ডিজিটালাইজেশনের নামে বিগত সরকার কৌশলগত অবকাঠামোকে নির্দিষ্ট কোম্পানির কাছে জিম্মি রেখেছে 

০৯ আগস্ট ২০২৫, ০৩:৩৬ PM , আপডেট: ১২ আগস্ট ২০২৫, ১১:১৬ AM
ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

ফাইজ তাইয়েব আহমেদ © সংগৃহীত

প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ও লেখক ফাইজ তাইয়েব আহমেদ অভিযোগ করে বলেছেন, ডিজিটাইজেশনের নামে বিগত সরকার বিভিন্ন কৌশলগত অবকাঠামোকে কিছু নির্দিষ্ট দেশি-বিদেশি কোম্পানির কাছে জিম্মি করে রেখে গিয়েছে। এসব থেকে মুক্তি পাওয়ার পথ সহজ নয়, আছে আইনি বাধা-বিপত্তি। আজ শনিবার (৯ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজ অ্যাকাউন্টে তিনি এ অভিযোগ তুলেন। 

ফেসবুকে ফাইজ তাইয়েব আহমেদ বলেন, আমি মনে করি জনগণের কর ও ভ্যাটের টাকায় কিংবা বিদেশি ঋণের টাকায় মন্ত্রণালয়, দপ্তর সংস্থা, সরকারি কোম্পানি কিংবা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের ভেন্ডর লকড, সফটওয়্যার লকড এবং হার্ডওয়্যার লকড সো কলড অটোমেটেড সিস্টেম কেনা উচিত না। এমন ক্লোজ সিস্টেমের পেছনে বিনিয়োগ করে দেশের বহু গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো সিস্টেম এবং সফটওয়্যার অটোমেশনের নামে ২০২৮-৩০-৩৪ সাল পর্যন্ত ভেন্ডর ডিপেন্ডেন্ট হয়ে আছে। এসব সিস্টেমের লাইসেন্স রিনিউয়াল ফি আকাশচুম্বী। ছোট্ট কোন কোড চেঞ্জ কিংবা প্রোফাইল পরিবর্তনের জন্য, কনফিগারেশন মডিফিকেশন এর জন্য হাজার হাজার ডলার খরচ হচ্ছে। ডিজিটাইজেশনের নামে বিগত সরকার বিভিন্ন কৌশলগত অবকাঠামোকে কিছু নির্দিষ্ট দেশি-বিদেশি কোম্পানির কাছে জিম্মি করে রেখে গিয়েছে। এসব থেকে মুক্তি পাওয়ার পথ সহজ নয়, আছে আইনি বাধা-বিপত্তি। 

তিনি বলেন, এমন সফটওয়্যার কেনা উচিত না যার সোর্স কোড সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ওউন করে না। যে প্রতিষ্ঠান গিঁট হাব ক্রিয়েট কিংবা মেইন্টেইন করতে পারবে না সে নিজে অটোমেশনের নামে কোন সফটওয়্যার কিনবে না, সিস্টার এন্টারপ্রাইজ বা মন্ত্রণালয়ের যাদের এই যোগ্যতা আছে তাদের দিয়ে সিস্টেমস এবং সফটওয়্যার সার্ভিস কিনতে হবে। ১৮ কোটি মানুষের দেশ, প্রতিনিয়ত নিত্যনতুন সমস্যা তৈরি হয়। সিস্টেমের আর্কিটেকচার ডিজাইনের সময় বহু ইনপুট ভুল হয় যা শুধরানো লাগে। শুরু থেকেই ডিজাইনে এপিআই ইন্টিগ্রেশন এবং ইন্টার-অপারেবিলিটির কথা মনে থাকে না। থাকে না সিকিউরিটির কথা, রিডান্ডেন্সির কথা। এজন্য সফটওয়্যার গুলিতে ক্রমাগত অ্যাডাপটেশন/আপগ্রেডেশন/মডিফিকেশন দরকার পড়ে। 

ফাইজ তাইয়েব আরও বলেন, লকড সিস্টেমে এসব পরিবর্তন সহজসাধ্য নয়। একদিকে খরুচে, অন্যদিকে ব্যাপক সময় চলে যায়। বিদেশি সফটওয়্যার হলে মাসের পর মাস চলে যায় শুধু বুঝাইতে যে কী দরকার/কেন দরকার! একদিকে লাইসেন্স ফি যায় অন্য দিকে উচ্চ চেঞ্জ ফি/আপগ্রেডেশন ফি। দিনশেষে অটোমেশন নামধারী হলেও সফটওয়্যারগুলো দিয়ে নাগরিকদের সেবা দেওয়া যায় না। এসব নিয়ে ভাবতে হবে। 

সতর্ক করে ফাইজ তাইয়েব আহমেদ বলেন, সম্মিলিতভাবে আমাদের ডিজিটাল ট্রান্সফর্মেশন ফিউচার কিছু কোম্পানির কাছে বন্ধক রাখার যে গড্ডালিকা প্রবাহ এবং অদূরদর্শিতার যে ভয়ংকরতম রোগ, তা থেকে সরতে হবে মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে। বিষয়টি অতীব গুরুত্বপূর্ণ। সময় হয়েছে আমাদের সম্মিলিতভাবে সতর্ক হওয়ার।

 

সাবস্টেশনে লাগা আগুনে বিদ্যুৎহীন রাজধানীর একাংশ
  • ১১ জুলাই ২০২৬
শাহজালালের মাজারের দানবাক্সে এবার ১৯ দিনেই ৪৭ লাখ টাকা
  • ১১ জুলাই ২০২৬
ঢলের পানিতে লাকড়ি ধরতে গিয়ে ভেসে যায় শিশু সাজেদুল, চারদিন প…
  • ১১ জুলাই ২০২৬
বন্যা পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগ তুলে ধরলেন মাহ্দী আ…
  • ১১ জুলাই ২০২৬
বিয়ের আড়াইমাসের মাথায় নববধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
  • ১১ জুলাই ২০২৬
২৫ বছরে ঢাকা মেডিকেলকে দক্ষিণ এশিয়ায় ‘শ্রেষ্ঠ’ দেখার আশা ডা…
  • ১১ জুলাই ২০২৬
×
  • Application Deadline
  • JULY 26, 2026
  • Admission Test
  • AUGUST 01, 2026
APPLY
NOW!
UNDERGRADUATE ADMISSION
FALL 2026!
NORTH SOUTH UNIVERSITY
Center of Excellence