আদালতে রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী

​আত্মহত্যার আগে শিক্ষক সুদীপের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা হয় মিমোর

২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৫২ PM
​আত্মহত্যার আগে শিক্ষক সুদীপের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা হয় মিমোর

​আত্মহত্যার আগে শিক্ষক সুদীপের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা হয় মিমোর © টিডিসি সম্পাদিত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর মৃত্যুর প্ররোচনা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। 

আজ সোমবার (২৭ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রিপন হোসেন তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাড্ডা থানার উপ-পরিদর্শক কাজী ইকবাল হোসেন এই আবেদন করেন।

তবে এদিন আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়নি। তাকে আজ সকালে সিএমএম হাজতখানায় এনে রাখা হয়। রিমান্ডের আবেদন না থাকায় তাকে আদালতে ওঠানো হয়নি। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই কামাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। আদালতে আসামিপক্ষের আইনজীবী ফুল মোহাম্মদ জামিনের আবেদন করেন।

তিনি আদালতে বলেন, আসামি একজন ভালো শিক্ষক। ঘটনার কিছুই জানেন না। তাকে হয়রানি করা হচ্ছে। অপরদিকে রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবীরা জামিনের বিরোধিতা করেন। ​আটক রাখার আবেদন অনুযায়ী, আত্মহত্যার ঘটনার সাথে আসামি সুদীপ চক্রবর্তীর জড়িত থাকার তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এবং আসামির নাম-ঠিকানা যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তাকে জেল হাজতে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন।

আরও বলা হয়েছে, গত ২৬ এপ্রিল দিবাগত রাতে ভিকটিমের সঙ্গে আসামির ভিডিও কলে কথা হয়েছিল। বাদীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে ধারণা করা হচ্ছে, আসামির প্ররোচনাতেই ভিকটিম আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন। তদন্তের প্রয়োজনে ভবিষ্যতে আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের আবেদন করার প্রয়োজন হতে পারে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ঢাবি শিক্ষক সুদীপের সঙ্গে আরেক ‘ছাত্রীকে অন্তরঙ্গ’ দেখে ক্ষুব্ধ ছিলেন মিমো

​এর আগে গতকাল রবিবার ভোরে উত্তর বাড্ডার একটি বাসা থেকে ঢাবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে বাড্ডা থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পর ওই দিনই বিকেলে রাজধানীর উদয় ম্যানসন এলাকা থেকে সুদীপ চক্রবর্তীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

মিমোর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মিমো সচরাচর দরজা খোলা রেখে ঘুমাতেন। তবে ঘটনার দিন ফজরের আজানের পর দরজা বন্ধ দেখে পরিবারের সদস্যরা ধাক্কাধাক্কি করেন। তবে কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। তার সহপাঠীরা জানিয়েছেন, রবিবার সকাল ৯টার দিকে তারা খবর পেয়ে বাড্ডা এলাকায় তার বাসভবনে আসেন। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া সুইসাইড নোটে সুদীপ চক্রবর্তী ও আরেক ছাত্রীর নাম থাকায় তাদের হেফাজতে নেয় পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া সুইসাইড নোটে লেখা ছিল— ‘সুদীপ স্যারকে ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে। ... (সহপাঠী) আর সুদীপ স্যার ভালো থাকো, স্যারের দেওয়া গিফটগুলো ফেরত দেয়া...।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ এক কর্মকর্তা, বিভাগটির শিক্ষক ও শিক্ষার্থী সূত্রে জানা গেছে, মিমোর মৃত্যুর একদিন আগে বৃহস্পতিবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে ঢাবির কলাভবনের ৬০১ নম্বর কক্ষে শিক্ষক সুদীপ চক্রবর্তী ও আরেক ছাত্রীকে ‘অন্তরঙ্গ’ মূহুর্তে দেখেন মিমো। এ নিয়ে তাদের মধ্যে মতবিরোধ হয় বলে জানা গেছে। 

যদিও বিষয়টি নিশ্চিত নয় বলে জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) থিয়েটার অ্যান্ড পারফরমেন্স স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান কাজী তামান্না হক সিগমা। তিনি দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘ঘটনার দিন দুপুর ১টার পর আমি অফিসে ছিলাম না। তাই পরবর্তীতে কী ঘটেছে সে বিষয়ে আমার কাছে কোনো তথ্য নেই।’

ইবির একাডেমিক ও প্রশাসনিক সেবা ডিজিটালাইজড করতে বৈঠক, কমিটি…
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
ঢাবিতে আন্তর্জাতিক শতবার্ষিকী সম্মেলনের ওয়েবসাইট উদ্বোধন
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
ভারতে সরকারিভাবে গোমূত্র সংগ্রহ শুরু, লিটারপ্রতি দাম ২০ রুপি
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক ও মানবিক দায়বদ্ধতা: পাবিপ্রবিকে ঘ…
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
ফেনীতে সাবেক পিআইও অফিস সহকারীর বাসা থেকে ত্রাণের মালামাল উ…
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
আরাফাত রহমান কোকোর জন্মদিনে বনানী কবরস্থানে শ্রদ্ধা
  • ১২ আগস্ট ২০২৬