শুক্রবার মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা: হলে ঢুকতে হবে আধা ঘণ্টা আগে

০২ অক্টোবর ২০১৮, ১০:১৩ AM

এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে ৩০ মিনিট আগে কেন্দ্রে প্রবেশ করে আনুষঙ্গিক কার্যক্রম শেষ করতে হবে পরীক্ষার্থীদের। সোমবার  সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং পরীক্ষা সংক্রান্ত ওভারসাইট কমিটির সঙ্গে এক বৈঠকে এমন সিদ্ধান্তই নেওয়া হয়। বৈঠকে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনামন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম সভাপতিত্ব করেন।

বৈঠকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, পরীক্ষা কেন্দ্রে শিক্ষার্থীসহ কর্তব্য পালনকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কেউ মোবাইল ফোনসহ কোনো ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস ও ঘড়ি নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন না। শিক্ষার্থীদেরকে প্রবেশপত্রের সঙ্গে উল্লিখিত নির্দিষ্ট ধরনের কলম নিয়েই প্রবেশ করতে হবে। তিনি বলেন, সর্বোচ্চ কঠোর ও নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে মেডিকেল ও ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের সব প্রস্তুতি এরই মধ্যে নেওয়া হয়েছে। তাই পরীক্ষা নিয়ে কোনো বিতর্ক তৈরির সুযোগ এবারও থাকবে না। গত কয়েক বছর ধরে মেডিকেল ও ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষার প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে সব মহল যেভাবে প্রশংসা জানিয়েছে, এবারও সেই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে বলে আমি আশাবাদী।

মোহাম্মদ নাসিম বলেন, জনগণের কাছে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে দেশের মেডিকেল কলেজগুলোতে যেন প্রকৃত মেধাবীরাই ভর্তির সুযোগ পায়, তা নিশ্চিত করতে সরকার কোনো আপস করবে না। ভুয়া প্রশ্নপত্র ফাঁস, প্রশ্নপত্র বাণিজ্য বা গুজব প্রতিরোধে শিক্ষার্থী, অভিভাবক, নাগরিক সমাজ ও গণমাধ্যমসহ সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। বিশেষ করে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অসত্য তথ্য সংবলিত পোস্ট ও ভুয়া অনলাইন পোর্টালগুলোর ওপর তীক্ষ্ণ নজরদারি ও মনিটরিং করতে তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান জানান। একইসঙ্গে এ বিষয়ে কোনো তথ্য পেলেই সঙ্গে সঙ্গে তা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে অবহিত করার আহ্বানও জানান সবার প্রতি।

পরীক্ষার্থীরা যেন সময়মতো পরীক্ষা কেন্দ্রে আসতে পারে, সেজন্য তাদের সহায়তা করতে ট্রাফিক পুলিশের প্রতি অনুরোধ জানান মন্ত্রী। এছাড়াও সভায় পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে শেষ করার জন্য স্বাস্থ্য অধিদফতরে একটি কন্ট্রোল রুম খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে এক বিজ্ঞপ্তিতে গণমাধ্যমে ওই কন্ট্রোল রুমের নম্বর জানিয়ে দেওয়া হবে।

সভায় মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব জিএম সালেহ উদ্দিন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া, চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. ইসমাইল খান, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, বিএমডিসি’র পরিচালক অধ্যাপক ডা. সহিদুল্লা, বিএমএ সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এহতেশামুল হক চৌধুরী, স্বাচিপ সভাপতি অধ্যাপক ডা. ইকবাল আর্সলান, মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজ, ওভারসাইট কমিটির সদস্য সারাবাংলা ও গাজী টিভির এডিটর ইন চিফ সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, কলামিস্ট সাংবাদিক সৈয়দ আবুল মকসুদসহ ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ কমিশনার, মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদফতর এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

গণঅধিকার পরিষদের এক প্রার্থীর মনোনয়ন পুনর্বহাল
  • ২৪ জানুয়ারি ২০২৬
ফজলুর রহমানের নির্বাচনী জনসভায় চেয়ার ছোড়াছুড়ি
  • ২৪ জানুয়ারি ২০২৬
দায়িত্ব পেলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করব: জামায়াত আমির
  • ২৪ জানুয়ারি ২০২৬
ভোট চুরি ঠেকাতে ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে পাহাড়ায় থাকার আহ্বান রুম…
  • ২৪ জানুয়ারি ২০২৬
ভারতের অধিকাংশ পণ্যের জিএসপি সুবিধা স্থগিত করল ইইউ
  • ২৪ জানুয়ারি ২০২৬
ইউনিটপ্রধানদের কর্মস্থল ছাড়তে লাগবে আইজিপির অনুমতি
  • ২৪ জানুয়ারি ২০২৬