গ্রামীণ ব্যাংকের চতুর্থ শ্রেণির কর্মীদের ৫ দাবি, কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি

২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১২:৪৬ PM , আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৫, ০৩:০০ PM
আন্দোলনে গ্রামীণ ব্যাংক চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী পরিষদ

আন্দোলনে গ্রামীণ ব্যাংক চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী পরিষদ © সংগৃহীত

গ্রামীণ ব্যাংকে কর্মরত দৈনিক হাজিরা ভিত্তিক ‘পিয়ন কাম গার্ড’ হিসেবে কর্মরত সব কর্মীকে গ্রামীণ ব্যাংকের নিয়োগবিধি এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের বিধি অনুযায়ী স্থায়ীকরণ করাসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে গ্রামীণ ব্যাংক চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী পরিষদ। এ সময় আন্দোলনকারীরা প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘গ্রামীণ ব্যাংক চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী পরিষদের’ ব্যানারে আয়োজিত অবস্থান কর্মসূচিতে বেশ কয়েকটি দাবি জানান তারা।

আন্দোলনকারীদের দাবিগুলো হলো, অবিলম্বে গ্রামীণ ব্যাংকে কর্মরত দৈনিক ভিত্তিক পিয়ন কাম গার্ড হিসেবে কর্মরত সব কর্মীকে গ্রামীণ ব্যাংকের নিয়োগবিধি এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের বিধি অনুযায়ী স্থায়ীকরণ করতে হবে; দাবি আদায়ের আন্দোলনকে নস্যাৎ করতে যেসব কর্মীকে চাকরিতে যোগদানে বাধা দেওয়া হচ্ছে এবং ছাঁটাই করা হয়েছে, তাদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিয়ে চাকরিতে যোগদান এবং স্থায়ীকরণ করতে হবে; বাংলাদেশের শ্রম আইন অনুযায়ী বেতন-ভাতা, বোনাস, কর্মঘণ্টা, সাপ্তাহিক ছুটিসহ যাবতীয় সুবিধা দিতে হবে বা বাংলাদেশ ব্যাংক ও গ্রামীণ ব্যাংকের চাকরিবিধি অনুযায়ী প্রভিডেন্ট ফান্ড, পেনশন ও গ্র্যাচুইটিসহ সামাজিক নিরাপত্তার যাবতীয় সুবিধা দিতে হবে; এবং নিয়োগবিধি অনুযায়ী দৈনিক হাজিরা ভিত্তিক পিয়ন কাম গার্ড পদের কর্মীদের উল্লেখিত ৯ মাস কর্মরত থাকার পর হতে স্থায়ী কর্মী হিসেবে গণ্য করে বৈষম্যের অবসান ঘটিয়ে যথোপযুক্ত বকেয়া বেতন-ভাতা দিতে হবে।

অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, আমরা বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গ্রামীণ ব্যাংকে কর্মরত দৈনিক ভিত্তিক পিয়ন কাম-গার্ড হিসেবে তিন হাজারেরও বেশি কর্মী কর্মরত আছি। বাংলাদেশের শ্রম আইন অমান্য করে এবং গ্রামীণ ব্যাংক তার নিজের তৈরি আইন না মেনে আমাদের ৩২ বছর ধরে অধিকার থেকে বঞ্চিত করছে। নিয়োগবিধি অনুযায়ী ৯ মাস পর চাকরি স্থায়ীকরণ করার কথা বলা থাকলেও আমাদের ক্ষেত্রে এই বিধান মানা হচ্ছে না। আমরা গ্রামীণ ব্যাংকের কর্মকর্তা দ্বারা সর্বসময় হয়রানি, কারণ ছাড়াই ছাঁটাই, কাজে যোগদানে বাধা, বিনা বিশ্রামে কাজ করতে বাধ্য করাসহ নানা ধরনের অমানবিক আচরণের শিকার হচ্ছি।

তারা আরও বলেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ফলে দেশে আজ নতুন সরকার এসেছে। কিন্তু আমরা যারা গ্রামীণ ব্যাংকে চাকরি করি, তারা সেই আগের মতোই বৈষম্যের শিকার হয়ে আছি। আমাদের দাবি মেনে নেওয়ার জন্য গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠাতা প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ ইউনূসের কাছে আবেদন জানাচ্ছি।

গ্রামীণ ব্যাংক চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী পরিষদের সভাপতি মো. আলাউদ্দিন আল মামুন বলেন, আমাদের দাবি যৌক্তিক। আমাদের দাবি মেনে না নেওয়া হলে আমরা আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হব।

অবস্থান কর্মসূচিতে এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহসভাপতি জসীম উদ্দিন, প্রচার সম্পাদক তরিকুল ইসলাম তারেক, মো. আশিকুল ইসলাম, আনোয়ার মনসুর ভুইঁয়া, আপেল মন্ডল প্রমুখ।

ট্যাগ: আন্দোলন
সরকারের সমালোচনা করায় ডিবি পরিচয়ে এক্টিভিস্ট আটক, মৌন সমাবে…
  • ১৮ এপ্রিল ২০২৬
ময়মনসিংহ মেডিকেলে ছাত্রদলের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, গুরুতর আহত ২
  • ১৮ এপ্রিল ২০২৬
মেস কেয়ারটেকারকে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে মারধর, মোম গলিয়ে পোড়ানো হ…
  • ১৭ এপ্রিল ২০২৬
এক জেলায় পৃথক ঘটনায় দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু, নিখোঁজ এক
  • ১৭ এপ্রিল ২০২৬
তিতুমীর কলেজে বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর আহ্বায়ক কমিটি গঠন
  • ১৭ এপ্রিল ২০২৬
উপকূলে লবণাক্ততা বৃদ্ধি ও মাটি-পানির দূষণ টেকসই উন্নয়নের ক্…
  • ১৭ এপ্রিল ২০২৬