিয়াতে ক্ষুধার্ত ও তৃষ্ণার্ত মানুষকে অন্ন ও বস্ত্রদানের পরকালীন প্রতিদান ঘোষণা করে রাসূল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য দুনিয়াতে মানুষকে খাদ্য দান করেছে, কেয়ামতের দিন তাকে খাদ্য দান করা হবে। যে আল্লাহকে খুশি করার জন্য মানুষকে পানি পান করিয়েছে, তাকে কেয়ামতের দিন পানি পান করানো হবে। যে মানুষকে বস্ত্র দান করেছে, তাকে কেয়ামতের দিন বস্ত্র পরিধান করিয়ে তার লজ্জা নিবারণ করা হবে।’ (আবু দাউদ)

মহানবী (সা.) তাঁর জীবদ্দশায় জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস পুরোপুরি অর্জন করেছিলেন। আর্ত-মানবতার সেবা খেদমতে খালেক মহানবী (সা.) এর আদর্শের উত্তরাধিকার। আরবের জনসাধারণ সবাই একসঙ্গে তাঁকে উপাধি দিয়েছিল আল-আমিন। মহানবী (সা.) জনসাধারণের কল্যাণে নিজের পূর্ণ শক্তি নিয়োগ করেছিলেন। তিনি ‘হিলফুল ফুজুল’ বা শান্তি  সংঘের মাধ্যমে আর্ত-মানবতার সেবা, অত্যাচারিতের পাশে দাঁড়ানো, অসহায়দের সাহায্য-সহযোগিতা প্রদানের দ্বারা সব মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছিলেন। মানবসেবার এমন কোনো ক্ষেত্র নেই যেখানে রাসূলের (সা.) ছোঁয়া লাগেনি। তিনি যা বলেছেন নিজের জীবনে তা বাস্তবায়ন করে দেখিয়েছেন।

তাঁর সহধর্মিণী হযরত খাদিজা (রা.) ছিলেন তৎকালীন মক্কার সেরা ধনীদের একজন। বিয়ের পর তিনি সব সম্পত্তি নবীজি (সা.)-কে দিয়ে দিয়েছেন। আর রাসূল (সা.) গরিবদের মধ্যে সে অর্থ বিলিয়ে দিয়েছেন। এসবই মানবসেবার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তাবুক যুদ্ধ অভিযানের প্রাক্কালে মদিনা ইসলামি রাষ্ট্রের প্রধান মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আহবানে সাহাবীরা অকাতরে যুদ্ধ তহবিলে দান করেন। হযরত আবু বকর (রা.) তার সম্পদের পুরোটা ইসলামের জন্য উৎসর্গ করেন। এমনকি নারীরাও গলার হার, হাতের চুড়ি, কানের দুল, আংটি ইত্যাদি যার যা ছিল তা এ তহবিলে দান করেন।

জরুরিভিত্তিতে নিজ নিজ এলাকায় থাকা অসহায়, গরীব, নিঃস্ব মানবেতর জীবনযাপনরত মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় ত্রাণ তৎপরতা, শুকনা খাদ্যসামগ্রী প্রদান, আর্থিক সাহায্য-সহযোগিতা ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি হয়ে পড়েছে। এ ব্যাপারে রাসূল (সা.) দিকনির্দেশনা প্রদান করে বলেছেন, ‘তোমরা ক্ষুধার্তকে খাদ্য দাও, রুগ্ন ব্যক্তির সেবা করো এবং বন্দিকে মুক্ত করো অথবা ঋণের দায়ে আবদ্ধ ব্যক্তিকে ঋণমুক্ত করো।’ (বুখারি)

দানকারীর দান কখনও বিফল হয় না, যদি না তা লোক দেখানো হয়ে থাকে। অসহায় মানুষকে অন্নদানে বেহেশতের সুসংবাদ দিয়ে নবী করিম (সা.) ঘোষণা করেছেন, ‘একটি রুটি দানের কারণে তিন ব্যক্তিকে জান্নাতে পাঠানো হবে। ১. আদেশদাতা, ২. রন্ধনকর্তা, ৩. রুটি বিলানো ব্যক্তি।’ (হাকিম, তাবারানি)

যে ধার্মিক শুধু প্রথাগত ইবাদত করেন, কিন্তু আল্লাহর রাস্তায় বিপদগ্রস্ত ও দুস্থ মানবতার কল্যাণের জন্য দান-খয়রাত, যাকাত-সদকা, ত্যাগ-তিতিক্ষা ও সাহায্য-সহযোগিতায় এগিয়ে আসেন না, সমাজের অসহায় বিপন্ন, মহামারি ও ক্ষতিগ্রস্ত নিঃস্ব অর্ধাহারী-অনাহারী গরিব মানুষের অভাব দূর, ক্ষুধা নিবারণ ও দারিদ্র্য বিমোচনে দানশীলতা ও বদান্যতার চর্চা করেন না; ত্রাণ ও পুনর্বাসনের কাজে অংশ নেয় না; তিনি কখনই প্রকৃত ধার্মিক হতে পারেন না।

ধর্ম তাকে এমন কৃপণ হবার শিক্ষাও দেয় না। কেননা আল্লাহ পাক বলেন, ‘সৎকর্ম শুধু এই নয় যে, পূর্ব কিংবা পশ্চিমদিকে মুখ করবে, বরং বড় সৎকাজ হল এই যে, ঈমান আনবে আল্লাহর উপর কিয়ামত দিবসের উপর, ফেরেশতাদের উপর এবং সমস্ত নবী-রসূলগণে র উপর, আর সম্পদ ব্যয় করবে তাঁরই মহব্বতে আত্নীয়-স্বজন, এতীম-মিসকীন, মুসাফির-ভিক্ষুক ও মুক্তিকামী ক্রীতদাসদের জন্যে। আর যারা নামায প্রতিষ্ঠা করে, যাকাত দান করে এবং যারা কৃত প্রতিজ্ঞা সম্পাদনকারী এবং অভাবে, রোগে-শোকে ও যুদ্ধের সময় ধৈর্য্য ধারণকারী তারাই হল সত্যাশ্রয়ী, আর তারাই পরহেযগার। (সুরা বাকারা আয়াত -১৭৭ )।

দরিদ্রের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়ার প্রতিদান সম্পর্কে নবী করিম (সা.) বলেছেন, ‘কেউ হালাল উপার্জন থেকে দান করলে আল্লাহ নিজে সেই দান গ্রহণ করেন, সেটি উত্তমরূপে সংরক্ষণ করেন। এক সময় সেই দানের সওয়াব পাহাড় তুল্য হয়ে যায়।’ (বুখারি ও মুসলিম)

ইসলাম মানবিক কারণে সামান্য পরিমাণ সহায়তাকেও খাটো করে দেখে না। সে জন্য অতি নগণ্য পরিমাণ দানকেও উৎসাহিত করা হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি দান-সাদকা দেয়, তা একটি খেজুর পরিমাণও হোক না কেন, আল্লাহ তা নিজ হাতে গ্রহণ করেন। তবে শর্ত এই যে, তা বৈধ পথে উপার্জিত হতে হবে। কেননা, আল্লাহ এই বস্তুকেই পছন্দ করেন এবং তা বৃদ্ধি করে নেন আর তা এতটাই যে, এই খেজুর এক পাহাড় পরিমাণ হয়ে যায়।’ (বুখারি ও মুসলিম)

মানুষকে সহযোগিতা করলে  ইহকাল ও পরকালে বিশেষভাবে লাভবান হয়ে থাকে। হাদিস শরিফে বর্ণিত আছে, ‘রোজ কিয়ামতের দিন মানুষ বর্ণনাতীত ক্ষুধা-পিপাসা নিয়ে উলঙ্গ অবস্থায় উত্থিত হবে। যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য দুনিয়াতে মানুষকে খাদ্য দান করেছে, সেদিন তাকে খাদ্য দান করা হবে। যে আল্লাহকে খুশি করার জন্য মানুষকে পানি পান করিয়েছে, তাকে সেদিন পানি পান করিয়ে তার পিপাসা দূর করা হবে। যে মানুষকে বস্ত্র দান করেছে, তাকে সেদিন বস্ত্র পরিধান করিয়ে তার লজ্জা নিবারণ করা হবে।’

কি উদ্দেশ্যে দান করতে হবে সে ব্যাপারে কোরআন শরিফে বলা হয়েছে, ‘...তোমরা যা কিছু দান করো তা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই করো, আর যা কিছু তোমরা দান করো, তার পুরস্কার পুরোপুরি প্রদান করা হবে।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ২৭২)।

জাতির এই ক্রান্তিকালে আসুন সবাই সাধ্য অনুযায়ী অসহায়, নিরন্ন মানুষের পাশে দাঁড়াই। তাদের দুঃখ কষ্ট মোচনে হই সাহায্যকারী। তাদের মুখে ফুটিয়ে তুলি আনন্দের হাসি।

লেখক: শিক্ষক, গবেষক

অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা…
  • ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ
  • ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
আইএসইউতে শিক্ষা ও গবেষণা নিয়ে জাপান-বাংলাদেশ অভিজ্ঞতা বিনিময়
  • ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
জুনিয়র এক্সিকিউটিভ নেবে আখতার গ্রুপ, নিয়োগ ঢাকাসহ ৪ জেলায়
  • ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
শাকসুর প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহারসহ তিন দাবিতে ইসি ভবন ঘেরাও ছাত্…
  • ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
গাইবান্ধায় ২০ বস্তা রাসায়নিক সার জব্দ
  • ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
X
UPTO
100%
MERIT BASED
SCHOLARSHIP
ADMISSION OPEN FOR
SPRING 2026
Application Deadline Wednesday, 21 January, 2026
Apply Now

Programs Offered

  • BBA
  • Economics
  • Agriculture
  • English
  • CSE
  • EEE
  • Civil
  • Mechanical
  • Tourism & Hospitality
01810030041-9