দুই শর্ত মানলে শবে কদরের মর্যাদা পাবে মুমিন

১৩ মার্চ ২০২৬, ০৩:১১ AM
প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি © সংগৃহীত

লাইলাতুল কদরের গুরুত্ব ও মর্যাদা সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা কুরআনুল কারিমে একটি পূর্ণাঙ্গ সুরা নাজিল করেছেন, যা ‘সুরা কদর’ নামে পারিচিত। এই সুরায় কদরের রাতের মহিমা ও ফজিলত সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। আবার হাদিসে পাকে দুটি শর্ত উল্লেখ করা হয়েছে। যা মানলে বিগত জীবনের গুনাহ মাফ হয়ে যাবে। শর্ত  দুটি কী?

আল্লাহ তাআলা বলেন-

اِنَّاۤ اَنۡزَلۡنٰهُ فِیۡ لَیۡلَۃِ الۡقَدۡرِ ۚوَ مَاۤ اَدۡرٰىكَ مَا لَیۡلَۃُ الۡقَدۡرِ ؕ لَیۡلَۃُ الۡقَدۡرِ ۬ۙ خَیۡرٌ مِّنۡ اَلۡفِ شَهۡرٍ تَنَزَّلُ الۡمَلٰٓئِكَۃُ وَ الرُّوۡحُ فِیۡهَا بِاِذۡنِ رَبِّهِمۡ ۚ مِنۡ كُلِّ اَمۡرٍ ۙسَلٰمٌ ۟ۛ هِیَ حَتّٰی مَطۡلَعِ الۡفَجۡرِ

‘নিশ্চয়ই আমি তা (কুরআন) অবতীর্ণ করেছি কদরের রাতে। আর কদরের রাত সম্বন্ধে তুমি কী জান? শবে কদর হলো- এক হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ। এতে প্রত্যেক কাজের জন্যে ফেরেশতাগণ ও রূহ অবতীর্ণ হয় তাদের পালনকর্তার নির্দেশক্রমে। শান্তি আর শান্তি, যা ফজরের উদয় পর্যন্ত অব্যাহত (নাজিল হতে) থাকে।’ (সুরা আল-কদর)

এ সুরায় মহান আল্লাহ তায়ালা প্রশ্ন ও উত্তর উভয় মাধ্যমেই লাইলাতুল কদরের শ্রেষ্ঠত্ব তুলে ধরেছেন। ফজিলত বর্ণনা করেছেন। অবশেষে এই রাতে আল্লাহর বহু ফেরেশতা এবং জিবরিল (আ.) মানুষের কল্যাণের জন্য জমিনে অবতরণ করেন এবং রাতটি শান্তি ও নিরাপত্তা নিয়ে আসে।

কুরআনের এসব বর্ণনা হাদিসে বর্ণিত ফজিলতসমূহকে আরও শক্তিশালী করে এবং প্রমাণ করে যে, লাইলাতুল কদর সত্যিই উম্মতে মুহাম্মাদির জন্য এক অনন্য উপহার। যেমন— এই রাতের ইবাদতের ফজিলত সম্পর্কে হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত এক হাদিসে নবীজি (সা.) বলেছেন—

مَنْ قَامَ لَيْلَةَ الْقَدْرِ إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ

‘যে ব্যক্তি ইমানদার অবস্থায় একনিষ্ঠতার সঙ্গে লাইলাতুল কদরে ইবাদত করে, আল্লাহ তাআলা তার অতীতের গুনাহ ক্ষমা করে দেন। (বুখারি ১৯০১)

অর্থাৎ লাইলাতুল কদরে আল্লাহ তাআলার ক্ষমা পাওয়ার জন্য নবীজি (সা.) এই হাদিসে দুটি শর্ত উল্লেখ করেছেন—

১. ইমান-আকিদা সঠিক হতে হবে

নবীজি (সা.) প্রথম শর্ত হিসেবে বলেছেন, ইবাদতকারীকে ‘মুমিন’ হতে হবে। এর অর্থ হলো, তার আকিদা বা ধর্মীয় বিশ্বাস অবশ্যই সঠিক হতে হবে। শিরক বা অন্যান্য অপবিশ্বাস কারও অন্তরে থাকলে সে লাইলাতুল কদরের বরকত থেকে বঞ্চিতই থাকবে। 

২. একনিষ্ঠতা ও নিয়ত বিশুদ্ধ হতে হবে

দ্বিতীয় শর্ত হলো ‘ইহতিসাব’, যার অর্থ হলো ইবাদতকারীর নিয়ত সঠিক এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য একনিষ্ঠ হতে হবে। যদি নিয়তের মধ্যে রিয়া, লোকদেখানো বা পার্থিব কোনো উদ্দেশ্য এসে যায়, তবে সারা রাত জেগে ইবাদত করা কোনো কাজে আসবে না। ইবাদতের উদ্দেশ্য কেবল আল্লাহর নৈকট্য লাভ হতে হবে।

সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, কুরআন-হাদিসের নির্দেশনা অনুযায়ী লাইলাতুল কদরে  ইবাদত-বন্দেগি করা। শবে কদর তালাশ করা। তবেই সফল হবে রোজাদার মুমিন মুসলমান।

‘ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ ধরেছি’ পোস্ট দেয়া সেই ঢাবি ছাত্রশক্তির…
  • ১৩ মার্চ ২০২৬
রোজা রাখতে অক্ষম ব্যক্তি কত টাকা ফিদইয়া দেবেন?
  • ১৩ মার্চ ২০২৬
অপবিত্র অবস্থায় সেহরি খাওয়া যাবে কিনা?
  • ১৩ মার্চ ২০২৬
দুই শর্ত মানলে শবে কদরের মর্যাদা পাবে মুমিন
  • ১৩ মার্চ ২০২৬
ছয় ঘণ্টা পর ইসরায়েলে ফের মিসাইল ছুড়ল ইরান
  • ১৩ মার্চ ২০২৬
ঈদের আগে-পরে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ
  • ১৩ মার্চ ২০২৬
×
ADMISSION
GOING ON
SPRING 2026
APPLY ONLINE
UP TO 100% SCHOLARSHIP
UNIVERSITY OF ASIA PACIFIC 🌐 www.uap.ac.bd
Last Date of Application:
22 April, 2026
📞
01789050383
01714088321
01768544208
01731681081