বাড়ছে মৃতের সংখ্যা © সংগৃহীত
চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে ডিপোতে কনটেইনারে রাসায়নিক পদার্থ থাকার বিষয়ে ফায়ার সার্ভিসকে শুরুতে অবহিত করা হয়নি বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেল। রবিবার সকালে এ তথ্য জানিয়েছেন তারা।
ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানিয়েছে, আগুন লাগার পর তাদের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তাদেরকে কন্টেইনারে দাহ্য পদার্থ থাকার কথা জানানো হয়নি। তাদের বলা হয়েছিল, ওই কন্টেইনারে গার্মেন্টস পণ্য রয়েছে। এ কারণেই তারা আগুন নেভাতে পানি ছিটিয়েছিলেন। দাহ্য পদার্থের বিষয়ে অবগত হলে তারা পানির পরিবর্তে ফোম ব্যবহার করতো। এতে বিস্ফোরণ ঘটতো না এবং ক্রমান্বয়ে এতগুলো কন্টেইনারে আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়তে পারতো না।
আগুন নেভাতে গিয়ে কনটেইনার বিস্ফোরণে ফায়ার সার্ভিসের ৫ জন কর্মী নিহত হয়েছেন।
আহত হয়েছেন ১৫ জন। তারা এখনো সিএমএইচসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। আরও ২ জন কর্মীর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।
আগুন নেভানোর চেষ্টা করার সময় অগ্নিনির্বাপক কর্মীরা একটি কন্টেইনারের কাছাকাছি থাকা অবস্থায় সেটি বিস্ফোরিত হয়।
মিডিয়া সেলের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মো. শাজাহান শিকদার বলেন, ‘সাম্প্রতিক ইতিহাসে কোনো দুর্ঘটনায় এতজন অগ্নিনির্বাপক কর্মী একসঙ্গে মারা যাননি।’
শনিবার রাতে সীতাকুন্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে ভয়াবহ আগুন লাগে। দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৩৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি চার শতাধিক। তাদের মধ্যে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীও রয়েছেন।