স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

হৃদরোগীদের পুনর্বাসনে দেশে যুক্ত হচ্ছে আন্তর্জাতিক মডেল

০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৪ PM , আপডেট: ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৮ PM
বক্তব্য রাখছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত

বক্তব্য রাখছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত © সংগৃহীত

কার্ডিয়াক ইভেন্টের পর রোগীদের সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনতে আন্তর্জাতিক মানসম্মত, সাশ্রয়ী ও স্থানীয়ভাবে কার্যকর ‘কার্ডিয়াক রিহ্যাবিলিটেশন মডেল’ বাস্তবায়নে সরকার সর্বোচ্চ নীতিগত ও কাঠামোগদ সহায়তা দেবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। আজ বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের কনফারেন্স হলে ‘সাশ্রয়ী হৃদরোগ পুনর্বাসন: সমন্বিত কৌশলগত প্রচার গবেষণা’ শীর্ষক পাঁচ বছর মেয়াদি গবেষণা প্রকল্পের স্টেকহোল্ডার সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই তথ্য জানান।

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব হেল্‌থ সায়েন্সেসের (বিইউএইচএস) উপাচার্য অধ্যাপক জে এম এ হান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন জাতীয় অধ্যাপক ডা. এ কে আজাদ খান, অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সফিউদ্দিন এবং  বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন গবেষণার প্রধান ও গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রড এস টেলর।

এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে মোট মৃত্যুর ৬৭ শতাংশই ঘটছে অসংক্রামক ব্যাধিতে, যার মধ্যে একক কারণ হিসেবে হৃদরোগ শীর্ষে। কার্ডিয়াক ইভেন্টের পর রোগীদের সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনতে আন্তর্জাতিক মানসম্মত, সাশ্রয়ী ও স্থানীয়ভাবে কার্যকর 'কার্ডিয়াক রিহ্যাবিলিটেশন' মডেল বাস্তবায়নে সরকার সর্বোচ্চ নীতিগত ও কাঠামোগত সহায়তা দেবে।

তিনি বলেন, আমাদের স্বাস্থ্যব্যবস্থার অগ্রগতির ফলে মানুষ আগের চেয়ে বেশি দিন বাঁচছে, তবে এর সঙ্গে সঙ্গে অসংক্রামক ব্যাধির প্রকোপও বাড়ছে। ২০২২ সালের জাতীয় জরিপ অনুযায়ী দেশে মোট মৃত্যুর ২১ শতাংশই ঘটছে হৃদরোগজনিত জটিলতায়। অথচ উন্নত বিশ্বে প্রমাণিত হয়েছে যে, ব্যায়ামভিত্তিক কার্ডিয়াক রিহ্যাবিলিটেশন পরবর্তী হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বহুলাংশে কমায়, হাসপাতালে পুনঃভর্তির হার হ্রাস করে এবং রোগীর জীবনের মান বাড়ায়।

ড. এম এ মুহিত আরও বলেন, শুধু ক্লিনিক্যাল চিকিৎসা দিলেই চলবে না; কার্ডিয়াক অ্যাটাকের পর রোগীদের মধ্যে যে মানসিক স্বাস্থ্য সংকট, উদ্বেগ ও বিষণ্ণতা তৈরি হয়—বিশেষ করে কর্মক্ষম বয়সের মানুষের ক্ষেত্রে—সেটিকে এই গবেষণার অন্তর্ভুক্ত করা অত্যন্ত সময়োপযোগী। চিকিৎসাব্যবস্থা হতে হবে সাশ্রয়ী, সহজলভ্য এবং স্থানীয় বাস্তবতার সঙ্গে মানানসই।

গবেষণা এবং স্বাস্থ্য খাতের বাজেট বরাদ্দ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গবেষকদের কাজ শুধু ল্যাবরেটরি বা জার্নালে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না, তা তৃণমূলের নীতিমালায় অনুবাদ করতে হবে। বর্তমান সরকার জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়েছে এবং তারই অংশ হিসেবে স্বাধীনতার ৫৪ বছরের ইতিহাসে স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ নিশ্চিত করা হয়েছে। পাঁচ বছর মেয়াদি এই বৈজ্ঞানিক গবেষণার মাধ্যমে তরুণ গবেষকদের আন্তর্জাতিক মানের সক্ষমতা তৈরি হবে এবং বাংলাদেশ হৃদরোগ পুনর্বাসনে একটি টেকসই দিশা পাবে।

হৃদরোগীদের পুনর্বাসনে দেশে যুক্ত হচ্ছে আন্তর্জাতিক মডেল
  • ০৫ নভেম্বর ২০২৬
শিশু ধর্ষণ মামলায় শিক্ষকের যাবজ্জীবন
  • ০৫ নভেম্বর ২০২৬
একসঙ্গে স্কুল-কলেজ পেরিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের একই বিভাগে জমজ দু…
  • ০৫ নভেম্বর ২০২৬
বরিশালে জলাবদ্ধতা নিরসনে ৭৩০ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন
  • ০৫ নভেম্বর ২০২৬
বরিশালে জলাবদ্ধতা নিরসনে ৭৩০ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন
  • ০৫ নভেম্বর ২০২৬
বাংলাদেশকে এআই উদ্ভাবনে সক্ষম দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে
  • ০৫ নভেম্বর ২০২৬
×
NORTH SOUTH
UNIVERSITY Center of Excellence
UNDERGRADUATE
ADMISSION
SPRING 2027
APPLY NOW
APPLICATION DEADLINE
NOVEMBER 22, 2026
ADMISSION TEST
NOVEMBER 28, 2026
WORLD RANKINGS 2027#801-1000
WORLD RANKINGS 2027#901-950