এইচএমপি ভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৭ নির্দেশনা

১০ জানুয়ারি ২০২৫, ০৯:২২ PM , আপডেট: ১৪ জুলাই ২০২৫, ০৩:৪৬ PM
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর © সংগৃহীত

হিউম্যান মেটানিউমো ভাইরাস (এইচএমপিভি) সংক্রমণ রোধে সাত নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো বুধবার (৮ জানুয়ারি) লাইন ডাইরেক্টর অধ্যাপক ডা. মো. হালিমুর রশিদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়েছে, চীন সহ উপমহাদেশে বিভিন্ন দেশে এইচএমপিভি ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব এবং ভাইরাসের তীব্রতা উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে ১৪ বছরের কম বয়সী শিশু এবং ৬৫ বছর বা তার বেশী বয়সী ব্যক্তিদের মধ্যে এই রোগের সংক্রমণ বেশী দেখা যায়। সেই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য সমস্যা যেমন হাপানি বা ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, গর্ভবর্তী মহিলা এবং দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য উচ্চ ঝুঁকি সৃষ্টি হতে পারে।

আরও বলা হয়েছে, পৃথিবীর অন্যান্য অনেক দেশের মত বাংলাদেশেও এই রোগের সংক্রমণ দেখা যায়। সম্প্রতি চীন ও অন্যান্য দেশে এর প্রার্দুভাব দেখা দেয়ায় বাংলাদেশর সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখা আবশ্যক। যার জন্য সকল স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র এবং পয়েন্টস অব এন্ট্রি সমূহে স্বাস্থ্যবিধি জোরদার করা প্রয়োজন। এই প্রেক্ষিতে বাংলাদেশে এই ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে নিম্নে বর্ণিত নির্দেশনা অনুসরণ করা এবং জনগণের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য অনুরোধ করা হলো।

সংক্রমণ প্রতিরোধে নির্দেশনা সমূহ:

১। শীতকালীন শ্বাসতন্ত্রের রোগ সমূহ হতে নিজেকে রক্ষার জন্য মাস্ক ব্যবহার করুন।

২। হাঁচি কাশি সময়/বাহু/ টিস্যু দিয়ে নাক মুখ ঢেকে রাখুন।

৩। ব্যবহৃত টিস্যুটি অবিলম্বে ঢাকনা যুক্ত ময়লা ফেলার ঝুড়িতে ফেলুন এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার অথবা সাবান পানি দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলুন।

৪। আক্রান্ত হয়েছেন এমন ব্যক্তিদের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন এবং কমপক্ষে ৩ ফুট দূরত্ব বজায় রাখুন।

৫। ঘনঘন সাবান ও পানি কিংবা হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধোন (অন্তত ২০ সেকেন্ড)

৬। অপরিষ্কার হাতে চোখ, নাক, মুখ ধরবেন না।

৭। আপনি জ্বর, কাশি এবং শ্বাসকষ্ট আক্রান্ত হলে সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত বাড়িতে থাকুন।

প্রয়োজন হলে নিকটস্থ হাসপাতালে যোগাযোগ করুন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আর জানিয়েছে, হিউম্যান মেটানিউমো ভাইরাস অন্যান্য শ্বাসতন্ত্রের রোগের মত ফ্লু এর মত উপসর্গ সৃষ্টি করে। যা সাধারণত ২-৫ দিনের মধ্যে ভালো হয়ে যায়। তাই আতঙ্কিত হওয়ার দরকার নাই। সবাইকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার জন্য অনুরোধ করা হলো।

সীমান্তের শূন্য রেখায় রাত কাটাচ্ছেন দেড় বছরের শিশুসহ ১২ জন
  • ১৩ জুন ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রে আকস্মিক বন্দুক হামলায় নিহত ১, আহত ১১
  • ১৩ জুন ২০২৬
সাপের কামড়ে প্রাণ গেল স্কুলছাত্রের
  • ১৩ জুন ২০২৬
ফের দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের রেকর্ড গড়ল ফেনী 
  • ১২ জুন ২০২৬
বিএসএফের ‍গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত
  • ১২ জুন ২০২৬
মাদক-সন্ত্রাসে বাধা দেওয়ায় ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে জখম, গণপিটুন…
  • ১২ জুন ২০২৬
×