অধ্যাপক ড. মো. আকতারুজ্জামান © টিডিসি সম্পাদিত
বাংলাদেশ সরকার সম্প্রতি এক ঘোষণায় ৭-৮টি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগ দিয়েছেন। এ বিষয়ে দেখলাম একজন শিক্ষাবিদ বলছেন, ‘শিক্ষা দলীয়করণের বাইরে ঘোষণার ঠিক একদিন পরে ৭-৮ বিশ্ববিদ্যালয়ে দলীয় ভিসি'। কেউ বলছেন অমুক উপাচার্যের গবেষণাপত্র মাত্র ২৩টি। অনেকে তুলনামূলক স্টাডি করে ফেলেছেন এবং বলছেন অপসারণ করা উপাচার্যের তুলনায় নতুন সাত উপাচার্য পিছিয়ে, এগিয়ে এক ইত্যাদি।
আপনাদের এই ধারণা সবসময় সঠিক নয়। উপাচার্যের কাজ গবেষণা করা নয়, একটা বিশ্ববিদ্যালয়কে নেতৃত্ব দিয়ে এগিয়ে নেওয়া। উনি কয়টা গবেষণা প্রবন্ধ লিখেছেন, তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উনি ঐ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্যে কি ধরণের সুযোগ-সুবিধা দিয়ে শিক্ষার ভাল পরিবেশ তৈরি করতে পেরেছেন যা তাদেরকে দক্ষ গ্রাজুয়েট হতে সাহায্য করবে। ভাল গবেষক বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নিম্নমানের উপাচার্য হন, তবে ব্যতিক্রম আছে। আমাদের দেশে অনেকের দেখবেন ২-৩শ গবেষণা প্রবন্ধ আছে। যেই জিজ্ঞেস করবেন এখান থেকে কয়টা প্রডাক্ট বা সার্ভিসেস তৈরি করেছেন, দেখবেন আর কথা বলবে না, মানে শূন্য। তাহলে ঐ গবেষণার অর্থ কি? জেনারেটিভ এআই এর যুগে গবেষণা থেকে যদি প্রডাক্ট বা সার্ভিসেস তৈরি না হয়, সেটা নিজের ও দেশের প্রেক্ষাপটে অনেকাংশে অর্থহীন।
রাজনৈতিকভাবে ভিসি নিয়োগের আমি সমর্থক নয়। তবে আমেরিকার মতো গণতান্ত্রিক দেশে বিচারক নিয়োগও দলীয় দৃষ্টিকোণ থেকে হয়। দুনিয়ায় নিরপেক্ষ বলে কিছু নেই, তাই দলীয় দৃষ্টিকোণ থেকে হলেও তাদের মধ্য থেকে সেরা ব্যক্তিকে নিয়োগ দিলে প্রশাসন গতিশীল হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয় এগিয়ে যাবে, অন্যথায় সরকার ও শিক্ষার্থীদের সাথে বিবাদ লেগেই থাকবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সদ্য সাবেক উপাচার্য এটা উপলব্ধি করেই আগেভাগেই পদত্যাগ করেছেন। কারণ তিনি জানেন নতুন সরকার আসলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে গতিশীল রাখা তাঁর পক্ষে কঠিন হবে। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে ট্রাস্টি বোর্ডের দেওয়া লিস্ট থেকে উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হয় প্রশাসনকে গতিশীল রাখতে অন্যথায় বিবাদ চলতেই থাকবে। আমি অনেক উপাচার্যের নাম বলতে পারবো, যারা হয়তো ভাল শিক্ষক বা গবেষক ছিলেন কিন্তু নেতৃত্বগুণ না থাকায় সেসব বিশ্ববিদ্যালয় আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে চলে গেছে, এটাই রূঢ় বাস্তবতা!
দীর্ঘদিন অষ্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রে ছিলাম, এখনো আছি। সেখানকার কয়েকজন উপাচার্য ও শিক্ষককে নিয়ে আলোচনা করলে বিষয়টি ভাল বুঝতে পারবেন। প্রথমে আরএমআইটি বিশ্ববিদ্যালয় অষ্ট্রেলিয়ার সাবেক উপাচার্য মার্টিন বিন (২০১৫-২১) এর কথা ধরেন, যিনি বিশ্বের সেরা ওপেন ইউনিভার্সিটি ইংল্যান্ডেরও উপাচার্য (২০০৯-১৫) ছিলেন। একটু গুগল করলেই পাবেন বিস্তারিত, তিনি শুধুমাত্র একটা ব্যাচেলর ডিগ্রি করেছেন, নো মাস্টার্স, নো পিএইচডি। উনি ইংল্যান্ডে থাকতে গবেষণার কাজে একবার উনার সাক্ষাতকার নিয়েছিলাম। মার্টিন বিন কখনো বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেননি, দীর্ঘদিন মাইক্রোসফটে কাজ করেছেন। এমনটা যদি আমাদের দেশে ঘটতো, তাহলে টকশো এবং সংবাদপত্রের কলামে তুলকালাম কাণ্ড ঘটতো!
এবার আসি ইউনিভার্সিটি অব সিডনিতে। এখানকার বর্তমান উপাচার্য মার্ক স্কট - উনি পিএইচডি করেননি এবং কখনো শিক্ষকতা বা গবেষণায় ছিলেন না। তিনি ফেয়ারফ্যাক্স মিডিয়া, অষ্ট্রেলিয়ান ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশন (এবিসি) এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং সর্বশেষ নিউ সাউথ ওয়েলস প্রদেশের শিক্ষা সচিব ছিলেন। এরপর আসি ইউনিভার্সিটি অব মেলবোর্নে। এখানকার উপাচার্য প্রফেসর গ্লেন ডেভিস, ২০০৫-১৮ সাল পর্যন্ত দায়িত্বে ছিলেন। তিনি পলিটিক্যাল সায়েন্সের লোক, গবেষণা প্রবন্ধের সংখ্যাও আমাদের দেশের অনেক নামী গবেষকের তুলনায় নগন্য। উনার চেয়ে অনেক বড় মাপের শিক্ষক, গবেষক এমনকি কয়েকজন নোবেলজয়ী শিক্ষক ইউনিভার্সিটি অব মেলবোর্নে ছিল। তারপরও নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল তাঁর নেতৃত্বগুণের জন্যে। তাঁর সময়ে দীর্ঘ এক যুগ ধরে ইউনিভার্সিটি অব মেলবোর্ন অষ্ট্রেলিয়ার সেরা বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিশ্বের সেরা ২০টা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি। তিনি এতোটাই সফল ছিলেন যে কিছুদিন আগে সদ্য সাবেক উপাচার্য মারা গেলে প্রফেসর গ্লেন ডেভিসকে আবার উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাউন্সিল। একটা কথা জেনে রাখা ভাল যে অষ্ট্রেলিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো পাবলিক বললেও তারা সম্পূর্ণ স্বায়ত্ত্বশাসিত এবং নিজস্ব অর্থায়নে চলে। এখানে টিউশন ফি বছরে ৩০-৫০ হাজার ডলার পর্যন্ত। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে একাডেমিক, প্রশাসনিক ও আর্থিক বিষয়ে পারফরম্যান্স দেখাতে হয়, অন্যথায় দায় নিয়ে পদত্যাগ করে।
এখন যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর দিকে একটু দেখি। ওখানকার একটি পাবলিক ও একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেকদিন কাজ করেছি ইউএস স্টেট ডিপার্টমেন্টের ফেলোশিপে। মনটানা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট (ভাইস-চ্যান্সেলর) সেথ বডনার। উনার শিক্ষাগত যোগ্যতা মাস্টার্স এবং আমেরিকার মিলিটারি একাডেমিতে কাজ করেছেন তবে শিক্ষাকতা বা গবেষণায় তাঁর নাম নেই। এরপর আসি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে। ওখানকার প্রেসিডেন্ট (ভিসি) প্রফেসর এলান গার্বার। তিনি ব্যাচেলর এ্যান্ড মাস্টার অব আর্টস ও অর্থনীতিতে পিএইচডি করেছেন হার্ভার্ড থেকে। একই সাথে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টর অব মেডিসিন ডিগ্রি সম্পন্ন করেছেন। তিনি হার্ভার্ড ও স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন শিক্ষাকতা ও প্রশাসনিক পদে কাজ করেছেন। আমাদের দেশে হলে বলতো হার্ভার্ড (কিছুটা মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়) ছাড়া বাকি যে কয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়ে কথা বলেছি, তারা ভূয়া, হয় টাকার বিনিময়ে নিয়োগ পেয়েছেন, না হয় রাজনৈতিক বিবেচনায়। আর হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কিভাবে আর্টসের ছাত্র হয়ে ডক্টর অব মেডিসিন ডিগ্রি সম্পন্ন করেছেন, তার জন্যে উচ্চপর্যায়ের একটি কমিটি গঠণ করতো ইউজিসি।
হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের দুইজন বিখ্যাত প্রফেসরের সাথে কাজ করেছি যারা হার্ভার্ড গ্রাজুয়েট স্কুল অব এডুকেশন এবং হার্ভার্ড জন এফ কেনেডি স্কুলে কাজ করেন। গ্রাজুয়েট স্কুলের প্রফেসর অবসরে গিয়ে সিনিয়র গবেষক হিসাবে যোগ দিয়েছেন। তিনি দুনিয়াজুড়ে ডিজিটাল শিক্ষা ও এডটেক বিষয়ের প্রবক্তা। করোনাকালীন সময়ে তিনি বাংলাদেশে অনেকগুলো প্রোগ্রামে যোগ দিয়ে জাতীয় ব্লেন্ডেড শিক্ষা প্রণয়নে আমাকে সাহায্য করেছিলেন। আরেকজন হার্ভার্ড কেনেডি স্কুলের যিনি সানজাভা নামে পরিচিত সান-মাইক্রোসিস্টেম থেকে এসে হার্ভার্ডের চীফ টেকনোলজি অফিসার হিসাবে প্রথমে যোগ দিয়েছিলেন। তাঁর গবেষণা প্রবন্ধের সংখ্যা আর প্যাটেন্টের সংখ্যা সমান, প্রায় ৭০টি, আমাদের সেরা গবেষকদের মতো পাঁচ শতাধিক নয়। আলাপচারিতায় তাদের জিজ্ঞাসা করেছিলাম তাঁরা উপাচার্য হন না কেন? দুজনেই ভাল শিক্ষক, গবেষক কিন্তু উত্তরে অনেক কিছু বলেছিলেন যার সারমর্ম হল ঐপদে অনেক লিডারশিপ এবং স্থানীয় ও জাতীয় সরকারের সাথে লিয়াজো করতে হয়, সেই দক্ষতা তাদের নেই বা উনারা এসব কাজে অভ্যস্ত নন।
দেশেও প্রায় বিশ বছর পাবলিক, প্রাইভেট ও আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা ও প্রশাসনিক পদে কাজ করেছি। এ যাবত মোট ৭-৮ জন উপাচার্যের সাথে কাজ করেছি। তাদের মধ্যে একজন ছিলেন দেশের অন্যতম সেরা মেধাবী শিক্ষক ও গবেষক, অসাধারণ রেজাল্ট কিন্তু ইগো সমস্যা, সমালোচনা নিতে পারতেন না এবং তোষামদি পছন্দ করতেন। তিনি ভাবতেন সবাই এমনকি মন্ত্রি-সচিব সাহেবরাও এসে তাকে জী স্যার, জী স্যার বলবে এবং বড় বড় বরাদ্দ দিয়ে যাবে। কিন্তু বাস্তবতা ছিল ভিন্ন, আজো পর্যন্ত সে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ক্যাম্পাসে একটা ইটও পড়েনি। নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হয়ে ইগো নিয়ে বসে থাকলে তো হবে না, আপনার কাঁধে যখন হাজার হাজার শিক্ষার্থীর ভালমন্দ নির্ভর করে। আসলে স্থানীয় ও জাতীয় সরকার এবং সংশ্লিষ্ট মানুষের সাথে মিশে কাজ বের করে আনার দক্ষতা সবার থাকে না। আরেকটা ঘটনা বলি। শিক্ষাজীবনে আইইউটিতে আমরা প্রায় পঞ্চাশ জন কম্পিউটার সায়েন্সে পড়তাম।
অনেক প্রতিভাধর ছাত্র ছিল, তারা রেজাল্টে প্রথম সারিতে থাকতো। তবে আজ একজনের কথা বলবো যে রেজাল্টে মধ্যম সারিতে ছিল কিন্তু তার প্রেজেন্টেশন ও অসাধারণ লিডারশিপ স্কিল ছিল। চাকরি প্রাপ্তি শুধু রেজাল্টের সাথে সম্পর্কিত নয়, অনেক কিছুর উপর নির্ভর করে। ইতিমধ্যে সে দেশ ও বিদেশের বড় বড় কোম্পানীর শীর্ষ পদে কাজ করেছে। এমন শত শত উদাহরণ আমরা কমবেশি সবাই দেখেছি। ক্লাসে টপাররা ভাল সিইও হয় না - এটা আমার কথা না, রবির সাবেক সিইও মাহতাব উদ্দিনের কথা। তাই সেরা গবেষক বা সেরা শিক্ষক ভাল উপাচার্য নাও হতে পারেন তবে সবাইকে ঐ পদের নূন্যতম ক্রাইটেরিয়া পূর্ণ করা উচিত – আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে তাকে একজন নূন্যতম ভালো শিক্ষাবিদ হতে হবে কিন্তু সর্বোত্তম নেতৃত্বগুণ থাকতে হবে। এখানে ভাল এবং সর্বোত্তমের পার্থক্য বুঝতে হবে।
একেক দেশের প্রেক্ষাপট ভিন্ন, আর্থ-সামাজিক অবস্থাও ভিন্ন। তাই উপাচার্য নিয়োগের প্রক্রিয়াও ভিন্ন। মনে রাখতে রাখতে হবে উপাচার্য একাডেমিক পদ নয়, লিডারশিপ পদ। তাদের মূল কাজ বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। কিভাবে? তার আন্তঃব্যক্তিক ও যোগাযোগ দক্ষতা, আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা, সমন্বয় ও সমঝোতা দক্ষতা, চাপ সামলানোর ক্ষমতা, সময় ব্যবস্থাপনা, উদ্ভাবনী ক্ষমতা, শিল্পখাতের সাথে সংযোগ, স্থানীয় ও জাতীয় সরকারের সাথে দৃঢ় সম্পর্ক ইত্যাদি দিয়ে। আর একটা ক্লাসের ১০০ জন শিক্ষার্থীর ০৫ জনও গবেষক হয় না। আমাদের দেশের জন্যে গবেষণার চেয়ে বহুগুণে বেশি দরকার নতুন নতুন চাকরির ক্ষেত্র, উদ্যোক্তা এবং জবরেডি গ্রাজুয়েট তৈরি করা। বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন অনুসারে, গত এক দশকে আমাদের কর্মক্ষম তরুণদের প্রায় অর্ধেকই চাকরি পায়নি। শিক্ষিত বেকার দিন দিন দেশের বিরাট বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য চাকরি নয়, তবে যে শিক্ষা দুবেলা খাবারের যোগান দিতে পারে না, সেটা আমদের মতো দেশের জন্য অনেকাংশে অর্থহীন আর পেটে ভাত না থাকলে গবেষণা বিলাসিতা ছাড়া কিছুই না, প্রায়োগিক গবেষণা হলে ভিন্ন কথা।
বাংলাদেশ সরকার আগামী ১৮ মাসে দেড় কোটি লোকের কর্মসংস্থান তৈরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। সেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব না হলেও বুঝতে হবে এটা বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকারমূলক এজেন্ডা, অনাগত দিনেও এটার অগ্রাধিকার থাকবে। তাই উপাচার্য নিয়োগে পদের বিবরণ এবং সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা থাকতে হবে। এমন আধুনিক ধ্যান-ধারণায় সমৃদ্ধ একাডেমিক লিডার তৈরি করতে হবে যিনি আউটপুটে বিশ্বাসী - একটা বিশ্ববিদ্যালয়কে নেতৃত্ব দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবেন, দক্ষ গ্রাজুয়েট তৈরি করে দেশ ও জাতির আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারবেন। এমনটা হলে শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও অর্থনীতির মধ্যে একটি কার্যকর সংযোগ তৈরি হবে যা দেশকে শিক্ষিত-বেকারমুক্ত করতে সাহায্য করবে এবং জাতির সমৃদ্ধি এবং তরুণ প্রজন্মের জন্য একটি অর্থবহ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পারবে।
লেখক: শিক্ষাক্রম, কারিগরি ও ডিজিটাল শিক্ষা এবং সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ, মেলবোর্ন, অস্ট্রেলিয়া