চমেবির পুরোনো (বাম পাশে) ও নতুন লোগো (ডান পাশে) © টিডিসি সম্পাদিত
চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (চমেবি) লোগো পরিবর্তন করা হয়েছে। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. সুলতানা রুমা আলম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই তথ্য জানানো হয়েছে। আদেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল দপ্তরের নথিপত্রে নতুন লোগো ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অফিস আদেশে বলা হয়, চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের ১১তম সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগো সংশোধনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। সিদ্ধান্ত মোতাবেক বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল অধিভুক্ত প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল দপ্তরের স্ব স্ব নথিপত্রে নতুন লোগো ব্যবহার করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হল। আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।
চমেবির পুরোনো লোগোতে ঢাল আকৃতির মূল কাঠামোর ভেতরে ওপরের অংশে ব্যানার আকারে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম, এর নিচে মূলমন্ত্র শিক্ষা, গবেষণা, সেবা, এর নিচে সাপ জড়ানো দণ্ড ও তার ওপরে পদ্মফুল, নিচে পাহাড় ও সমুদ্র এবং মূল কাঠামোর বাইরে ফিতা আকারে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম অঙ্কিত ছিল। নতুন লোগোতে ব্যানার আকারে বিশ্ববিদ্যালয়ের নামের অংশটি মূল কাঠামোর বাইরে রাখা হয়েছে। এ ছাড়া নিচের ফিতাতে সামান্য পরিবর্তন আনা হয়েছে। একই সাথে ঢাল আকৃতির মূল কাঠামোর দুপাশে পাতার মালা রয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নতুন লোগোতে যুক্ত পাতার ব্যাখ্যা না দিলেও জানা গেছে, এ পাতার মালাটি লরেল পাতার মালা (laurel wreath)। এটি এক ধরনের প্রতীকী পাতা, যা প্রাচীনকাল থেকেই বিজয়, সাফল্য ও সম্মানের চিহ্ন হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
এ ছাড়া কিছু দেশে লরেল পাতার মালা স্নাতকোত্তর ডিগ্রির প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক অনুষ্ঠানে তরুণ স্নাতকোত্তরদের এই পুষ্পস্তবকটি দেওয়া হয়। এ ছাড়া আমেরিকার বয় স্কাউটসের সকল কমিশনার পদের ব্যাজে ‘সেবার পুষ্পস্তবক’ (wreath of service) হিসেবেও এই পাতার ব্যাবহার হয়। এ হিসেবে শিক্ষা ও সেবার ক্ষেত্রে ‘লরেল রেথ’-এর ব্যবহার বহু পুরোনো।