আধুনিকতার ছোঁয়ায় বিলুপ্তির পথে মৃৎশিল্প

৩১ অক্টোবর ২০২৫, ০৯:৩৫ AM , আপডেট: ৩১ অক্টোবর ২০২৫, ০৯:৪৬ AM
মাটির হাঁড়ি তৈরী হচ্ছে

মাটির হাঁড়ি তৈরী হচ্ছে © সংগৃহীত

নেত্রকোনার কেন্দুয়ার মোজাফরপুর ইউনিয়নের মোজাফরপুর গ্রামের ও বলাইশিমুল ইউনিয়নের লস্করপুর গ্রামের মৃতশিল্প আধুনিকতার ছোঁয়ায় আজ বিলুপ্তির পথে। আর এ কারনে লস্করপুর গ্রামের মৃৎশিল্পীদের জীবন সংসার চলে খেয়ে না খেয়ে। এই শিল্প আজ হুমকির মুখে পড়েছে। বাজারে এই শিল্পের তেমন কদর না থাকায় পৈত্রিক পেশা ছেড়ে অনেকেই অন্য পেশায় চলে যাচ্ছেন পেটের তাগিদে।

বলাইশিমুল ইউনিয়নের লস্করপুর গ্রামে একসময় মাটির তৈরি জিনিসপত্র ছিল স্থানীয় মানুষের প্রতিদিনের ব্যবহার্য বস্তু। গ্রামে ৩০টিরও বেশি পরিবার তাদের নিপুণ হাতে তৈরি মাটির হাঁড়ি, পাতিল, থালা, বাটিসহ নানা ধরনের জিনিসপত্র বিক্রি করতেন। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রযুক্তি ও বাজারের পরিবর্তনে এই ঐতিহ্যবাহী পেশা ক্রমে হারিয়ে যেতে বসেছে।

বর্তমানে গ্রামে এই পেশা অনুসরণ করে মাত্র ৫টি পরিবার বেঁচে আছে। তাদের মধ্যে দুলাল পাল, ও তার স্ত্রী রিনা রাণী পাল এখনো প্রতিদিন নিপুণ হাতে মাটির জিনিসপত্র তৈরি করছেন।

রিনা রাণী পালের হাতে তৈরি মাটির হাঁড়িপাতিল, থালা ও অন্যান্য পাত্র স্থানীয় বাজারে এখনও চাহিদা আছে।

দুলাল পাল জানান, আমাদের গ্রামে একসময় ২০-৩০টি পরিবার এই পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিল। আমাদের তৈরি মাটির হাঁড়িপাতিল, পাত্র-পাতিল রান্না ঘর ও অন্যান্য কাজে ব্যবহৃত হতো। গ্রামের প্রতিটি ঘরে আমাদের তৈরি জিনিসপত্র দেখা যেত। সেই সময় প্রচুর চাহিদা ছিল। কিন্তু এখন প্লাস্টিক, সিরামিক ও অন্যান্য নতুন জিনিসপত্রের কারণে আমাদের তৈরি মাটির জিনিসপত্রের চাহিদা অনেক কমে গেছে। অনেকেই এই পেশা ছেড়ে শহর বা অন্য উপজেলায় চলে গেছেন।

গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, দুলাল পালের বাড়ির উঠোনে সারি সারি মাটির হাঁড়িপাতিল রোদে শুকতে রাখা হয়েছে। প্রতিটি পাত্রের ওপরেই ফুটে উঠেছে কারিগরদের নিপুণ হাতের ছাপ। দুলাল পাল আরও জানান, এখনও আমাদের গ্রামে আমি সহ স্বপন পাল, মতিন্ড পাল, দিলিপ পাল, রবি পাল এই ৫টি পরিবার কিছুটা এই পেশা ধরে রেখেছে। কিন্তু জানি না, ভবিষ্যতে কতোদিন এটি টিকে থাকবে। এই পেশা হারিয়ে গেলে শুধু আমাদের জীবিকা নয়, লস্করপুরের এক সময়ের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যও হারাবে।

মাটির তৈরি জিনিসপত্রের এই অবহেলা কেবল গ্রামীণ অর্থনীতিকে প্রভাবিত করছে না, বরং প্রজন্মের ধারাবাহিকতায় হারাচ্ছে শিল্প ও সংস্কৃতির এক অমূল্য অংশ।

এবিষয়ে কেন্দুয়া রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আসাদুল করিম মামুন বলেন, স্থানীয় প্রশাসন ও সমাজ যদি মাটির পণ্যকে সংরক্ষণে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করে, তবে এই পেশার সৃষ্টিশীলতা নতুন প্রজন্মের কাছে রক্ষা করা সম্ভব।

আধুনিক ও নান্দনিক রূপ পেল ডাকসু সংগ্রহশালা
  • ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আদানির বিদ্যুৎ নিয়ে সুখবর মিলল
  • ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঝালকাঠিতে কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
  • ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে যা‌চ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
  • ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বাগেরহাটে নিজ ঘরের আড়ায় ঝুলছিল ভ্যানচালকের মরদেহ
  • ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১৮ জোড়া ট্রেন বন্ধ, লাকসামে পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে কোটি কোটি ট…
  • ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
X
UPTO
100%
MERIT BASED
SCHOLARSHIP
ADMISSION OPEN FOR
FALL 2026
Application Deadline Wednesday, 16 Sept 2026
Apply Now

Admission Test Schedule

  • Test Date: Friday, 18 Sept 2026
  • Written Exam: 10:00 – 11:00 AM
  • Oral Viva: 11:30 AM onwards

Programs Offered

  • BBA
  • Economics
  • Agriculture
  • English
  • CSE
  • EEE
  • Civil
  • Mechanical
  • Tourism & Hospitality
01810030041-9