স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ একই হলে কী হতে পারে 

০২ নভেম্বর ২০২৫, ১২:২৮ PM , আপডেট: ০২ নভেম্বর ২০২৫, ০১:০৫ PM
রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করা হচ্ছে

রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করা হচ্ছে © সংগৃহীত

বিভিন্ন অ্যান্টিজেনের উপস্থিতির ওপর নির্ভর করে রক্তের গ্রুপ ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। চিকিৎসকদের মতে, রক্তের গ্রুপ নির্ভর করে দুটি ফ্যাক্টরের ওপর। একটি হলো ‘এবিও’ ফ্যাক্টর, আরেকটি হচ্ছে ‘আরএইচ’ ফ্যাক্টর। এবিও গ্রুপিং পদ্ধতিতে রক্তের গ্রুপ চারটি —এ, বি, এবি এবং ও। আরএইচ অ্যান্টিজেনের উপস্থিতির ওপর নির্ভর করে রক্তের গ্রুপ পজিটিভ নাকি নেগেটিভ হবে।  

আমাদের চারপাশে অনেকেরই ধারণা, স্বামী-স্ত্রীর রক্তে গ্রুপ এক হলে সেটি বাচ্চার উপর প্রভাব ফেলে। কিন্ত এটি আসলে রক্তে আরএইচ অ্যান্টিজেনের উপস্থিতির নির্ভর করে। আবার, অনেকের ভ্রান্ত ধারণা, বাবা মায়ের রক্তের গ্রুপ এক হলে বাচ্চার থ্যালাসেমিয়া হয়। এটাও সম্পূর্ণ ভুল ধারণা।  

আরএইচ পজেটিভ-নেগেটিভ ফ্যাক্টর 
আরএইচ নেগেটিভ রক্তগ্রুপ বিশিষ্ট কোনো নারী সঙ্গে আরএইচ পজেটিভ রক্ত গ্রুপের কোনো পুরুষের বিয়ে হলে তাদের সন্তান জন্মের ক্ষেত্রে আরএইচ ফ্যাক্টর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আরএইচ পজেটিভ অবস্থা আরএইচ নেগেটিভ অবস্থার চেয়ে প্রকট হওয়ার ফলে প্রথম সন্তানের ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হয় না। সন্তান ও আরএইচ পজেটিভ হবে। এক্ষেত্রে শিশু মাতৃগর্ভে থাকাকালীন সময়ে মায়ের রক্তে আরএইচ নেগেটিভ এন্টিবডি সৃষ্টি হয়।

প্রথমবার গর্ভধারণকালে আরএইচ নেগেটিভ এন্টিবডি যথেষ্ট পরিমাণে তৈরি হতে পারে না। ফলে সন্তানের কোন ক্ষতি হয় না। কিন্ত পরবর্তী সময়ে মা যদি আবার গর্ভধারণ করেন এবং গর্ভস্থ সন্তান পজিটিভ রক্তের হয়, তাহলে এই অ্যান্টিবডি সন্তানের লোহিত রক্তকণিকাগুলোকে ধ্বংস করে। ফলে ভ্রুণ বিনষ্ট হয়, গর্ভপাত ঘাটে বা সদ্যজাত শিশুর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে। এ অবস্থায় শিশু জীবিত থাকলেও তার দেহে রক্তাল্পতাসহ নানা শারীরিক জটিলতা দেখা দিতে পারে।

আরও পড়ুন: সকালে হাঁটার নয়টি চমকপ্রদ উপকারিতা

মা যদি আরএইচ পজেটিভ রক্তগ্রুপ বিশিষ্ট হয় এবং বাবার রক্তের গ্রুপ যদি আরএইচ নেগেটিভ হয়, সেক্ষেত্রে দুজনের কারোরই ক্ষতির শঙ্কা নেই। গর্ভস্থ সন্তানের রক্তের গ্রুপও পজিটিভ বা নেগেটিভ যে কোনোটাই হতে পারে।

আবার, মা এবং বাবা দুইজনেই যদি আরএইচ নেগেটিভ রক্তগ্রুপ বিশিষ্ট হয় তাহলে সন্তানের রক্তের গ্রুপও সন্তান আরএইচ নেগেটিভ হয়। ফলে কোনো সমস্যা হয় না। আবার দুইজনেই আরএইচ পজেটিভ রক্তগ্রুপ বিশিষ্ট হলেও সন্তানের কোনো সমস্যা হয় না।

করণীয় কি? 
মায়ের যদি নেগেটিভ এবং বাবার রক্তের গ্রুপ যদি পজেটিভ হয় সেটি গর্ভধারণের আগে বা পরে অবশ্যই ডাক্তারকে জানাতে হবে। মায়ের শরীরে আরএইচ অ্যান্টিবডি অনুপস্থিত থাকলে ২৮ সপ্তাহে মাকে অ্যান্টিবডি টিকা দিতে হবে এবং সন্তানের জন্মের পর তার রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করতে হবে। সন্তানের রক্তের গ্রুপ পজিটিভ হলে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পুনরায় মাকে টিকা দিতে হবে। তবে সন্তানের রক্তের গ্রুপ নেগেটিভ হলে পুনরায় টিকা দেওইয়ার প্রয়োজন নেই। 

সূত্র: ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিক 

আর্জেন্টিনার পতাকার আদলে বাড়ি সাজিয়ে নজর কাড়লেন তিন ভাই
  • ০৯ জুন ২০২৬
ড্রাইভারকে মারধর ও গাড়ি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উপজেলা ছাত্রদল…
  • ০৯ জুন ২০২৬
৪ দিন ধরে নিখোঁজ বাবা, সন্ধান চাইলেন জবি শিক্ষার্থী
  • ০৯ জুন ২০২৬
প্রাইভেটকারের গ্যাস সিলিন্ডারে মিলল সাড়ে ৩ কোটি টাকার ইয়াবা
  • ০৯ জুন ২০২৬
সাড়ে ৫ লাখ টাকার ইয়াবাসহ ছাত্রদল নেতা আটক
  • ০৯ জুন ২০২৬
মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার
  • ০৯ জুন ২০২৬