ইন্টারনেটে আসক্ত ৯১ শতাংশ শিক্ষার্থী

১০ জুন ২০২৩, ০৪:৫০ PM , আপডেট: ২০ আগস্ট ২০২৫, ১০:০২ AM
শিক্ষার্থীদের হাতে মুঠোফোনে

শিক্ষার্থীদের হাতে মুঠোফোনে © ফাইল ফটো

দেশের ৯১ শতাংশ শিক্ষার্থী ইন্টারনেট ব্যবহারের প্রতি আসক্তি অনুভব করেন। এর মধ্যে ‘খুব বেশি আসক্ত’ ২২.৪ শতাংশ, ‘মোটামুটি আসক্ত’ ৪৭.৭ শতাংশ এবং ‘অল্প আসক্ত’ ২০.৯ শতাংশ। লেখাপড়ায় এই আসক্তি কতটুকু প্রভাব ফেলে তা নিয়ে ৮০.১ শতাংশ শিক্ষার্থী জানান, লেখাপড়ার সময় প্রচণ্ড আসক্তি তৈরি হয়। ইন্টারনেট ব্যবহারের প্রতি অতিরিক্ত আসক্তি তাদেরকে লেখাপড়ার মনোযোগ থেকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে।

সম্প্রতি ‘শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর ইন্টারনেট ব্যবহারের প্রভাব: কতটুকু সতর্ক হওয়া জরুরি’ শীর্ষক এক সমীক্ষা থেকে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। সমীক্ষাটি পরিচালনা করেছে আঁচল ফাউন্ডেশন।

শনিবার (১০ জুন) সকালে অনলাইনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জরিপের ফলাফল প্রকাশ করা হয়। 

আঁচল ফাউন্ডেশনের সমীক্ষায় মোট ১ হাজার ৭৭৩ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। তাদের মধ্যে ৪৯.৫ শতাংশ নারী, ৪৯.৭ শতাংশ পুরুষ এবং ০.৮ শতাংশ তৃতীয় লিঙ্গের সদস্য। এরমধ্যে ১৬ থেকে ১৯ বছরের শিক্ষার্থী ১৩.২ শতাংশ, ২০ থেকে ২৫ বছরের শিক্ষার্থী ৭৬.৩ শতাংশ এবং ২৬ থেকে ৩০ বছরের শিক্ষার্থী রয়েছেন ১০.৫ শতাংশ। 

জরিপে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১৮.৬ শতাংশ কলেজ পড়ুয়া, ৬৪.৩ শতাংশ স্নাতক পর্যায়ের, ৮.৪ শতাংশ স্নাতকোত্তর পর্যায়ের এবং ৮.৭ শতাংশ চাকরি প্রত্যাশী।

জরিপে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৩৪.৩ শতাংশ জানান যে, ইন্টারনেটে সময় ব্যয় তাদের স্বাভাবিক জীবনে ‘প্রচণ্ড নেতিবাচক’ প্রভাব ফেলছে। ৫৭.২ শতাংশের স্বাভাবিক জীবনে ‘কিছুটা নেতিবাচক’ প্রভাব ফেলছে বলে জানা যায়। নেতিবাচক প্রভাব বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৫৯.৬ শতাংশ মনে করেন ইন্টারনেটে সময় ব্যয় তাদের পড়াশোনায় মনোযোগের বিঘ্নতার জন্য দায়ী। ১৭.৮ শতাংশ ইন্টারনেটে পর্নো দেখা, সাইবার ক্রাইম, বাজি ধরা, বুলিং করা প্রভৃতি অপ্রীতিকর কাজের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে পড়েছেন। ২৩ শতাংশ ধীরে ধীরে অন্তর্মুখী হয়ে পড়েছেন, ৩৫.৬  শতাংশ ডিপ্রেশনসহ বিভিন্ন ধরণের মানসিক চাপ অনুভব করেছেন এবং ২০.৩ শতাংশ সামাজিকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছেন বলে সমীক্ষার ফলাফল থেকে জানা যায়।

জরিপে অংশ নেওয়া ১ হাজার ৭৭৩ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৭২.২ শতাংশ জানিয়েছেন তারা জীবনে কখনো না কখনো মানসিক সমস্যার মুখোমুখি হয়েছেন। এর মাঝে ৮৫.৯ শতাংশ শিক্ষার্থী জানান, তাদের মানসিক সমস্যার পেছনে ইন্টারনেটের ভূমিকা রয়েছে। আর ইন্টারনেটকে ‘পুরোপুরি দায়ী’ মনে করেন ২৬.১ শতাংশ এবং ‘মোটামুটি দায়ী’ ভাবেন ৫৯.৮ শতাংশ শিক্ষার্থী। তবে ইন্টারনেটকে মাত্র ৮.৩ শতাংশ শিক্ষার্থী দায়ী করনেনি। এত বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীদের মানসিক সমস্যার পেছনে ইন্টারনেটের দায় আমাদেরকে ভাবিয়ে তুলে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের অধ্যাপক কামাল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের প্রোগ্রামার বিপ্লব চন্দ্র সরকার, টাঙ্গাইলের ডেপুটি সিভিল সার্জন ড. মারুফ আহমেদ খান এবং আঁচল ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট তানসেন রোজ। মে মাসে পরিচালিত প্রাপ্ত জরিপের ফলাফল উপস্থাপন করেন গবেষক ফারজানা আক্তার লাবনী।

পে-স্কেলের দাবিতে এবার আন্দোলনে নামছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা
  • ১১ জানুয়ারি ২০২৬
আন্তর্জাতিক শ্রম অভিবাসনের গতি-প্রকৃতি, অর্জন ও চ্যালেঞ্জ ব…
  • ১১ জানুয়ারি ২০২৬
মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠীর অন্তত ৫৩ সদস্য আটক
  • ১১ জানুয়ারি ২০২৬
ইসলামী ব্যাংকের ‘এমক্যাশ’ রিব্র্যান্ডিং কার্যক্রম উদ্বোধন
  • ১১ জানুয়ারি ২০২৬
পুনর্মিলনীর নামে বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণা, বন্ধ ক্লাস— যো…
  • ১১ জানুয়ারি ২০২৬
ইন্টার্ন নিয়োগ দেবে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, আবেদন অভিজ্ঞত…
  • ১১ জানুয়ারি ২০২৬
X
UPTO
100%
MERIT BASED
SCHOLARSHIP
ADMISSION OPEN FOR
SPRING 2026
Application Deadline Wednesday, 21 January, 2026
Apply Now

Programs Offered

  • BBA
  • Economics
  • Agriculture
  • English
  • CSE
  • EEE
  • Civil
  • Mechanical
  • Tourism & Hospitality
01810030041-9