চালের বস্তায় জাত ও মূল্য লেখা বাধ্যতামূলক, আজ থেকে কার্যকর

১৪ এপ্রিল ২০২৪, ০৯:৩২ AM , আপডেট: ০৬ আগস্ট ২০২৫, ১২:১৯ PM
চালের বস্তায় জাত ও মূল্য লেখা বাধ্যতামূলক

চালের বস্তায় জাত ও মূল্য লেখা বাধ্যতামূলক © ফাইল ছবি

চালের দাম যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে রোববার (১৪ এপ্রিল) থেকে বস্তার ওপর বিভিন্ন তথ্য লেখা বাধ্যতামূলক করেছে সরকার। শনিবার (১৩ এপ্রিল) খাদ্য মন্ত্রণালয়ে থেকে সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় সেই পরিপত্রের কথা মনে করিয়ে দেয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সম্প্রতি দেশের চাল উৎপাদনকারী কয়েকটি জেলায় পরিদর্শন করে নিশ্চিত হওয়া গেছে বাজারে একই জাতের ধান থেকে উৎপাদিত চাল ভিন্ন ভিন্ন নামে ও দামে বিক্রি হচ্ছে। চালের দাম অযৌক্তিক পর্যায়ে গেলে বা হঠাৎ বৃদ্ধি পেলে মিলার, পাইকারি বিক্রেতা, খুচরা বিক্রেতা একে অপরকে দোষারোপ করছেন। এতে ভোক্তারা ন্যায্যমূল্যে পছন্দমত জাতের ধানের চাল কিনতে অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন এবং অনেক ক্ষেত্রে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এ অবস্থার উত্তরণের লক্ষ্যে চালের বাজার মূল্য সহনশীল ও যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে ধানের নামেই যাতে চাল বাজারজাতকরণ করা হয় তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এবং এ সংক্রান্ত কার্যক্রম মনিটরিংয়ের সুবিধার্থে নির্দেশনায় কয়েকটি বিষয় নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে।

এর মধ্যে রয়েছে- চালের উৎপাদনকারী মিলমালিকদের গুদাম থেকে বাণিজ্যিক কাজে চাল সরবরাহের প্রাক্কালে চালের বস্তার ওপর উৎপাদনকারী মিলের নাম, জেলা ও উপজেলার নাম, উৎপাদনের তারিখ, মিল গেট মূল্য এবং ধান বা চালের জাত উল্লেখ করতে হবে। বস্তার ওপর এসব তথ্য কালি দিয়ে লিখতে হবে। যা আগামী পহেলা বৈশাখ থেকে কার্যকর হবে।

চাল উৎপাদনকারী মিল মালিকের সরবরাহ করা সবধরনের চালের বস্তা ও প্যাকেটে ওজন উল্লেখ থাকতে হবে উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, করপোরেট প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও একই নির্দেশনা প্রতিপালন করতে হবে। এক্ষেত্রে মিলগেট দামের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠান চাইলে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য উল্লেখ করতে পারবে। এর ব্যত্যয় ঘটলে খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন, মজুত, স্থানান্তর, পরিবহন, সরবরাহ, বিতরণ, বিপণন (ক্ষতিকর কার্যক্রম প্রতিরোধ) আইন, ২০২৩-এর ধারা ৬ ও ধারা ৭ মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আইনটির ধারা-৬-এর অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার সুযোগ রয়েছে। আর ধারা-৭-এর শাস্তি হিসেবে রয়েছে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড অথবা ১৫ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান।

এর আগে গত ২১ ফেব্রুয়ারি খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করা হয়। চালের বস্তার গায়ে ধানের জাত, মিলের ঠিকানা ও দাম লেখা বাধ্যতামূলক ঘোষণা করে মাস দুয়েক আগে যে পরিপত্র জারি করা হয়েছিল তা কার্যকর হচ্ছে আজ পহেলা বৈশাখ থেকে। এর ব্যত্যয় ঘটলে রয়েছে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা। 

 
সাংবাদিককে পাহাড়ে নিয়ে পেটানোর হুমকি দেওয়া নেতাকে ছাত্রদলের…
  • ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
নেত্রকোনায় মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে শিক্ষার্থীকে অপহরণের অভিযোগ
  • ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
টাঙ্গাইলে জামায়াত প্রচারণায় বিএনপি কর্মীদের হামলা
  • ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
টাঙ্গাইলে জামায়াত প্রচারণায় বিএনপি কর্মীদের হামলা, ১১ দলের …
  • ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
 নলকূপের গর্ত থেকে আড়াই ঘণ্টা পর উদ্ধার হওয়া শিশুটি মারা গে…
  • ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
নির্বাচনের পর একটি সুশিক্ষিত সরকার গঠিত হবে: মেজর হাফিজ
  • ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
diuimage