বেসরকারি স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৯ম শিক্ষক নিয়োগের জন্য ৭৭ হাজারের বেশি শূন্য পদের তথ্য পেয়েছিল বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। তবে শূন্য পদের সংখ্যা দুই হাজার কমেছে বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) এনটিআরসিএর একটি সূত্র জানিয়েছে, ৯ম শিক্ষক নিয়োগের জন্য প্রাপ্ত শূন্য পদের তথ্যের সঠিকতা যাচাইয়ের জন্য তিনটি অধিদপ্তরে চিঠি পাঠানো হয়েছিল। সেই চিঠির জবাব অর্থাৎ পদের সঠিকতা যাচাই করে এনটিআরসিএকে অবহিত করা হয়েছে। পদের সঠিকতা যাচাইয়ে দুই হাজারের কিছু বেশি পদ কমেছে।
নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে এনটিআরসিএর এক কর্মকর্তা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘অধিদপ্তরগুলো যাচাই-বাছাই শেষে ৭৫ হাজারের কিছু বেশি শূন্য পদের তথ্য সঠিক বলে জানিয়েছে। শিগগিরই শূন্য পদগুলোর বিস্তারিত জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হবে। এরপর মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে ৯ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে এনটিআরসিএ।’
এর আগে ৯ম শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার জন্য বেসরকারি স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ৭৭ হাজার ৭৯৯টি শূন্য পদের তথ্য পেয়েছিল এনটিআরসিএ। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি শূন্য পদ ছিল সহকারী শিক্ষকের, ৪৪ হাজার ৬৯১টি।
এছাড়া সহকারী শিক্ষক (ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা) ৯২৮; সহকারী শিক্ষক/শরীরচর্চা প্রশিক্ষক: ৪,০১৪; সহকারী মৌলভি ১১ হাজার ৬৯; কম্পিউটার ব্যবহারিক নির্দেশক ১২৯; ব্যবহারিক নির্দেশক ১ হাজার ৬১৬; ইবতেদায়ি কারি ২ হাজার ৫৬৩; ইবতেদায়ি মৌলভি ৬ হাজার ১৬৬; ইবতেদায়ি শিক্ষক ৪৪৪; প্রশিক্ষক ৫১; প্রভাষক ৫ হাজার ৮৫২; শারীরিক শিক্ষা প্রশিক্ষক ১২৫ এবং বাণিজ্য প্রশিক্ষক ২৫১ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে বলে উল্লেখ করেছিল এনটিআরসিএ। তবে পদের সঠিকতা যাচাই শেষে দুই হাজার পদ কমল।