দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় পয়ঃনিষ্কাশন কেন্দ্র এখন বাংলাদেশে

১৩ জুলাই ২০২৩, ০৩:৪৬ PM , আপডেট: ১৯ আগস্ট ২০২৫, ১১:১৫ AM
দাশেরকান্দি পয়ঃনিষ্কাশন কেন্দ্র

দাশেরকান্দি পয়ঃনিষ্কাশন কেন্দ্র © ফাইল ছবি

দেশে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করলো দক্ষিণ এশিয়ার একক বৃহত্তম পয়ঃনিষ্কাশন কেন্দ্রটি। দাশেরকান্দি প্লান্টের দৈনিক ৫০ লাখ টন পয়ঃনিষ্কাশন শোধনের ক্ষমতা রয়েছে, যা রাজধানীর মোট পয়ঃনিষ্কাশনের ২০ থেকে ২৫ শতাংশ।

রাজধানীর আশপাশের নদীগুলোকে দূষণের হাত থেকে রক্ষা করতে এই প্ল্যান্ট মুখ্য ভূমিকা পালন করবে বলে জানানো হয়েছে প্ল্যান্টের তদারক সংস্থা ঢাকা ওয়াসার পক্ষ থেকে।

চীনের অর্থায়নে ৩,৪৮২.৪২ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রায় ৬২.২ একর জমিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়। ব্যয়ের মধ্যে ১,১০৬.৪২ কোটি টাকা সরকারি তহবিল থেকে, ১০ কোটি টাকা ওয়াসা তহবিল থেকে এবং অবশিষ্ট ২,৩৬৬ কোটি টাকা চীনের এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যাংক থেকে প্রকল্প সহায়তা হিসেবে এসেছে।

২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকার শতভাগ পয়ঃনিষ্কাশন শোধনের জন্য পাগলা, উত্তরা, রায়েরবাজার এবং মিরপুর এলাকায় আরও চারটি পয়ঃনিষ্কাশন শোধনাগার নির্মাণের লক্ষে সরকারের একটি মহাপরিকল্পনা রয়েছে। এই বর্জ্যরে ৯০ শতাংশ পাইপলাইন কভারেজের মাধ্যমে এবং অবশিষ্ট ১০ শতাংশ বাসাবাড়িগুলো থেকে সংগ্রহ করা হবে।

২০৩০ সালের মধ্যে সারাদেশে উন্নত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার মাধ্যমে প্ল্যান্টটি এসডিজি লক্ষ্য-৬ বাস্তবায়নে সহায়তা করে।

দাশেরকান্দি ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট খিলগাঁও থানার অন্তর্গত, আফতাবনগর সংলগ্ন এবং গুলশান (একাংশ), বনানী, তেজগাঁও, নিকেতন, মগবাজার, মালিবাগ, আফতাবনগর, বাড্ডা, কলাবাগান, পান্থপথ, ধানমন্ডি (একাংশ) ও হাতিরঝিলসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার পয়ঃনিষ্কাশনের ব্যবস্থা করবে।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মুহাম্মদ ইব্রাহিম ও বাংলাদেশে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এবং ঢাকা পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন কর্তৃপক্ষের (ওয়াসা) ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাকসিম এ খান অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

প্রকল্পটিতে প্রতিদিন প্রায় ৫০০ টন প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতাসহ স্লাজ শুকানো ও পোড়ানোর ব্যবস্থা রয়েছে। ২০১৭ সালের ১ আগস্ট এই প্লান্টের নির্মাণ কাজ শুরু হয়।

পাওয়ার চায়নার অধীনে চেংডু ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশন প্রকল্পের ডিজাইন ও নির্মাণ শেষে প্রকল্পটি এক বছরের কার্যক্রম ও রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমে ওয়াসার কাছে হস্তান্তর করা হয়।

ঢাকার চারপাশে নদী দূষণ রোধে পাঁচটি শোধনাগার নির্মাণের জন্য ২০১৩ সালে ওয়াসা কর্তৃক গৃহীত মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে দাশেরকান্দি স্যুয়ারেজ ট্রিটম্যান্ট প্ল্যান্টটি নির্মিত হয়েছে।

প্রকল্প অনুযায়ী, প্রগতি সরণিতে রামপুরা সেতুর পশ্চিম পাশে একটি বর্জ্য উত্তোলন স্টেশন, রামপুরা থেকে আফতাবনগর পর্যন্ত পাঁচ কিলোমিটার ট্রাঙ্ক স্যুয়ারেজ লাইন এবং দাশেরকান্দিতে মূল শোধনাগার নির্মিত হয়েছে।

শিক্ষকদের বৈশাখী ভাতা কবে, জানাল মাউশি
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬
অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে প্রথম নারী সেনাপ্রধান সুসান কয়েল
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬
হরমুজ প্রণালি অবরোধের সময় জানালেন ট্রাম্প
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬
বৈশাখী ভাতা নিয়ে সুখবর পাচ্ছেন এমপিওভুক্ত মাদ্রাসার শিক্ষকরা
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬
ঢাবি ক্যাম্পাসে রাত থেকে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা, পহেলা বৈশাখে এ…
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬
স্তন্যপায়ী হয়েও ডিম পাড়ে, ঘামের মতো ঝরে দুধ—রহস্যে ভরা এই প…
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬