জুমাবার যে সময়ে দোয়া কবুল হয়

১৪ মার্চ ২০২৫, ০২:৪০ PM , আপডেট: ০৬ জুলাই ২০২৫, ১২:২৩ PM

© সংগৃহীত

ইসলামে জুমার দিনের গুরুত্ব অপরিসীম। মুসলমানরা এ দিনে মসজিদে গিয়ে একত্র হন। এ সময় তাদের মাঝে পরস্পর মতবিনিময় হয়। তাই এদিন মুসলমানদের জন্য বিশেষ সুযোগ। জুমার দিনে ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালার নৈকট্য অর্জন করতে পারেন তারা। এই দিনের শ্রেষ্ঠত্ব ও মাহাত্ম্য মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে অনেক।

কোরআন-হাদিসে শুক্রবার শ্রেষ্ঠত্ব হওয়ার কথা পাওয়া যায়, হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, সূর্য যেসব দিন উদিত হয় অর্থাৎ দিনগুলোর মধ্যে শ্রেষ্ঠতম দিন হল জুমার দিন। এ দিন আদম আলাইহিসসালামকে সৃষ্টি করা হয়েছে। এই দিন তাকে জান্নাতে প্রবেশ  করানো হয়েছে। এ দিনই তাকে জান্নাত থেকে বের করা হয়েছে। কিয়ামতও সংঘটিত হবে এ দিনেই। (সহিহ মুসলিম, হাদিস:৮৫৪-মুসনাদে আহমদ, হাদিস: ৯৪০৯)

এমনকি জুমার দিনের প্রতি মুহূর্তেরই আলাদা শ্রেষ্ঠত্ব রয়েছে। এদিনের আছরের পর কেউ যদি আল্লাহ তায়ালার কাছে দোয়া করে আল্লাহ তায়ালা তার দোয়া কবুল করে নেন। হাদিসে এসেছে, জুমার দিনে ১২টি সময় রয়েছে, এ সময় কেউ আল্লাহ তায়ালার কাছে কোনো কিছু কামনা করলে আল্লাহ তায়ালা তাকে সেটা দান করেন। সুতরাং আসরের পর তোমরা সে সময়টি তালাশ করো। (আবু দাউদ, হাদিস:১০৪৮)
 
এ ছাড়া জুমার দিনে আসরের নামাজের পর ৮০ বার  নিচের দোয়াটি পড়লে আল্লাহ তায়ালা তার জীবনের ৮০ বছরের গুনাহ মাফ করে দেন।
 
আরবি উচ্চারণ: اَللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ النَّبِيِّ الْأُمِّيِّ وَعَلَى آلِهِ وَسَلِّم تَسْلِيْمَا বাংলা উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিনিন নাবিয়্যিল উম্মিয়্যি ওয়া আলা আলিহি ওয়াসাল্লিম তাসলিমা।
 
এখান থেকে অনেকে আপত্তি  করে থাকেন যে, ৮০ বছর যাদের হয় নাই তাদের কী হবে,বর্তমানে ৮০ বছরের মানুষ পাওয়া-তো খুবই দুষ্কর ও দুর্লভ?
 
এ আপত্তির নিরসনে হাদিস বিশারদরা বলেন, ৮০ বছর না পেলেও আল্লাহ তায়ালা তার জীবনের অন্যান্য গুনাহ মাফ করে দেবেন। আর যদি কারও গুনাহই না থাকে তাহলে আল্লাহ তাআলা তার মর্যাদা বাড়িয়ে দেবেন। তারা এ-ও বলেন যে, এখানে গুনাহ দ্বারা ছগিরা তথা ছোট গুনাহ উদ্দেশ্য।

এক হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, রসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জুমার দিন সম্পর্কে আলোচনা করেন এবং বলেন, এ দিনে এমন একটি মুহূর্ত রয়েছে, যে কোনো মুসলিম বান্দা যদি এ সময় নামাজে দাঁড়িয়ে আল্লাহর নিকট কিছু প্রার্থনা করে, তবে তিনি তাকে অবশ্যই তা দিয়ে থাকেন এবং তিনি হাত দিয়ে ইঙ্গিত করে বুঝিয়ে দিলেন যে, সে মুহূর্তটি খুবই সংক্ষিপ্ত। (বোখারি শরিফ, হাদিস :৯৩৫)

এ হাদিসে কোন সময় উদ্দেশ্য-এ নিয়ে মুহাদ্দিসরা বিভিন্ন ব্যাখ্যা করে থাকেন। কেউ বলেন, খতিব সাহেব মিম্বরে বসার পর থেকে নামাজ শেষ হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত। কেউ বলেন, আসরের পর থেকে মাগরিবের পূর্ব পর্যন্ত। এ মতটিই অধিক সঠিকতার নিকটবর্তী। (ফতহুল বারি খণ্ড:২, পৃষ্ঠা :৪৮২-৪৮৩

কোনো আধিপত্যবাদ মানা হবে না: জামায়াত আমির
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বিজয়ী হলে ১০০ বছর বাংলাদেশ সুন্দরভাবে চলবে: …
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নুরের আসনে বিলুপ্ত দুই উপজেলায় বিএনপির নতুন কমিটি
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বরগুনার দুই আসনেই জয়ের আভাস বিএনপির
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শাবিপ্রবিতে স্নাতক প্রথম বর্ষের চূড়ান্ত ভর্তি শুরু
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
তাহেরীর অফিসে প্রশাসনের তালা
  • ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬