বিক্ষোভে শিক্ষার্থীদের ওপর গুলি না চালানোর নির্দেশনা চেয়ে রিট © সংগৃহীত
সারাদেশের শিক্ষার্থীরা সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার চেয়ে সম্প্রতি আন্দোলনে নামে। দেশজুড়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের ফলে সংঘাত-সহিংসতা ছড়িয়ে পড়লে তাদেরকে দমন করতে পুলিশ বিভিন্ন সময় গুলি করেছে। কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সহিংসতার ঘটনার মামলায় গ্রেপ্তার করা হচ্ছে শিক্ষার্থীদেরও। আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর গুলি না করার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়েছে। এ নিয়ে আজ দুপুরে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।
সোমবার (২৯ জুলাই) সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এটি দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবী আইনুন্নাহার সিদ্দিকা ও মনজুর আল মতিন। বিচারপতি খুরশিদ আলম সরকার ও বিচারপতি মো. মনিরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এই রিট আবেদনের ওপর শুনানি হতে পারে। হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ না শুনলেও আরেকটি বেঞ্চে শুনবেন এ আবেদন।
এদিকে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে উল্লেখ করে সারা দেশে আজ সোমবার ছাত্র-জনতার বিক্ষোভ কর্মসূচি ও প্রতিবাদ সমাবেশ ঘোষণা করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। গতকাল রোববার রাত পৌনে ১২টার দিকে আন্দোলনের সমন্বয়ক আব্দুল কাদেরের পক্ষ থেকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিটি দেয়া হয়। গণমাধ্যমকর্মীদের এটি দেন আরেক সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ।
আরও পড়ুন: কোটা আন্দোলনে সহিসংতা: ১২ দিনে ২৫৩ শিক্ষার্থী গ্রেপ্তারের তথ্য
এতে বলা হয়, ‘সরকারের নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে ও ছাত্রলীগের আক্রমণে নিহত শত শত শহিদের আত্মত্যাগ তিরস্কার করে ডিবি কার্যালয়ে বন্দুকের নলের মুখে জিম্মি করে সমন্বয়কদের মাধ্যমে জোরপূর্বক স্ক্রিপ্টেড বিবৃতি আদায়ের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। আমাদের দাবি আদায়ে আমরা অবিচল ছিলাম, রয়েছি এবং থাকব।’