ভারত

বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা দিতে হলে ১৪ দিন কোয়রান্টিন

০৭ জুন ২০২০, ০৯:৩৪ AM

বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইনাল পরীক্ষায় বসতে হলে হোস্টেলে ১৪ কোয়রান্টিনে থাকতে হবে। এমনটাই নির্দেশ জারি করেছে ভারতের ওড়িশার এক সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। যে সব শিক্ষার্থী হোস্টেলে কোয়রান্টিনে থাকতে পারবেন না, তাঁদেরকে বাধ্যতামূলক কোয়রান্টিনে থাকতে হবে নিজের বাড়িতেই।

সেই প্রমাণপত্র দাখিল করতে হবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে। এই নিয়ম মেনে না চললে ফাইনাল পরীক্ষায় বসার ছাড়পত্র মিলবে না। করোনার মোকাবিলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের এমন কড়া নির্দেশ জারি করলেও তা নিয়ে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।

শনিবার বুরলা শহরের বীর সুরেন্দ্র সাই ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি (ভিএসএসইউটি) কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, ফাইনাল সেমিস্টারের শিক্ষার্থীদের জন্যই এই নিয়ম চালু করা হয়েছে। আগামী জুলাইতে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ফাইনাল পরীক্ষা শুরু হবে। সেই জন্য শিক্ষার্থীদের ১৮, ১৯ এবং ২০ তারিখের মধ্যে ক্যাম্পাসে পৌঁছতে নির্দেশ দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এই সংক্রান্ত একটি নোটিশও জারি করেছেন ভিএসএসইউটি-র রেজিস্ট্রার। তাতে লেখা রয়েছে, ‘‘জুলাইতে পরীক্ষার আগে ফাইনাল সেমিস্টারের শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসেই কোয়রান্টিনে থাকতে হবে।’’ নির্ধারিত সময়ের আগে শিক্ষার্থীরা হোস্টেলে ঢোকার অনুমতি পাবেন না বলেও জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, পরীক্ষায় বসতে ইচ্ছুকরা যদি আগামী ২০ জুনের মধ্যে ক্যাম্পাসে উপস্থিত হতে না পারেন, তা হলে তাঁদের ১৪ দিনের হোম কোয়রান্টিনে থাকার প্রমাণ দেখাতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছেন, পরীক্ষার্থীদের সকলকেই বাধ্যতামূলকভাবে ‘আরোগ্য সেতু’ অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে। তাতে রেজিস্ট্রেশনের করে জানাতে হবে যে, তাঁদের করোনা-সংক্রমণ হয়নি। শিক্ষার্থীদের মধ্যে যাতে করোনার সংক্রমণ না ঘটে, সে জন্য হোস্টেল থেকে বাইরে বেরনোর বিষয়েও কড়াকড়ি শুরু করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। পরীক্ষা কেন্দ্রে যাওয়া ছাড়া কখনই হোস্টেলের বাইরে বেরতে পারবেন না তারা।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এই কড়াকড়িতে একেবারেই সন্তুষ্ট নন শিক্ষার্থীদের একাংশ। করোনাকে রুখতে এই উদ্যোগ মেনে নিয়েও ওই নোটিশকে ‘অদ্ভুত’ বলেও আখ্যা দিয়েছেন অনেকে। পাশাপাশি এত বিধিনিষেধ সত্ত্বেও করোনার সংক্রমণ এড়ানো সহজ নয় বলেও মনে করছেন অনেকে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী জানায়, ‘‘একটি হোস্টেলে ফাইনাল সেমিস্টারের প্রায় ১২০-১৩০ জন রয়েছে। প্রত্যেককেই নিজেদের রুম কারও সঙ্গে শেয়ার করতে হয়। এমনকি, হটস্পট থেকে আসা অনেক পড়ুয়ার সঙ্গেও সেই রুম শেয়ার করতে হয়। একই ডাইনিং টেবিলে বসে খেতে হয়।’’

বিশ্ববিদ্যালের সহ-উপাচার্য অটল চৌধুরী বলেন, ‘‘হোস্টেলে কোয়রান্টিনে থাকা সম্ভব কি না, তা নিয়ে কয়েকজন শিক্ষার্থী উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। কোয়রান্টিন সার্টিফিকেট দাখিল করা নিয়েও তাঁরা চিন্তিত। এ নিয়ে আগামী সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন এবং অন্যান্য আধিকারিকদের বৈঠকে ডাকা হয়েছে।’’ (সূত্র: আনন্দবাজার)

গাজীপুরে আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেফতার
  • ১৭ এপ্রিল ২০২৬
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু
  • ১৭ এপ্রিল ২০২৬
‘হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ উন্মুক্ত’, যুদ্ধবিরতি চলবে কতদিন—জা…
  • ১৭ এপ্রিল ২০২৬
জ্বালানি তেলের দামে ব্যাপক দরপতন
  • ১৭ এপ্রিল ২০২৬
হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ খুলে দেওয়ার ঘোষণা ইরানের
  • ১৭ এপ্রিল ২০২৬
পুকুরে ঝাঁপ দিয়েও রক্ষা হলো না বৃদ্ধের
  • ১৭ এপ্রিল ২০২৬