প্রতীকী ছবি © সংগৃহীত
নাটোরে তরমুজ কেজি হিসেবে বিক্রি নয়, পিস হিসেবে বিক্রির নির্দেশ দিয়েছেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। রবিবার (১৭ মার্চ) থেকে কোনো ব্যবসায়ী কেজি হিসেবে তরমুজ বিক্রি করতে পারবেন না। কেজি হিসেবে তরমুজ বিক্রি করলে তার বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এর আগে, গতকাল শনিবার দুপুরে বাজার তদারকি অভিযান কালে এই নির্দেশনা দেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মেহেদী হাসান তানভীর।
তিনি বলেন, গতবছর জেলা প্রশাসন অভিযান চালিয়ে সকল মৌসুমি ফল ব্যবসায়ীকে কেজি হিসেবে তরমুজ বিক্রি না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এবারও ব্যবসায়ীরা জমি থেকে পিস হিসেবে তরমুজ কিনে এনে বাজারে তা কেজি হিসেবে বিক্রি করছেন। ব্যবসায়ীরা ইচ্ছামতো দাম নির্ধারণ করছেন।
বাজার তদারকি অভিযানে শহরের নিচা বাজারের দুইটি ফলের দোকানে মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করায় ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া বিভিন্ন বিপণী বিতানে ঘুরে ঘুরে পণ্যের সঠিক মূল্য প্রদর্শন এবং ন্যায্য মূল্যে পণ্য বিক্রির পরামর্শ দেওয়া হয়।
নতুন নির্দেশনার ফলে আজ রোববার সকাল থেকে নাটোরে আকৃতিভেদে পিস হিসেবে তরমুজ বিক্রি শুরু হয়েছে। প্রতিটি তরমুজ ২০০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা যাচ্ছে। এক মাস ধরে সেখানে প্রতি কেজি তরমুজ ৬০ থেকে ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছিল।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের নাটোর কার্যালয়ের দায়িত্বে থাকা সহকারী পরিচালক মেহেদী হাসান বলেন, কৃষক পর্যায়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে যে তারা আকৃতিভেদে প্রতিটি হিসেবে পাইকারদের কাছে তরমুজ বিক্রি করেন। অথচ পাইকার ও খুচরা বিক্রেতারা ভোক্তাদের কাছে কেজি দরে বিক্রি করছিলেন।
তিনি বলেন, এতে বিক্রেতারা ইচ্ছেমতো দাম নির্ধারণ করছিল। এখন আকৃতিভেদে বিক্রি করলে দাম যাচাই করা যাবে। কেউ বেশি দামে বিক্রি করলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।