লামিনে ইয়ামাল © সংগৃহীত
বার্সেলোনার তরুণ ফরোয়ার্ড লামিনে ইয়ামালকে নিয়ে বড় ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন তার সাবেক সতীর্থ মার্কাস রাশফোর্ড। ইংলিশ এই ফরোয়ার্ডের বিশ্বাস, ক্যারিয়ারে ৭টি ব্যালন ডি’অর জিতলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না ইয়ামালের। এমনকি প্রতিভার বিচারে লিওনেল মেসির পর এত কম বয়সে আর কোনো ফুটবলারকে তার চোখে ইয়ামালের মতো মনে হয়নি।
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে ধারে ফেরার পর ম্যানচেস্টার ইভনিং নিউজের সঙ্গে এক প্রশ্নোত্তর পর্বে ইয়ামালকে নিয়ে নিজের মুগ্ধতার কথা জানান রাশফোর্ড। তিনি বলেন, ‘দেখা যাক, সে সামনে আর কী কী অর্জন করে। তবে শেষ পর্যন্ত যদি ৭টি ব্যালন ডি’অরও জিতে নেয়, তাতেও আমি অবাক হব না।’
২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর ভোটে তৃতীয় হয়েছিলেন ইয়ামাল। গত অক্টোবরের শেষদিকে ঘোষিত এই পুরস্কারে তাকে পেছনে ফেলে সেরার স্বীকৃতি পান বায়ার্ন মিউনিখের হ্যারি কেইন। দ্বিতীয় হন রিয়াল মাদ্রিদের কিলিয়ান এমবাপ্পে।
ইয়ামালের প্রতিভার প্রশংসা করতে গিয়ে তাকে মেসির সঙ্গেও তুলনা করেছেন রাশফোর্ড। তার ভাষায়, ‘নিজের বয়সের কোনো খেলোয়াড়কে আমি তার মতো প্রতিভাবান দেখিনি। বছরের পর বছর ধরে মেসির যে পর্যায়ের খেলা আমরা দেখেছি, আমার মতে ইয়ামালই তার সবচেয়ে কাছাকাছি যেতে পেরেছে।’
মেসি বার্সেলোনা ছাড়ার পর দীর্ঘদিন তার যোগ্য উত্তরসূরি খুঁজেছে কাতালান ক্লাবটি। রাশফোর্ডের বিশ্বাস, এবার সেই অনুসন্ধানের অবসান হতে পারে ইয়ামালকে ঘিরেই।
ব্যালন ডি’অর জয়ের দিক থেকে এখনো সবার ওপরে রয়েছেন মেসি। আর্জেন্টিনার হয়ে কাতার বিশ্বকাপ জয়ের পর ২০২৩ সালে সর্বশেষ পুরস্কারটি জিতে নিজের অষ্টম ব্যালন ডি’অর নিশ্চিত করেন তিনি। তার দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো জিতেছেন পাঁচবার। ২০০৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত এই দুই মহাতারকাই ব্যক্তিগত এই পুরস্কারে আধিপত্য করেছেন। এই সময়ে অন্য ফুটবলাররা খুব কমই পুরস্কারটি জিততে পেরেছেন।
চলতি মৌসুমে বার্সেলোনার হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১৫ ম্যাচে ১৩ গোলের পাশাপাশি ১১টি অ্যাসিস্ট করেছেন ইয়ামাল। অন্যদিকে গত গ্রীষ্মে রাশফোর্ডকে স্থায়ীভাবে দলে নেয়নি বার্সেলোনা। তার জায়গায় বাঁ-প্রান্তের আক্রমণভাগে বরুসিয়া ডর্টমুন্ড থেকে করিম আদেয়েমিকে দলে ভিড়িয়েছে কাতালানরা।