কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ

পুনর্মিলনীর নামে বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণা, বন্ধ ক্লাস— যোগ দিতে বাধ্য হলেন শিক্ষার্থীরা

১১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৬:১৮ PM , আপডেট: ১১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৬:১৮ PM
অনুষ্ঠানে বিএনপি প্রার্থীর নির্বাচনী লিফলেট বিতরণ করা হয়

অনুষ্ঠানে বিএনপি প্রার্থীর নির্বাচনী লিফলেট বিতরণ করা হয় © সংগৃহীত ও সম্পাদিত

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে (কুমেক) পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের নামে ক্লাস কার্যক্রম স্থগিত রেখে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর অভিযোগ উঠেছে স্বেচ্ছায় রক্তদান আন্দোলনের পথিকৃৎ সংগঠন সন্ধানীর বিরুদ্ধে। গতকাল শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকালে মেডিকেল অডিটোরিয়ামে কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরীর পক্ষে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। এতে শিক্ষার্থীদের জোরপূর্বক অংশগ্রহণে বাধ্য করার অভিযোগও উঠেছে।

সন্ধানীর সাবেক সদস্যদের পুনর্মিলনী হলেও অনুষ্ঠানে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের বিভিন্ন ব্যাচের এমবিবিএস ও বিডিএস এবং কুমিল্লা নার্সিং ইনস্টিটিউটের নার্সিং ও মিডওয়াইফারি শিক্ষার্থীদের উপস্থিত থাকতে দেখা গেছে। অনেক শিক্ষার্থী অভিযোগ করেছেন, ক্লাসে উপস্থিতি না দেখানোর ভয়ভীতি দেখিয়ে মেডিকেলের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের অনুষ্ঠানে যেতে বাধ্য করা হয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে, প্রথম বর্ষ ছাড়া অপর ব্যাচগুলোর পরীক্ষা শেষ হয়ে গেলেও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার স্বার্থে অনেককেই ক্যাম্পাস ত্যাগ করতে দেওয়া হয়নি। এমনকি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরাও ফোন দিয়েছেন শিক্ষার্থীদের।

এদিকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের মাঝে কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা চালানো হয়েছে। অতিথিদের বক্তব্যে আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট চাওয়ার পাশাপাশি মনিরুল হক চৌধুরীর পক্ষে লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথিও ছিলেন তিনি। তবে ঢাকায় আরেকটি মিটিং থাকায় তিনি উপস্থিত হতে পারেননি।

আরও পড়ুন: নতুন আরেকটি সরকারি মেডিকেল কলেজের

অনুষ্ঠানে বিএনপির প্রার্থী উপস্থিত হতে না পারলেও এতে প্রধান বক্তা ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক অর্থনীতি বিভাগের প্রফেসর চৌধুরী সায়মা ফেরদৌস, তিনি মনিরুল হক চৌধুরীরই মেয়ে। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, জেলা বিএনপির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আমিরুজ্জামান আমির, কুমিল্লা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোশতাক মিয়া এবং কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) স্থগিত কমিটির সভাপতি ডা. মিনহাজুর রহমান তারেক।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ধানের শীষের পক্ষে ভোট চেয়ে মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু বলেন, ‘আমরা যারা নতুন ভোটার হয়েছি, তরুণ প্রজন্মের ভোটার, তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই— এখানে আমাদের অনেক নারী বোনেরা আছেন, আমি আপনাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই বিএনপি যদি আগামীতে সরকার গঠন করে, ইতিমধ্যেই স্বাস্থ্য সেবায় কি কি করবে তার ঘোষণা দিয়েছে। তার মধ্যে আছে এক লক্ষ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেবে। সেই এক লক্ষ স্বাস্থ্যকর্মীর মধ্যে ৮০ শতাংশ হবে নারী কর্মী।’

6 (1)
বক্তব্য রাখছেন ড্যাবের বিলুপ্ত কমিটির সভাপতি ডা. মিনহাজুর রহমান তারেক (বামে) ও মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু

তিনি আরও বলেন, ‘দেশের ভোটারের অর্ধেক অংশ বর্তমানে নারী ভোটাররা। তাই আপনারা আপনাদের মা-বোন, আত্মীয়-স্বজনদেরকে বলবেন— যদি বিএনপি ক্ষমতায় আসে যে এক লক্ষ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দিবে, তার মধ্যে ৮০ ভাগ নারী, মানে ৮০ হাজার নারী স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দিবে। সেজন্য আপনারা সবাই আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি যে নির্বাচন, সে নির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করবেন এবং ভোট দিয়ে ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থীকে সারা বাংলাদেশে জয়যুক্ত করে বিএনপিকে ক্ষমতায় আনবেন। বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান যে ঘোষণা দিয়েছেন, সারা বাংলাদেশকে স্বাস্থ্য খাতকে আধুনিক, দুর্নীতিমুক্ত এবং নতুনভাবে ঢেলে সাজাবেন, সেই আশা-প্রত্যাশা করছি।’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে অনুষ্ঠানে উপস্থিত একাধিক শিক্ষার্থী দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ক্লাসে এটেন্ডেন্স মার্ক কমিয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ফার্স্ট ইয়ারের অনেককে জোর করে অনুষ্ঠানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ৩৪তম ব্যাচের ম্যাসেঞ্জার গ্রুপে বলে দেওয়া হয়েছে যে এতে উপস্থিত থাকতেই হবে। এ ছাড়া বিভিন্ন বিষয়ের শিক্ষক ফোন দিয়ে এবং টেক্সট দিয়ে উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য বলেছেন।

তারা বলছেন, সন্ধানীকে ব্যবহার করে বিএনপির প্রোগ্রাম আয়োজন করা হয়েছে। উপস্থিত না হতে পারলেও অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপি মনোনীত একজন প্রার্থী। কিন্তু শিক্ষার্থীদের কাছেও বিষয়টি আড়াল করা হয়েছে। এডি আরমান আহমেদ নামে এক শিক্ষার্থী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লিখেছেন, ‘এই প্রোগ্রামের জন্য আমাদের পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরে জোর করে রাখা হয়েছে। একরকম বাধ্য করে রাখা হয়েছে।’

5 (2)
কুমিল্লা-৬ বিএনপির প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরীর লিফলেট শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ করা হয়

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ প্রসঙ্গে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক ডা. আব্দুল মান্নান দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, প্রোগ্রামটিতে তিনটি সমস্যা রয়েছে। প্রথমত, এটা কোন একাডেমিক প্রোগ্রাম না। কিন্তু আমাদের ছোট ভাইদের ক্লাস বন্ধ রাখা হয়েছে। এটা নিয়ে শিক্ষার্থীদের ভিতরে একটা ক্ষোভ বিরাজমান। দুই নম্বর বিষয় হচ্ছে, ক্লাস টিচাররা ফোন দিয়ে দিয়ে শিক্ষার্থীদের বাধ্য করেছে অনুষ্ঠানে যেতে। না আসলে এটেন্ডেন্স পার্সেন্টেজ কম দেওয়া হবে, এরকম কিছু শব্দ উচ্চারিত হয়েছে।

তিনি বলেন, আরেকটি বিষয় হচ্ছে— সন্ধানীকে একটা অরাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে তারা প্রচার করে। কিন্তু এখানে যতজন আসছে, তারা বিএনপির নেতা এবং এটাকে ইউজ করে কুমিল্লা-৬ আসনের ধানের শীষের প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়েছে। এতে নির্বাচনের আচরণবিধিও লঙ্ঘন হয়েছে।

ডা. আব্দুল মান্নান আরও বলেন, কলেজ অডিটোরিয়ামে এই অনুষ্ঠান আয়োজিত হওয়ায় এখানে প্রিন্সিপালেরও দায় রয়েছে। মূলত বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের সংগঠন ড্যাব এই অনুষ্ঠানটা করেছে, তবে সন্ধানী ব্যানারে করেছে যাতে তারা বিতর্কিত না হয়। কিন্তু এটা তো কেউ আশা করেনি যে সন্ধানী বিএনপিকে নিয়ে আসবে।

আরও পড়ুন: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রথমবারের মত আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পেল ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষার্থীদের বাধ্যতামূলক উপস্থিতির বিষয়টি স্বীকার করেছেন সন্ধানী কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ ইউনিটের একাংশের সভাপতি মিনহাজুল ইসলাম মিরাজ। তবে বিষয়টি ‘মজা করে’ করা হয়েছে জানিয়ে মিনহাজুল ইসলাম মিরাজ দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, আসলে আমাদের ৩৪ ব্যাচের ওরা (সন্ধানী সদস্য) গ্রুপে একটু মজা করে বলছিল আর কি যে (অনুষ্ঠানে) না আসলে প্রেজেন্ট দিবে না। কিন্তু এই জিনিসটা আসলে প্রেজেন্ট করা হয়েছে ভুলভাবে। আর টিচারদের পক্ষ থেকে ফোন দেওয়ার ব্যাপারে আমি আসলে জানি না। তবে যেহেতু কলেজের প্রোগ্রাম, সেহেতু হয়তো ম্যাসেজ দিতে পারে কোনো টিচার।

অনুষ্ঠানে নির্বাচনী প্রচারণা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখানে প্রোগ্রামের দুইটা সেগমেন্ট ছিল। এখন আমাদের এক্স-সন্ধানীয়ান যারা, তারা তো বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিভিন্নভাবে পলিটিক্যাল বিভিন্ন সংশ্লিষ্টতা আছে। উনাদের যে সেগমেন্টটা ছিল, সেখানে লিফলেট দেওয়া হয়েছে। অডিটোরিয়ামে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের স্টাফ থেকে শুরু করে অনেক ধরনের অনেক লোকই ছিল। এইখানে স্টুডেন্টদের ওইভাবে দেওয়া হয় নাই।

তবে লিফলেট বিতরণের সময় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির প্রমাণ উপস্থাপন করা হলে মিনহাজুল ইসলাম মিরাজ বলেন, ওইখানে উপস্থিত দর্শক সবাই ছিল। মেডিকেলের টিচার বলেন, নার্সিংয়ের স্টুডেন্ট, মিডওয়াইফারি স্টুডেন্ট, মেডিকেল স্টুডেন্ট সবাই ছিল। তবে এক্সদের প্রোগ্রাম ছিল, তাদের স্পিচ ছিল। ক্লাস বন্ধ রাখার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, গতকাল মনে হয় এমনিতেও কিছু ক্লাস ক্যান্সেল ছিল। আমাদের প্রোগ্রামের জন্য ক্যান্সেল করা হয় নাই। সম্ভবত একাডেমিক কাউন্সিলের ডিসিশন দিয়ে অফ ছিল।

8
সন্ধানী কুমিল্লা মেডিকেল ইউনিটের একাংশের সভাপতি মিনহাজুল ইসলাম মিরাজ

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ ড্যাবের স্থগিত কমিটির সভাপতি ডা. মিনহাজুর রহমান তারেক দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের সন্ধানীটা আমরা ব্যাকআপ দেই। আসলে সাধারণত জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির তারাই চালায় এটা। অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ম্যাক্সিমাম স্টুডেন্টের পরীক্ষার পরে ক্লাস বন্ধ থাকে। যে শিক্ষার্থী অভিযোগ করছে তার টিচারকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করেন, আমার জানা নাই।

অনুষ্ঠানে কোনো নির্বাচনী প্রচারণা চালানো হয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিএনপির ছাত্র বিষয়ক যে অঙ্গীকারগুলো, সেগুলো দেওয়া হয়েছে। আর সন্ধানী তো ডাক্তারদের একটা সংগঠন। সেজন্য বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক কর্মসূচির জন্য একটা মোটিভেশন। কোনো প্রার্থীর প্রচারণা করা হয়নি। বিএনপি ৩১ দফার মধ্যে ২৬ দফা যেটা, ওইটারই প্রচারণা।

আরও পড়ুন: মূল বেতনের ৭০% প্রণোদনা পাচ্ছেন বেসিক সাবজেক্টের শিক্ষকরা, প্রজ্ঞাপন জারি

সন্ধানীর অনুষ্ঠানে বিএনপি প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরীর প্রধান অতিথি করার বিষয়টি অস্বীকার করেছে ডা. মিনহাজুর রহমান তারেক। তবে গতকালের অনুষ্ঠানের একটি ভিডিও দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের হাতে এসেছে, যেখানে খোদ ডা. তারেক তার বক্তৃতার সম্বোধন অংশে মনিরুল হক চৌধুরীকে প্রধান অতিথি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ওই সময় তিনি বলেন, ‘এক্স কুমিল্লা সন্ধানীয়ানদের পুনর্মিলন ও গুণী সংবর্ধনা, আজকের এই প্রোগ্রামের প্রধান অতিথি কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির কান্ডারী মনিরুল হক চৌধুরী, উনি ঢাকায় একটা প্রোগ্রামের জন্য আসতে পারেন নাই।’

সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মির্জা মুহাম্মদ তাইয়েবুল ইসলাম দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, আগে যারা সন্ধানী করেছিল, তাদের পুনর্মিলনী। আমাদের তরফ থেকে শুধু পারমিশন দেওয়া হয়েছে। বর্তমান স্টুডেন্টদের প্রোগ্রাম না।

7 (1)
এ ঘটনায় প্রতিবাদে মুখর হয়ে উঠেছেন সাবেক-বর্তমান শিক্ষার্থীরা

বর্তমান অনেক শিক্ষার্থীকে অনুষ্ঠানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে জানানো হলে তিনি বলেন, কে নিয়ে গেল? আমার নলেজে নাই। আর জোর করে নেওয়া হয়েছে এমন কোন অভিযোগ আমাকে কেউ করেনি। আর পাঁচটা ব্যাচের মধ্যে চারটা ব্যাচই পরীক্ষা শেষ হয়ে যাওয়ায় ছুটিতে আছে। নতুন ক্লাস এখনও শুরু হয়নি।

পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরও জোর করে ক্যাম্পাসে রাখার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই দেশে বর্তমান পরিস্থিতিতে আপনি কাউকে আটকে রাখতে পারবেন? এটা কি পসিবল? একটা মেডিকেল কলেজের স্টুডেন্ট, তাকে কে কিভাবে আটকায় রাখবে? বর্তমান বাংলাদেশে নট পসিবল। এরকম হলে তো আমার কাছে ইনফরমেশন আসত, কোন অভিযোগ দেয় নাই।

অনুষ্ঠানে নির্বাচনী প্রচারণার অভিযোগ অস্বীকার করে অধ্যক্ষ বলেন, এরকম হয়নি। আমি যতক্ষন ছিলাম, প্রফেসর সায়মা ফেরদৌসের স্পিচ পর্যন্ত ছিলাম। এখানে তো রাজনৈতিক কোন কিছু দেখিনি। আমার চোখে পড়ে নাই লিফলেট বিতরণ। তবে যে কেউ যেকোনো ভাবে দিতে পারে, এটা আমার নলেজে নাই। একটা গ্যাদারিংয়ের মধ্যে কেউ যদি কোন...। ধরেন মসজিদে নামাজের পরে অনেকে বিভিন্ন রকম দেয়, এটাতে মসজিদ কর্তৃপক্ষের কী করার থাকবে বলেন?

ট্রেনের শেষ বগি থেকে বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার
  • ১২ জানুয়ারি ২০২৬
প্রথমবারের মতো ৮০ আসনে ভর্তি নেবে নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়, শর্ত…
  • ১২ জানুয়ারি ২০২৬
ইসরায়েল স্বীকৃত 'সোমালিল্যান্ডকে' প্রত্যাখান বাংলাদেশের
  • ১২ জানুয়ারি ২০২৬
বায়ুদূষণে ১২৬ নগরীর মধ্যে শীর্ষে ঢাকা
  • ১২ জানুয়ারি ২০২৬
সামরিক ড্রোন কারখানা স্থাপনে চীনের সাথে চুক্তি করছে বাংলাদেশ
  • ১২ জানুয়ারি ২০২৬
বিএনপির দুই প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ, কোপে বিচ্ছিন্ন এক ক…
  • ১২ জানুয়ারি ২০২৬
X
UPTO
100%
MERIT BASED
SCHOLARSHIP
ADMISSION OPEN FOR
SPRING 2026
Application Deadline Wednesday, 21 January, 2026
Apply Now

Programs Offered

  • BBA
  • Economics
  • Agriculture
  • English
  • CSE
  • EEE
  • Civil
  • Mechanical
  • Tourism & Hospitality
01810030041-9