শায়খ আহমাদুল্লাহ © সংগৃহীত
নামের আগে ‘শায়খ’ শব্দ নিয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ইসলামী চিন্তাবিদ ও স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহ। সম্প্রতি সাংবাদিক আকবর হোসেনের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় এক প্রশ্নের জবাবে ‘শায়খ’ শব্দের ব্যাখ্যা করেন তিনি।
আলাপচারিতায় সাংবাদিক আকবর শায়খ আহমাদুল্লাহর কাছে জানতে চান— যারা ইসলামী স্কলার, তাদের নামের আগে মুফতি, মাওলানা বা এ ধরনের টাইটেল শুনি। আপনার নামের আগে ‘শায়খ’। এর অর্থ কী?
জবাবে শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, শায়খ আসলে সম্মানসূচক একটি ভূষণ। আমরা যেরকম ‘জনাব’, ‘শ্রদ্ধেয়’—এ ধরনের শব্দ দিয়ে মানুষকে সম্মানিত করার চেষ্টা করি, শায়খও অনেকটা তেমন। শায়খ শব্দটি মূলত সিনিয়রিটি বোঝায়।
আরব বিশ্বে এটি খুব পরিচিত একটি সম্বোধন বা টাইটেল বলা যেতে পারে। সেখানে আলেম-ওলামাসহ সর্বস্তরের মানুষ পরস্পরকে সম্মান করে শায়খ বলে সম্বোধন করেন। আলেমদের ক্ষেত্রে এটি একটু বেশি ব্যবহৃত হয়।
তিনি বলেন, আমি যেহেতু ১০ বছর সৌদি আরবে ছিলাম এবং সেখানে ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স মন্ত্রণালয়ে বাংলা ভাষাভাষী প্রবাসীদের ধর্মীয় বিষয়ে সহযোগিতা করার চেষ্টা করতাম, কখনো কখনো বাংলাদেশিরা কোনো মামলায় জড়িয়ে গেলে বিচারকদের সঙ্গে দোভাষীর ভূমিকাও পালন করতে হতো। সেখানে বাংলা ভাষাভাষীরাও ‘শায়খ’ শব্দটি বলতে অভ্যস্ত। মূলত সেখান থেকেই ‘শায়খ’ শব্দটি আমার নামের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যায়।
বিষয়টি এমন নয় যে এটি কোনো অর্জনের টাইটেল, কোনো বিশেষ ডিগ্রি অর্জনের পর পাওয়া যায়। মুফতিদের ক্ষেত্রে যেমন নির্দিষ্ট যোগ্যতা বা দায়িত্বের বিষয় আছে, এটি তেমন নয়। আমাদের দেশে যেমন মাওলানা বা হুজুর বলে সম্বোধন করা হয়, সেখানে শায়খ বলে সম্বোধন করা হয়।