স্বাস্থ্য ব্যয়
বক্তব্য রাখছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত © সংগৃহীত
স্বাস্থ্য বাজেট খরচ করার জন্য পপুলিস্ট কাজ করলে প্রচুর হাত তালি পাওয়া যায় বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। এতে অনেক ‘ক্ষমতাশীল’ এবং ‘৩০০ এমপি’ খুশি হয়ে যাবে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। বলছেন, কিন্তু এগুলো দিয়ে জনগণের স্বাস্থ্য হবে না। নীতিনির্ধারকদের মধ্যে এ ধরনের ভুল ধারণা দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন প্রতিমন্ত্রী। এ জন্য ব্যয়ের খাত নির্ধারণের ক্ষেত্রটি প্রমাণনির্ভর এবং বিশেষজ্ঞ পর্যায়ে হওয়া উচিত বলে উল্লেখ করেছেন ড. এম এ মুহিত। একই সঙ্গে দুর্নীতি প্রতিরোধের ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি।
আজ বুধবার (২৮ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) ডা. মিলন হলে ‘উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণসহ অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে সুনির্দিষ্ট বাজেট বরাদ্দ এবং উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ প্রাপ্তির উপায় ও ভবিষ্যৎ করণীয়’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটরের সহযোগিতায় বিএমইউর পাবলিক হেলথ ও ইনফরমেটিক্স বিভাগ আয়োজিত বৈঠকে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, গবেষক এবং বিশিষ্ট চিকিৎসকরা অংশ নেন।
এ সময় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপ প্রসঙ্গে বলেন, আমাদের দেশে প্রাপ্তবয়স্ক দুই থেকে তিন কোটি মানুষ উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন। তার চেয়েও ভয়াবহ বিষয় হলো তাদের প্রায় অর্ধেক জানেনই না যে তাদের উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে। প্রায় এক থেকে দেড় কোটি মানুষ আনডায়াগনোসড অবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ নিয়ে জীবন যাপন করছেন, তারা প্রতি মুহূর্তে মৃত্যুর ঝুঁকিতে আছেন।
তিনি বলেন, এগুলো জাতিগতভাবে আমাদের ওপরে একটা ইকোনমিক বার্ডেনও তৈরি করে। আমাদের চারপাশে তাকালে ফ্যামিলি মেম্বার, আত্মীয়-স্বজন, গ্রামের মানুষ, প্রায়ই শুনতে পাই—স্ট্রোক হয়েছে। কেউ হয়তো মৃত্যু বরণ করছে, বাকি যারা বেঁচে আছেন তাদের দীর্ঘমেয়াদী যে সেবার প্রয়োজন হয় এবং তারা যে ইকোনমিক বার্ডেন, সোশ্যাল বার্ডেন তৈরি করেন ফ্যামিলি এবং সমাজের ওপর— সেটা যদি ইকোনমিক কস্টিং করা যায়, আমার মনে হয় সেটার কস্টিংটাও অনেক বড় একটা কিছু হবে। মানবিক দিক দিয়ে দেখি আর হেলথ ইকোনমিক্সের দৃষ্টিতেই দেখি, আমি মনে করি যে এই উচ্চ রক্তচাপের যে প্রাদুর্ভাব বাংলাদেশে এবং সেটা নিয়ন্ত্রণের জন্য বর্তমান যে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা আমরা উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি—সেখানে যে ব্যবস্থাটুকু রয়েছে, সেটা নিতান্তই অপর্যাপ্ত।
দুর্নীতি এবং অপরিকল্পিত ব্যয় প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের নতুন সরকার স্বাস্থ্যখাতে সর্বোচ্চ বাজেট দিয়েছে—৭৪ হাজার কোটি টাকা। আমরা চাই এই পুরো টাকাটা যেন কোনো দুর্নীতির মাধ্যমে নষ্ট না হয়, প্রতিটা পয়সা যেন জনগণকে স্বাস্থ্য সেবা দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়। কিন্তু সেই পরিকল্পনা যখন করা হবে, সেই পরিকল্পনা কখনোই মনগড়া পরিকল্পনা হওয়া উচিত না। আমাদের এই বিশাল দেশে নানা ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যা আছে। এখন কোনটাকে আমরা প্রায়োরিটাইজ করব, কোনটাকে আমরা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবো, সেটা হওয়া উচিত এভিডেন্স বেসড এবং স্পেশালিস্ট লেভেল। পাবলিক হেলথে যারা গবেষণা করেন, জনস্বাস্থ্য নিয়ে যারা ভাবেন, ক্লিনিশিয়ান হিসেবে যারা দরিদ্র-প্রান্তিক মানুষের সরাসরি সেবা দেওয়ার সাথে সম্পৃক্ত আছেন, বিশেষায়িত ইনস্টিটিউটের যে চিকিৎসকরা আছেন—তাদের অভিজ্ঞতা, তাদের জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে আমাদের প্ল্যানিংগুলো হওয়া প্রয়োজন। হয়তো অনেক সময় সেটা হয় না। হয় না বলেই আমরা দেখতে পাই আমাদের রিসোর্সের অ্যালোকেশনে এমন জায়গায় আমরা রিসোর্সগুলোকে ব্যয় করি, এভিডেন্সের দিকে তাকালে সেটা হয়তো আমাদের প্রায়োরিটি এই মুহূর্তে হওয়ার দরকার ছিল না।
তিনি বলেন, একই সাথে একটা তাগাদা এবং আশঙ্কা আমরা বোধ করছি যে বিগত বছরে আমরা তো বাজেট খরচ করতেই পারতাম না, সেই বাজেট আমরা ফেরত দিতাম। তাহলে এবার কীভাবে খরচ করব? এটা এক দিক দিয়ে ভালো যে আমাদের কাজটার প্রতি তাগাদা আছে, আর এক দিক দিয়ে এইঞ্জারটা হচ্ছে—আমরা যদি শুধু খরচ করাটাকেই সাকসেস স্টোরি মনে করি, তাহলে খরচ করার সহজ পন্থাগুলোর দিকে আমরা চলে যাব। খরচ করার সহজ পন্থা কি? বিশাল বিশাল বিল্ডিং তুলে, পারলে প্রতি উপজেলায় মেডিকেল কলেজ বানানোর ঘোষণা দিয়ে দেওয়া। এগুলো খুব পপুলিস্ট কাজ, এগুলো বললে অনেক তালি পাওয়া যায়। অনেক ক্ষমতাশীলরা আপনার ওপর খুশি থাকবে, ৩০০ এমপি আপনার ওপর খুশি হয়ে যাবে। কিন্তু এগুলো দিয়ে জনগণের স্বাস্থ্য হবে না, আপনারা যারা বিশেষজ্ঞ সবাই এখানে আছেন, আপনারা এটা বোঝেন। কিন্তু পলিসি মেকারদের মধ্যে এই ভুল প্রবণতা দেখা দিতে পারে, এটা একটা আশঙ্কার বিষয়।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা যদি শুধু টাকা খরচের কথা চিন্তা করি, আমরা বিল্ডিং বানানোর পরে কী করব? প্রতিদিন দুর্নীতিগ্রস্ত স্বাস্থ্য সরকার যেটা করেছেন, শত শত কোটি টাকার যন্ত্রপাতি কিনেছেন। সেই যন্ত্রপাতি অনেক জায়গায় পড়ে থেকে নষ্ট হয়ে গেছে। তো আমরা যদি সতর্ক না হই, এবারও কিন্তু সেই আশঙ্কা আছে, আমরা দামি দামি যন্ত্রপাতি কিনতে থাকবো, গ্রামে গঞ্জে সেই যন্ত্রপাতি পৌঁছে দেবো। তার ফলে কিন্তু আমার এই হাইপারটেনশনে ভোগা, মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন হেঁটে যাওয়া দুই কোটি মানুষের কোনো উপকার হবে না। কোনো মেশিনই এই দুই কোটি মানুষের জীবনকে বাঁচাতে পারবে না। এই দুই কোটি মানুষের জীবনকে বাঁচাতে গেলে আজকে আপনারা যে আলোচনাটা করছেন—আমাদের বাজেট ব্যবহার করতে হবে, তাদের প্রেশার কন্ট্রোলের জন্য মেডিকেশন যেন তারা নিয়মিত পায়।
স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি সেক্টর কর্মসূচি অর্থাৎ অপারেশন প্ল্যান (ওপি) বন্ধের সমালোচনা করে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিগত সময়ে কোনো ধরনের বিকল্প চিন্তা না করেই হঠাৎ করে সেক্টর ওয়াইড প্রোগ্রাম এবং অপারেশনাল প্ল্যান বন্ধ করে দেওয়ার ফলে টিকাদান থেকে শুরু করে উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ সরবরাহ পর্যন্ত প্রতিটি স্তরে বড় ধরনের বিপর্যয় ও বিঘ্ন ঘটেছিল।
গোলটেবিল বৈঠকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মাহাবুবুর রহমান মিঞা গোলটেবিল বৈঠকে জানান, হার্ট ফাউন্ডেশনের একটি অ্যাপ রয়েছে, যার মাধ্যমে নিয়মিত পেশেন্ট আপডেট পাওয়া যায়। একই সাথে মাসিক হাইপারটেনশন ও ডায়াবেটিসের ছয়টি মেডিসিনের আপডেট পাওয়া যায় এবং সেখান থেকে প্রেডিকশন ও ফোরকাস্ট করা যায়।
তিনি জানান, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে পেশেন্ট এনরোলমেন্টে হাইপারটেনশন পেশেন্ট ছিল ৬ লাখ, যা ৩% কাভারেজ ছিল। এই ৩% কাভারেজ দিয়ে হিসাব করলে আগামী ২০৩০-৩১ অর্থবছর পর্যন্ত মোট ২৫০০ কোটি টাকা (এর মধ্যে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৩৬০ কোটি টাকা ও ২০৩০-৩১ অর্থবছরে ৬০ কোটি টাকা) প্রয়োজন হবে। আর যদি বর্তমান ৩% কাভারেজের জায়গায় ৬ লাখ পেশেন্টকে ধরে হিসাব করা হয়, তবে এই বছরের বাজেট ৬৫০ কোটি টাকা এবং ২০৩০-৩১ অর্থবছরে ১০০০ কোটি টাকার মতো লাগবে শুধু এই ছয়টি মেডিসিনের জন্য।
মাহাবুবুর রহমান মিঞা আরও বলেন, বিগত ২০২২-২৩ অর্থবছরের পর থেকে কখনোই ১০০ কোটি টাকার বেশি মেডিসিন দেওয়া হয়নি। গত বছরে ১০০ কোটি টাকা ইডিসিএলের মাধ্যমে জরুরি ভিত্তিতে দেওয়া হয়েছিল। এই প্রোগ্রামটাতে প্রায় ৫২% কন্ট্রোল রেট আছে এবং এটার মাধ্যমে আমরা অনেক ধরনের ডিজিবিলিটি ও প্রিম্যাচিউর ডেথ কমাতে পারি। এর জন্য আমাদের বাজেটের একটা প্রপার ডিকোড দিতে হবে। বাজেট যদি ওপির মাধ্যমে হয় সেটা সেন্ট্রাল পারচেজের মাধ্যমে হবে, আর যদি ফ্যাসিলিটিজে রেভিনিউ বাজেটে চলে যায় তবে আলাদা ইকোনমিক কোড দরকার আছে। অন্যথায় হসপিটাল ম্যানেজাররা হাইপারটেনশন বা ডায়াবেটিসের ওষুধ না কিনে ইমারজেন্সি চালানোর জন্য সেই বাজেট ব্যবহার করতে পারে।
প্রকিউরমেন্ট সিস্টেমের বিষয়ে তিনি বলেন যে ইডিসিএল থেকে নেওয়া হলে ইডিসিএলের ক্যাপাবিলিটি অনেক বাড়াতে হবে। গত বছরে আমরা ১০০ কোটি টাকা দিয়েছিলাম র ম্যাটেরিয়ালের জন্য, আর সাপ্লাই করতে ছয় থেকে আট মাস লেগেছে ৬০০টা উপজেলায়। প্রথম দিকে বাজেট ও মেডিসিন শেষ হয়ে যাওয়ায় সব উপজেলায় তা থাকে না। তাই ইডিসিএলের ক্যাপাবিলিটি বাড়ানো এবং মেডিসিনের প্রাইস কমানো দরকার। এছাড়া স্টোরেজ ক্যাপাবিলিটি কম থাকায় ফ্রেমেক এগ্রিমেন্টের মাধ্যমে করলে সুবিধা হবে। আর্মির ভিজিডিসিপির মতো সেন্ট্রাল প্রকিউরমেন্ট সিস্টেম করা গেলে এক হসপিটালে ৫০ পয়সা আর অন্য হসপিটালে ১ টাকা দামের তারতম্য কমে ১০ পয়সায় চলে আসবে এবং সিএমএসডিগুলোর মাধ্যমে প্রতিটি ডিভিশনে আলাদা হসপিটালের ডিমান্ড নিয়ে কাজ করা যাবে। এতে হসপিটাল ম্যানেজারদের ওপর অনৈতিক প্রেশারও কমে যাবে। পরিশেষে তিনি সাপ্লাই চেইনের ট্রেনিং ও ফ্যাসিলিটি বাড়ানোর পাশাপাশি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ইএলএমএস সিস্টেমকে আরও শক্ত করার ওপর জোর দেন।
এ সময় উচ্চ রক্তচাপ বিশেষজ্ঞ ডা. জাকির হোসেন তার বক্তব্যে বলেন, ২০১৯ সালের অক্টোবর থেকে আমাদের দেশে কার্ডিয়াক ডিজিজ ও হাইপারটেনশনের মতো রোগগুলোতে সবচেয়ে বেশি ব্যয় হয়ে থাকে। এই রোগগুলোর চিকিৎসায় অ্যাম্লোডিপিন এবং লোসারটিন ব্যবহারের পাশাপাশি টেনমিসার্টান বা ওলমেসারটান গ্রুপের মতো অন্যান্য উন্নত ওষুধগুলোকেও কাভারেজের আওতায় আনা উচিত।
তিনি বলেন, পলিসি মেকাররা যদি এই বিষয়ে সচেতন হন এবং সচেতনতা তৈরি করতে পারেন, তবে সাধারণ জনগণ এর সুফল পাবে। জনগণের জন্য এওয়ারনেস তৈরি করার জন্য আমাদের অনেক পলিসি রয়েছে এবং আমরা পলিসি করেছিও, তবে সর্বাগ্রে পলিসি মেকারদের এওয়ার হওয়া জরুরি। বর্তমানে যে এনসিডি প্রিভেল করছে, সেগুলোর বেশিরভাগই ট্রিটমেন্টের পর্যায়ে আছে। সেগুলোকে যদি আমরা একবার মনিটরিং করতে পারি—যেগুলো ডায়াবেটিস বা হাইপারটেনশনের গভর্ন্যান্স—সেগুলোকে সঠিকভাবে মনিটরিং করা এবং তার সাথে রেসপন্সিবল করা, সেই জায়গাটাতে আমাদেরকে যেতে হবে।
ডা. জাকির হোসেন আরও বলেন, ফ্যাসিলিটিগুলো থেকে ওষুধ ক্রয়ের ক্ষেত্রেও তাদের পক্ষে এই ডিমান্ড মিট করা সম্ভব হয় না। সেখানে যদি আমাদের জন্য ইকোনমিক একটা সাব-কোড বা এনসিডি প্রজেক্ট স্পেসিফিক করে দেওয়া যায়—যে না, তোমাকে এই কোডের টাকা দিয়ে এই ওষুধগুলো কিনতে হবে—তাহলে এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হবে। একটি প্রটোকল বেইজড ট্রিটমেন্ট যেন ইউনিফর্মলি এটা এপ্লাই করতে পারি, সেটার জন্য গভর্নমেন্ট প্রো-অ্যাক্টিভ হওয়া দরকার। তাহলে জিনিসটা রিডেবল হবে। আর যখন প্রটোকল হয়ে যায়, তখন ইনিশিয়াল ম্যানেজমেন্ট বা কনফিশন অব ম্যানেজমেন্ট যেটা, দ্যাট শুড বি গাইডেড বাই প্রটোকল।
ডব্লিউএইচও মডেল স্বীকৃত এবং কার্যকর মডেল উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটাতে ৫৯% আমরা দেখা যেতে পারছি যে ব্লাড প্রেশার কন্ট্রোল হয়, যেখানে ন্যাশনাল কাভারেজ হলো ১৬%। সুতরাং এটা কিন্তু একটা পরীক্ষিত মডেল। ডব্লিউএইচওর যে গ্লোবাল ইমপ্লিমেন্টেশনের যে প্রিন্সিপাল, বাংলাদেশ এই মডেল থেকে একটা সাকসেসফুল স্টাডি হিসেবে দেখিয়েছে।
গোলটেবিল বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ, উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জাহিদ রায়হান এবং ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন অর রশীদ প্রমুখ।