অপচিকিৎসা ও অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহার বন্ধে ‘টেলিমেডিসিন গাইডলাইন’ বাস্তবায়নে হাইকোর্টের রুল

১৪ জুন ২০২৬, ০৮:৩২ PM , আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ০৮:৩২ PM
উচ্চ আদালত

উচ্চ আদালত © সংগৃহীত

অপচিকিৎসা রোধ ও যত্রতত্র অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বন্ধে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) তৈরি করা ‘টেলিমেডিসিন গাইডলাইন’ দেশের প্রতিটি জেলা-উপজেলায় বাস্তবায়নের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

আজ রবিবার (১৪ জুন) রিট আবেদনের পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার শেখ আবু মুসা মোহাম্মদ আরিফ গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, গত ৭ জুন বিচারপতি রাজিক আল জলিল এবং বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করেন।

একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও চারজন চিকিৎসকের যৌথ উদ্যোগে জনস্বার্থে দায়ের করা এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আদালত এই আদেশ দেন।

আইনজীবী জানান, আদালত এই রুলের জবাব দেওয়ার জন্য স্বাস্থ্য খাতের প্রধান দুই শীর্ষ কর্মকর্তা ও স্থানীয় প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন। যাদেরকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে তারা হলেন— স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা, ফার্মেসি কাউন্সিলের সচিব মুহাম্মদ মাহবুবুল হক, ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহা. আলমগীর হোসেন, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) রেজিস্ট্রার ডা. মো. লিয়াকত হোসেন এবং সকল জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন ও ড্রাগ সুপারিনটেন্ডেন্ট।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন প্রধান আইনজীবী ব্যারিস্টার শেখ আবু মুসা মোহাম্মদ আরিফ। তার সাথে প্যানেলে আরও উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী মো. আব্দুস সালাম রিংকু, মো. তানভীর হাসান রিয়াদ ও আব্দুর রশীদ চৌধুরী। জনস্বার্থে এই রিটটি দায়ের করেন ‘বিপিডিএ হেলথ এডুকেশন ট্রেনিং অ্যান্ড টেকনোলজি লিমিটেড’-এর চেয়ারম্যান মো. রাকিবুল ইসলাম এবং চার চিকিৎসক মো. তাওহিদুল ইসলাম, মো. মুরাদুন্নবী, শামীমা আক্তার ও মান্না চক্রবর্তী মুন।

আইনজীবীরা জানান, বিএমডিসি ২০২০ সালে দেশে ডিজিটাল ও দূরবর্তী চিকিৎসাসেবা সুশৃঙ্খল করতে একটি যুগোপযোগী ‘টেলিমেডিসিন গাইডলাইন’ প্রণয়ন করেছিল। কিন্তু দীর্ঘদিনেও মাঠপর্যায়ে এটি পুরোপুরি বাস্তবায়ন না হওয়ায় প্রত্যন্ত অঞ্চলে অপচিকিৎসার সুযোগ তৈরি হচ্ছে এবং মানুষ প্রেসক্রিপশন ছাড়াই যত্রতত্র অ্যান্টিবায়োটিক কিনে খাচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য চরম হুমকিস্বরূপ। এই গাইডলাইনটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে দেশের ডিজিটাল চিকিৎসাসেবায় স্বচ্ছতা আসবে এবং চিকিৎসকদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে।

নবম পে-স্কেলের গেজেট: পদোন্নতি ছাড়াই উচ্চতর গ্রেড
  • ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পদ্মার ইলিশ নাকি গুজরাটের, চিনবেন যেভাবে
  • ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে ১১ দলীয় ঐক্য
  • ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শুধু আইফোনের জন্য নয়, অপ্রতীম হত্যার পেছনে আরও যে কারণের কথ…
  • ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আজ বউকে প্রশংসা করার দিন
  • ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কুবি ক্যাম্পাসে অপ্রতিমের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত 
  • ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬