গাজী নজরুল কাণ্ড: তবুও জামায়াতকে যে কারণে ধন্যবাদ

২৯ জুলাই ২০২৬, ০৫:০৬ PM
প্রাক্তন সাংবাদিক, তরুণ কবি ও কলামিস্ট মিনহাজুল ইসলাম

প্রাক্তন সাংবাদিক, তরুণ কবি ও কলামিস্ট মিনহাজুল ইসলাম © টিডিসি ফটো

জামায়াত ইসলামীর মত ক্যাডার ভিত্তিক সুশৃঙ্খল ও ইসলামপন্থি দলের একজন জ্যেষ্ঠ নেতা ও সংসদ সদস্যের নারী কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে যাওয়া নিঃসন্দেহে সারাদেশে আলোড়ন সৃষ্টিকারী একটি বিতর্কিত কাজ। প্রথমদিকে জামায়াত সংশ্লিষ্ট অনেক ফেসবুক আইডি ও পেইজ থেকে অন্তরঙ্গ ভিডিওটিকে এআই জেনারেটেড বলে প্রচার করা হয়।

যখন তথ্য যাচাইকারী কয়েকটি সংস্থা এটিকে অর্গানিক ভিডিও বলে নিশ্চিত করে এরপর দ্বিতীয় বিয়ের নাটক সাজান বিতর্কিত সেই এমপি। পরে কাবিননামা জালিয়াতির ঘটনা আমার দেশসহ কয়েকটি গণমাধ্যমে উঠে আসলে অবশেষে জামায়াতের দলীয় নীতি মোতাবেক তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। 

শুধু বহিষ্কারই নয়, তার সংসদ সদস্যপদ বাতিলের জন্য নির্বাচন কমিশন ও সংসদের স্পিকার বরাবর আবেদনও করে জামায়াত। এমন আবেদন আসলেই বিরল। একজন তিনবারের মুক্তিযোদ্ধা এমপিকে বহিষ্কার এবং দলীয় ভাণ্ডার থেকে একটি আসন কমে যাবে জেনেও অভিযুক্ত এমপির পদ বিলুপ্তির আবেদন জানানোর মতো ঘটনা অতীতে বাংলাদেশে ঘটতে দেখা যায়নি। যদিও এই এমপির চেয়ে আরও মারাত্মক ধরনের নারী কেলেঙ্কারির ভিডিও ফাঁস হওয়ার পরও ফ্যাসিবাদী আমলে, এমনকি বর্তমানেও এমপিগিরি করে যাচ্ছেন কেউ কেউ। 

একটু নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে, অতীতে মধ্যপন্থি এমনকি ইসলামপন্থি অনেক দলের নেতাদের নারী কেলেঙ্কারির ভিডিও ফাঁস, গোপন প্রেমঘটিত বিয়ে জনসমক্ষে বিতর্কের জন্ম দেওয়ার মাধ্যমে প্রকাশ হওয়ার পরও বহাল তবিয়তেই দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং দিয়ে যাচ্ছেন তারা। জামায়াত চাইলে ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করে দেখতে পারতো। কিংবা মুক্তিযোদ্ধা বিবেচনায় গাজী নজরুল ইসলামকে ছোটখাটো শাস্তি দিতে পারতো। তা না করে চলমান সংসদের একজন এমপিকে সরাসরি বহিষ্কার করে চরম দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করেছে। 

অতীতে অন্যান্য দলের যে সকল এমপি বা শীর্ষ নেতাদের ধর্ষণ বা নারী কেলেঙ্কারির ভিডিও ফাঁস হয়েছে তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন ময়মনসিংহ-৩ আসনের আওয়ামীলীগের সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজিম উদ্দিন। তার সরাসরি অবৈধ শারীরিক মিলনের ভিডিও ফাঁস হয় এমপি হিসেবে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায়। তখন দু’একটি গণমাধ্যম ছাড়া কেউই বিষয়টাকে গুরুত্ব দিয়ে সেভাবে সংবাদ পরিবেশন করেনি। তৎকালীন দখলদার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও অভিযুক্ত এমপির বিরুদ্ধে দলীয় কোনো শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেননি।

এছাড়াও সিলেট-৬ আসনে জলজ্যান্ত একটি উদাহরণ চোখের সামনেই রয়েছে। গেল নির্বাচনের আগে আসনটির এমপি ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমরান আহমেদ চৌধুরীর অন্তরঙ্গ ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। তবুও বিএনপি তার বিরুদ্ধে কোনো সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়নি। তার আরও কী কী নারী কেলেঙ্কারি আছে বা অবৈধ শারীরিক সম্পর্কের মত ঘটনা আছে কিনা সেগুলো খতিয়ে দেখতে কোনো সাংগঠনিক তদন্ত কমিটি করেছে বলেও জানা নেই। 

অথচ জামায়াত এই এমপির ইস্যুতে বিএনপির নেতাকর্মীরাই সবচেয়ে বেশি জাল ঘোলা করে সামাজিক মাধ্যমে চিল্লাপাল্লা করেছেন। এছাড়াও তৃণমূল পর্যায়ে বিএনপির আরও অনেক নেতার বিভিন্ন অন্তরঙ্গ ছবি কিংবা ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ঘুরপাক খেতে দেখা গেছে বিভিন্ন সময়ে। 

এদিকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে ২০২৫ সালের জুনে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার তুষার ও দলটির বহিষ্কৃত নেত্রী নীলা ইসরাফিলের নানান চ্যাটিং ও বিভিন্ন অডিও রেকর্ডিং নিয়ে তুমুল শোরগোল সৃষ্টি হয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সরোয়ার তুষারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ ও জবাব পাওয়া পর্যন্ত দলীয় কার্যক্রম পালনে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়। তবে দুইমাস পরই নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করে দলে ফিরিয়ে নেয় এনসিপি। 

অবশ্য এনসিপি যে ধর্মীয় রাজনীতি করে তা নয়। তবুও নারীকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার অপরাধে দলীয় নেতাকে একটা শাস্তি দিয়েছে, যদিও নেত্রীকে কুপ্রস্তাবের জন্য এতটা মৃদু শাস্তি আসলে যথেষ্ট নয়। তবুও বলতে হয়, এনসিপি কিছু একটা শাস্তি দিয়েছে। কিন্তু বিএনপি তাদের এমপিদের নগ্ন ভিডিও ফাঁস হওয়ার পরও তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নিয়ে কেবল জামায়াতকে গালমন্দ করেই নিজেদের দায়িত্ব শেষ করেছে।

এবার যদি ধর্মীয় অঙ্গন নিয়ে আসি তাহলে প্রথমেই চলে আসবে খেলাফত মজলিসের আমির ও হেফাজত নেতা শাইখুল হাদিস মাওলানা মামুনুল হকের কথা। যখন দেশে মোদীবিরোধী আন্দোলনের দাবানল জ্বলছে, শহিদের স্বজনদের আহাজারিতে বাংলার আকাশ বাতাস ভারী, ঠিক তখন মাওলানা মামুনুল হকের মত শীর্ষ আলেম এবং মোদীবিরোধী আন্দোলনের নেতার সাথে এমন কিছু শোভা পায় না যে, তিনি তার এমন দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে রিসোর্টে যাবেন, যে স্ত্রীর কথা তার পরিবার, সংগঠন, এমনকি দেশবাসী জানে না। 

এখানে কথা হল দ্বিতীয় বিয়ে অনেক সাহাবীও করেছেন বটে। কিন্তু এমন কোনো নজির পাওয়া যাবে না যে, কোনো সাহাবী প্রথম স্ত্রী বা পরিবার-সমাজকে না জানিয়ে গোপন পন্থায় কোথাও কাউকে বিয়ে করে সেটা গুপ্ত রেখেছেন। সাহাবীরা দ্বিতীয় বিবাহ করলেও সে স্ত্রীকে সংসারে তুলেছেন,  দিয়েছেন মর্যাদা। যাতে করে ওই সাহাবীর মৃত্যুর পর দ্বিতীয় স্ত্রীও সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হতে পারে। 

কিন্তু  বিজ্ঞ আলেম মাওলানা মামুনুল হক যে বিবাহ করেছিলেন, সেটা তাঁর সংগঠন, সমাজ এমনকি পরিবার তখন জানতো না বলেই গণমাধ্যম ও তার নিজ বিবরণে বোঝা যায়। আমরা বিশ্বাস করতে চাইনা যে মামুনুল হকের মতো আলেমে দ্বীন অনৈতিক সম্পর্কে লিপ্ত হয়েছেন। তবে কাবিননামাহীন এই গোপন বিয়ের মাধ্যমে যে নারীর সাথে তিনি সম্পর্কে ছিলেন, মামুনুল হক হঠাৎ ইন্তেকাল করলে সেই নারী কি স্বামীর উত্তরাধিকারী হতে পারতেন? এখানেই সাহাবীদের দ্বিতীয় বিয়ে আর বাংলাদেশের  অনেক ধর্মীয় নেতাদের গোপন দ্বিতীয় বিয়ের পার্থক্য। 

তাছাড়া কথা হলো একজন আলেমে দ্বীন বা আদর্শ রাজনৈতিক নেতা এমন কোন কাজ করতে পারেন না, যার দ্বারা তাঁর সংগঠনের বৃহৎ ক্ষতিসাধন হয়। যেভাবেই হোক মাওলানা মামুনুল হকের কাজটি শরিয়ত কিংবা বিবেক বুদ্ধি কোনোটির বিচারেই শতভাগ উপযুক্ত হয়নি। কিন্তু তাকে সংশোধনের উদ্দেশ্য হলেও তার সংগঠন খেলাফত মজলিস বা হেফাজতে ইসলাম কেউ কি কোনো শাস্তিমূলক বা সংস্কারমূলক ব্যবস্থা আদৌ নিয়েছিল? 

এবার আসতে চাই ক্ষমতাসীন দল বিএনপির জোটসঙ্গী হয়ে নির্বাচন করা ধর্মীয় ধারার সংগঠন জমিয়তে উলামা ইসলামের প্রসঙ্গে। ২০২৫ সালের মে মাসে সংগঠনটির সহকারী মহাসচিব হাফেজ মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ তালহার গোপন-প্রকাশ্য একাধিক স্ত্রীর বিষয়টি গণমাধ্যমে উঠে আসে। এ সময় তার সহধর্মিণী, এক সময়ের আলোচিত মডেল ও পরবর্তীতে ধর্মীয় দীক্ষায় দীক্ষিত হওয়া নাজনীন আক্তার হ্যাপী স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। 

তখন গণমাধ্যমে মুফতি তালহার বিভিন্ন স্ত্রীর তথ্য ও ছবি উঠে আসে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সে বছরের ১৪ মে তাকে সাংগঠনিক পদ থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেয়া হয়। তবে তার তিনমাস পার হতেই ২৩ আগস্টে অব্যাহতির আদেশ প্রত্যাহার করে দলে ফিরিয়ে নেয়া হয়। তার আরও বেশকিছু পরে নাজনীন আক্তার হ্যাপীর সাথে ঝামেলা মিটমাট করে পুনরায় সংসার শুরু করেন মুফতি তালহা।
 
আরেকটি কথা বলতেই হয়। তা হলো, এ ধরনের সংবাদ পরিবেশনে মিডিয়ার দ্বিচারিতা স্পষ্ট হয়েছে।  ময়মনসিংহ-৩ আসনে আওয়ামী লীগের এমপি নাজিম উদ্দীনের সরাসরি ধর্ষণের ভিডিও সংক্রান্ত নিউজ সার্চ করে দেখলাম, হাতেগোনা ২-৩ টা অ-জনপ্রিয় পত্রিকা ছাড়া কোথাও সে নিউজ পাওয়া যায় না। মানে, মূলধারার মিডিয়া তখন সেটি এড়িয়ে যায়। সিলেট-৬ আসনে বিএনপির এমপি ইমরান আহমেদ চৌধুরীর অন্তরঙ্গ ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে গণমাধ্যম যথারীতি সেটিকেও এড়িয়ে গেছে। 

এই গাজী নজরুল জামায়াতের এমপি নাহলে এটা নিয়েও প্রথম সারির মিডিয়ায় তেমন একটা নিউজ হতোনা। যাইহোক জামায়াতে ইসলামী অপরাধীর বিচার করেছে এজন্য ধন্যবাদ। যদিও জামায়াতের অতি বিপ্লবী অংশ যাচাই-বাছাই ব্যতিরেখেই এমপিকে বরাবর নির্দোষ, এআই ভিডিও ইত্যাদি বলে প্রথমদিকে প্রচার চালিয়েছে। আসল কথা হলো, সবদলেই কিছু নারীলোভী লোক থাকতে পারে। কোনো নেতা অপরাধ করলে দেখতে হবে, তার দল সাংগঠনিকভাবে শাস্তি দিচ্ছে, নাকি প্রশ্রয় দিচ্ছে। এ পরীক্ষায় হয়ত জামায়াতে ইসলামী সফল হয়েছে। কিন্তু এই বিতর্ক জামায়াতকে অনেকটা পিছিয়ে দিলো এটা সত্যি বটে।

শুধু তাই নয় ৬৮ জন এমপিকে নিয়ন্ত্রণে আগামীতে ভীষণ বেগ পেতে হবে জামায়াতকে। এছাড়াও স্থানীয় নির্বাচন শেষ হলে তৃণমূল পর্যায়ে আরও অনেক জনপ্রতিনিধি তৈরি হবে। তাদের ছোট ছোট ভুলও অনেক বড় করে প্রচার করা হবে গণমাধ্যমে। পক্ষান্তরে অন্য দলের জনপ্রতিনিধিদের ভুল সেভাবে গণমাধ্যমে উঠে আসবেনা, ইসলামি ধারার দল হওয়ায় যতটা উঠে আসবে জামায়াতের বেলায়। ফলে, জনপ্রতিনিধি মনোনয়নে জনপ্রিয়তা, সামাজিক প্রভাব ও আর্থিক সচ্ছলতার পাশাপাশি তাকওয়ার (আল্লাহভীতি) বিষয়টিও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত দলটির কর্তাব্যক্তিদের। অনেক সময় তাকওয়ার ঘাটতি রয়েছে এমন অসচ্ছল দলীয় দায়িত্বশীল নেতাকে জনপ্রতিনিধি  করা হলে আর্থিক কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি থেকে যায়। 

আবার সামাজিকভাবে প্রভাব প্রতিপত্তিহীন ব্যক্তিকে দলীয় মনোনয়ন দেয়া হলে নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়া এবং পরবর্তী ধাক্কা সামলানোর মতো সক্ষমতার অনুপস্থিতি দেখা যেতে পারে। যেমন দৃশ্যের অবতারণা ঘটেছে যশোর-৪ আসনের জামায়াতের এমপি ও জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির গোলাম রসুলের বেলায়। তার সিজোফ্রেনিয়া আক্রান্ত মানসিক রোগী মেয়ে পার্শ্ববর্তী মাদ্রাসার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে খারাপ ব্যবহার ও আঘাত করার অভিযোগ তুলে এলাকার কিছু লোক ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা মিলে এমপির বাড়িতে হামলা করে, ভাঙচুর চালায়। 

এমনকি কিছু মহিলা এমপির গায়ে হাত পর্যন্ত তোলার চেষ্টা করে বলে ভিডিওতে দৃশ্যমান হয়। সেখান থেকে বাঁচার জন্য লাইভে এসে প্রশাসনের উদ্দেশ্যে আকুতি করা ছাড়া আর কিছুই করতে দেখা যায়নি এই সংসদ সদস্যকে। বিষয়টা হচ্ছে প্রশাসন সবকিছু দেখবে এটা ঠিক। এমপির বাড়িতে হামলা হলেও যেমন প্রশাসন দেখবে, তেমনি তার পরিবারের কেউ কোনো অন্যায় করলেও আইন রয়েছে। 

কিন্তু চলতি সংসদের একজন এমপির বাড়িতে হামলা এবং তাকে জিম্মি করার বিপরীতে ন্যূনতম প্রতিরোধ তৈরি করতে দেখা যায়নি এমপির নিজস্ব কিংবা জামায়াতে ইসলামীর দলীয় লোকদের। 

এমন নখর-দন্তবিহীন জনপ্রতিনিধিরা জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক উদ্দেশ্য কতটা সফলভাবে সমাজে বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হবেন, তা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে উঠেছে নানা প্রশ্ন। এসব নানা প্রশ্নের সমীকরণ মেলাতে এখন হিমশিম খেতে হচ্ছে জামায়াতে ইসলামীকে। জটিল এসব সমীকরণ মেলাতে জামায়াতের যত বিলম্ব হবে, ততই নানা বিপদ-আপদ মোকাবিলা করতে হবে রাজনীতির এই কণ্টকাকীর্ণ ময়দানে।   

লেখক : মিনহাজুল ইসলাম।
প্রাক্তন সাংবাদিক, তরুণ কবি ও কলামিস্ট।

মেসির সেই ‘অসম্মান করবেন না’ মন্তব্য নিয়ে মুখ খুললেন রেফারি
  • ২৯ জুলাই ২০২৬
পুলিশি বাধায় সড়কে বসে পড়লেন এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা
  • ২৯ জুলাই ২০২৬
৫০তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষার সূচি প্রকাশ, একগুচ্ছ নির্দেশনা…
  • ২৯ জুলাই ২০২৬
অডিও-ভিডিও কলে নতুন সুবিধা যুক্ত করল হোয়াটসঅ্যাপ 
  • ২৯ জুলাই ২০২৬
শিক্ষকদের জুলাই মাসের বেতন নিয়ে সবশেষ যা জানাল মাউশি
  • ২৯ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে নার্স নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি, আবেদন ১৫ আগস্…
  • ২৯ জুলাই ২০২৬