প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের সপ্তাহে পাঁচ দিন যেসব খাবার দেওয়ার প্রস্তাব
- টিডিসি রিপোর্ট
- প্রকাশ: ২২ জানুয়ারি ২০২৫, ০১:১১ PM , আপডেট: ২২ জানুয়ারি ২০২৫, ০২:০২ PM

শিক্ষার্থীদের ‘মিড ডে মিল’ (দুপুরের খাবার) চালুর উদ্যোগের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার।
তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে একটি প্রকল্প প্রস্তাব পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে। তারা কিছু পর্যবেক্ষণ দিয়েছে। সে অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এটি বাস্তবায়িত হলে শিক্ষার্থীরা সপ্তাহে পাঁচ দিন রুটি, ডিম, দুধ, কলা অথবা মৌসুমি ফল পাবে।’
প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে ৯ সদস্যের পরামর্শক কমিটি গঠন এবং শিক্ষক নিয়োগের বিষয়সহ নানা পদক্ষেপ নিয়ে একটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানান তিনি।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, ‘অনেক ক্ষেত্রে বিদ্যালয়গুলো যেভাবে চলা দরকার, সে অনুযায়ী চলছে না। এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ কমিটির প্রতিবেদনের আলোকে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সার্বিকভাবে প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন আমাদের অন্যতম অগ্রাধিকার।’
এ সময় বেতন গ্রেড পরিবর্তন, যথাসময়ে পদোন্নতিসহ শিক্ষকদের অধিকাংশ দাবির সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকার নীতিগতভাবে একমত বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, ‘শিক্ষকদের অনেক দাবির সঙ্গে আমি নীতিগতভাবে একমত পোষণ করি। নীতিগতভাবে একমত পোষণ করা আর বাস্তবায়ন করার মধ্যে ফারাক রয়ে গেছে। এটি দূর করার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, শিক্ষকদের বেতন গ্রেড পরিবর্তনের দাবি। এটা অত্যন্ত যৌক্তিক দাবি।’
শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘এখন ১৭ হাজারের বেশি সহকারী শিক্ষক এবং ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। শারীরিক শিক্ষা ও সংগীত বিষয়ে নতুন পদ সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষকের বাইরেও বিভিন্ন প্রশাসনিক পদে শূন্যতা রয়েছে। এসব পদ পূরণে শিগগির বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হবে।’
সহকারী প্রধান শিক্ষক পদ কবে নাগাদ সৃষ্টি হবে, এ প্রশ্নে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, ‘সহকারী প্রধান শিক্ষক পদ সৃষ্টির বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। এটি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন শেষে অর্থ মন্ত্রণালয়ে আছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেলে এ পদে সহকারী শিক্ষকদের শতভাগ পদোন্নতি দেওয়া হবে। এতে সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতির নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে।’
সহকারী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি দিতে উদ্যোগের কথা জানিয়ে বিধান রঞ্জন রায় বলেন, ‘মামলা জটিলতার কারণে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। সরকার চেষ্টা করছে দ্রুততম সময়ে মামলা নিষ্পত্তি করতে। অনেক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক না থাকায় শিক্ষাদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।’